ঢাকা ০১:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জাতীয় পদক অর্জন করায় ফজলে রাব্বীকে সংবর্ধনা লালপুরে ১০ পিস ইয়াবাসহ যুবক আটক, মাদক আইনে মামলা লালপুরে ট্রাকের ধাক্কায় গুরুতর আহত পথচারীর মৃত্যু ঝিনাইগাতীতে ঘোড়া জবাই করে মাংস পাচারের অভিযোগ, ঘটনাস্থলে পুলিশ বজ্রপাতের ঝুঁকি কমাতে রুয়েটে তালগাছের চারা রোপণ চাঁপাইনবাবগঞ্জে বন্যার পানিতে গোসল করতে গিয়ে প্রাণ গেল একই গ্রামের ৫ কিশোরীর, শোকে স্তব্ধ চর চাকলা সৌদি আরবে কারখানায় আগুনে নিহত শ্যামলের দাফন, তিন মেয়েকে নিয়ে দিশেহারা পরিবার নাটোরে ১৪০ বোতল ভারতীয় এস্কাফ সিরাপসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার সৌদি আরবে অগ্নিকাণ্ডে নিহত নলডাঙ্গার রবিউলের দাফন, শেষবারের মতো কান্নায় ভেঙে পড়লেন স্বজনরা Channel A News-এ সংবাদ প্রকাশের পর ফাতেমার পাশে প্রধানমন্ত্রী, পেলেন ৫ লাখ টাকার অনুদান

Channel A News-এ সংবাদ প্রকাশের পর ফাতেমার পাশে প্রধানমন্ত্রী, পেলেন ৫ লাখ টাকার অনুদান

নিউজ ডেস্কঃ
  • আপডেট সময় : ১০:৪১:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬ ৮৭ বার পড়া হয়েছে

Bagatipara Fathama khanom photo

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

Channel A News-এ সংবাদ প্রকাশের পর ফাতেমার পাশে প্রধানমন্ত্রী, পেলেন ৫ লাখ টাকার অনুদান

নিউজ ডেস্কঃ
অর্থের অভাবে চীনে গিয়ে এমবিবিএস পড়ার স্বপ্ন যখন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল নাটোরের বাগাতিপাড়ার মেধাবী শিক্ষার্থী ফাতেমা খানমের, তখনই তার পাশে দাঁড়িয়েছে রাষ্ট্র। অনলাইন নিউজ পোর্টাল Channel A News-এ ‘অর্থের অভাবে চীনের মেডিকেলে ভর্তি অনিশ্চিত, সহযোগিতা চায় বাগাতিপাড়ার মেধাবী ফাতেমা’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি নজরে আসে নাটোর-১ (লালপুর-বাগাতিপাড়া) আসনের সংসদ সদস্য ও সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুলের।

পরে প্রতিমন্ত্রী ফাতেমার পড়াশোনার বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অবহিত করলে তার উদ্যোগে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে ফাতেমাকে ৫ লাখ টাকার অনুদান দেওয়া হয়েছে। এতে চীনে গিয়ে চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন পূরণের পথে নতুন আশার আলো দেখছেন ফাতেমা ও তার পরিবার।

বুধবার (২৭ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ফাতেমা খানমের হাতে অনুদানের চেক তুলে দেওয়া হয়।

এর আগে গত ১৫ জুলাই Channel A News-এ প্রকাশিত প্রতিবেদনে ফাতেমার আর্থিক সংকট ও চীনের মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাওয়ার বিষয়টি তুলে ধরা হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, অদম্য ইচ্ছাশক্তি, কঠোর পরিশ্রম ও মেধার জোরে ফাতেমা চীনের হেনান প্রদেশের ফার্স্ট অ্যাফিলিয়েটেড হসপিটাল অব ঝেংঝৌ ইউনিভার্সিটিতে এমবিবিএস কোর্সে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন। তবে ভর্তি ও প্রাথমিক খরচ বাবদ প্রায় ৬ লাখ ৩৫ হাজার টাকা প্রয়োজন হওয়ায় স্বল্প আয়ের পরিবারের পক্ষে সেই অর্থ জোগাড় করা সম্ভব হচ্ছিল না।

Channel A News-এর ওই প্রতিবেদন প্রকাশের পর বিষয়টি প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুলের নজরে আসে। তিনি ফাতেমা ও তার পরিবারের পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজ নেন এবং বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন। পরে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে ফাতেমার জন্য ৫ লাখ টাকা অনুদানের ব্যবস্থা করা হয়।

ফাতেমা বাগাতিপাড়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের কাঁকফো নতুনপাড়া গ্রামের পিকআপচালক লাভলু খাঁনের মেয়ে। চার সন্তানের সংসারে স্বল্প আয়ে কোনো রকমে তাঁদের পরিবারের সংসার চলে। মা হাবিবা খানম গৃহিণী। অভাবের মধ্যেও ফাতেমা টিউশনি করে নিজের লেখাপড়ার খরচ চালিয়েছেন।

মেধাবী এই শিক্ষার্থী ২০২২ সালে জিগরী উচ্চ বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ এবং ২০২৪ সালে টাঙ্গাইলের মেজর জেনারেল মাহমুদুল হাসান আদর্শ কলেজ থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৪.৬৭ অর্জন করেন। পরে আইইএলটিএস সম্পন্ন করে বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য প্রস্তুতি নেন।

চলতি বছরের ২৫ এপ্রিল সিএসসিএ (CSCA)-এর মাধ্যমে আবেদন করে অনলাইন ভাইভায় উত্তীর্ণ হন ফাতেমা। পরে ২২ মে তিনি জানতে পারেন, চীনের হেনান প্রদেশের ফার্স্ট অ্যাফিলিয়েটেড হসপিটাল অব ঝেংঝৌ ইউনিভার্সিটিতে এমবিবিএস কোর্সে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রয়োজনীয় JW ডকুমেন্ট পাওয়ার পর গত ৬ জুলাই ঢাকাস্থ চীনা দূতাবাস থেকে শিক্ষার্থী ভিসাও সংগ্রহ করেন তিনি।

আগামী ৬ থেকে ৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে চীনে গিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি সম্পন্ন করতে হবে। আগামী ৩ সেপ্টেম্বর তার ফ্লাইট নির্ধারিত রয়েছে। প্রয়োজনীয় অর্থের সংস্থান না হওয়ায় ফ্লাইটের সময় ঘনিয়ে এলেও পরিবারটি দুশ্চিন্তায় ছিল।

অনুদানের চেক পাওয়ার পর ফাতেমা খানম বলেন, আজকে আমার এবং আমার পরিবারের জন্য খুবই আনন্দের একটি দিন। এই আনন্দ কাউকে বলে বোঝাতে পারব না। অর্থের অভাবে আমার ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন শেষ হয়ে যাচ্ছিল। কিন্তু আজ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সহায়তায় সেই স্বপ্ন পূরণের সুযোগ পেয়েছি। আর এর পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান আমাদের নাটোর-১ (লালপুর-বাগাতিপাড়া) আসনের সংসদ সদস্য ও সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল আপুর।

তিনি আরও বলেন, এর আগেও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে আমাকে ৫০ হাজার টাকা করে তিনটি চেক দেওয়া হয়েছে। সেটিও মন্ত্রী পুতুল আপুর সহযোগিতার কারণেই পেয়েছি। আগামী ৩ সেপ্টেম্বর আমার ফ্লাইট। সবার কাছে দোয়া চাই। আমি ডাক্তার হয়ে দেশে ফিরে আসতে চাই। দেশ ও এলাকার মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করতে পারলেই নিজেকে ধন্য মনে করব।

ফাতেমার মা হাবিবা খানম বলেন, অভাবের কারণে আমি নিজেও এসএসসি পাস করার পর আর পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারিনি। অনেক কষ্ট করে মেয়েকে লেখাপড়া করিয়েছি। তার স্বপ্ন পূরণে এই সহযোগিতা আমাদের জন্য অনেক বড় পাওয়া।

তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, মেয়ের স্বপ্ন পূরণে তারা যেভাবে পাশে দাঁড়িয়েছেন, তা আমরা আজীবন মনে রাখব।

ফাতেমার বাবা লাভলু খাঁন বলেন, আমরা খুবই আনন্দিত। মেয়ের চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে এই সহায়তা আমাদের জন্য অনেক বড় আশীর্বাদ। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুলের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই। বিশেষ করে Channel A News-এ সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখে প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরে সহযোগিতার ব্যবস্থা করায় প্রতিমন্ত্রী পুতুলের প্রতি আমরা বিশেষভাবে কৃতজ্ঞ।

ফাতেমার পরিবার আশা করছে, প্রধানমন্ত্রীর এই আর্থিক সহায়তায় এবার তার চীনে গিয়ে এমবিবিএস পড়ার স্বপ্ন বাস্তবে রূপ নেবে। ভবিষ্যতে চিকিৎসক হয়ে দেশে ফিরে নিজ এলাকার মানুষসহ দেশবাসীর সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করতে চান ফাতেমা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

Channel A News-এ সংবাদ প্রকাশের পর ফাতেমার পাশে প্রধানমন্ত্রী, পেলেন ৫ লাখ টাকার অনুদান

আপডেট সময় : ১০:৪১:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬

Channel A News-এ সংবাদ প্রকাশের পর ফাতেমার পাশে প্রধানমন্ত্রী, পেলেন ৫ লাখ টাকার অনুদান

নিউজ ডেস্কঃ
অর্থের অভাবে চীনে গিয়ে এমবিবিএস পড়ার স্বপ্ন যখন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল নাটোরের বাগাতিপাড়ার মেধাবী শিক্ষার্থী ফাতেমা খানমের, তখনই তার পাশে দাঁড়িয়েছে রাষ্ট্র। অনলাইন নিউজ পোর্টাল Channel A News-এ ‘অর্থের অভাবে চীনের মেডিকেলে ভর্তি অনিশ্চিত, সহযোগিতা চায় বাগাতিপাড়ার মেধাবী ফাতেমা’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি নজরে আসে নাটোর-১ (লালপুর-বাগাতিপাড়া) আসনের সংসদ সদস্য ও সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুলের।

পরে প্রতিমন্ত্রী ফাতেমার পড়াশোনার বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অবহিত করলে তার উদ্যোগে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে ফাতেমাকে ৫ লাখ টাকার অনুদান দেওয়া হয়েছে। এতে চীনে গিয়ে চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন পূরণের পথে নতুন আশার আলো দেখছেন ফাতেমা ও তার পরিবার।

বুধবার (২৭ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ফাতেমা খানমের হাতে অনুদানের চেক তুলে দেওয়া হয়।

এর আগে গত ১৫ জুলাই Channel A News-এ প্রকাশিত প্রতিবেদনে ফাতেমার আর্থিক সংকট ও চীনের মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাওয়ার বিষয়টি তুলে ধরা হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, অদম্য ইচ্ছাশক্তি, কঠোর পরিশ্রম ও মেধার জোরে ফাতেমা চীনের হেনান প্রদেশের ফার্স্ট অ্যাফিলিয়েটেড হসপিটাল অব ঝেংঝৌ ইউনিভার্সিটিতে এমবিবিএস কোর্সে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন। তবে ভর্তি ও প্রাথমিক খরচ বাবদ প্রায় ৬ লাখ ৩৫ হাজার টাকা প্রয়োজন হওয়ায় স্বল্প আয়ের পরিবারের পক্ষে সেই অর্থ জোগাড় করা সম্ভব হচ্ছিল না।

Channel A News-এর ওই প্রতিবেদন প্রকাশের পর বিষয়টি প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুলের নজরে আসে। তিনি ফাতেমা ও তার পরিবারের পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজ নেন এবং বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন। পরে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে ফাতেমার জন্য ৫ লাখ টাকা অনুদানের ব্যবস্থা করা হয়।

ফাতেমা বাগাতিপাড়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের কাঁকফো নতুনপাড়া গ্রামের পিকআপচালক লাভলু খাঁনের মেয়ে। চার সন্তানের সংসারে স্বল্প আয়ে কোনো রকমে তাঁদের পরিবারের সংসার চলে। মা হাবিবা খানম গৃহিণী। অভাবের মধ্যেও ফাতেমা টিউশনি করে নিজের লেখাপড়ার খরচ চালিয়েছেন।

মেধাবী এই শিক্ষার্থী ২০২২ সালে জিগরী উচ্চ বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ এবং ২০২৪ সালে টাঙ্গাইলের মেজর জেনারেল মাহমুদুল হাসান আদর্শ কলেজ থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৪.৬৭ অর্জন করেন। পরে আইইএলটিএস সম্পন্ন করে বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য প্রস্তুতি নেন।

চলতি বছরের ২৫ এপ্রিল সিএসসিএ (CSCA)-এর মাধ্যমে আবেদন করে অনলাইন ভাইভায় উত্তীর্ণ হন ফাতেমা। পরে ২২ মে তিনি জানতে পারেন, চীনের হেনান প্রদেশের ফার্স্ট অ্যাফিলিয়েটেড হসপিটাল অব ঝেংঝৌ ইউনিভার্সিটিতে এমবিবিএস কোর্সে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রয়োজনীয় JW ডকুমেন্ট পাওয়ার পর গত ৬ জুলাই ঢাকাস্থ চীনা দূতাবাস থেকে শিক্ষার্থী ভিসাও সংগ্রহ করেন তিনি।

আগামী ৬ থেকে ৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে চীনে গিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি সম্পন্ন করতে হবে। আগামী ৩ সেপ্টেম্বর তার ফ্লাইট নির্ধারিত রয়েছে। প্রয়োজনীয় অর্থের সংস্থান না হওয়ায় ফ্লাইটের সময় ঘনিয়ে এলেও পরিবারটি দুশ্চিন্তায় ছিল।

অনুদানের চেক পাওয়ার পর ফাতেমা খানম বলেন, আজকে আমার এবং আমার পরিবারের জন্য খুবই আনন্দের একটি দিন। এই আনন্দ কাউকে বলে বোঝাতে পারব না। অর্থের অভাবে আমার ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন শেষ হয়ে যাচ্ছিল। কিন্তু আজ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সহায়তায় সেই স্বপ্ন পূরণের সুযোগ পেয়েছি। আর এর পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান আমাদের নাটোর-১ (লালপুর-বাগাতিপাড়া) আসনের সংসদ সদস্য ও সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল আপুর।

তিনি আরও বলেন, এর আগেও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে আমাকে ৫০ হাজার টাকা করে তিনটি চেক দেওয়া হয়েছে। সেটিও মন্ত্রী পুতুল আপুর সহযোগিতার কারণেই পেয়েছি। আগামী ৩ সেপ্টেম্বর আমার ফ্লাইট। সবার কাছে দোয়া চাই। আমি ডাক্তার হয়ে দেশে ফিরে আসতে চাই। দেশ ও এলাকার মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করতে পারলেই নিজেকে ধন্য মনে করব।

ফাতেমার মা হাবিবা খানম বলেন, অভাবের কারণে আমি নিজেও এসএসসি পাস করার পর আর পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারিনি। অনেক কষ্ট করে মেয়েকে লেখাপড়া করিয়েছি। তার স্বপ্ন পূরণে এই সহযোগিতা আমাদের জন্য অনেক বড় পাওয়া।

তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, মেয়ের স্বপ্ন পূরণে তারা যেভাবে পাশে দাঁড়িয়েছেন, তা আমরা আজীবন মনে রাখব।

ফাতেমার বাবা লাভলু খাঁন বলেন, আমরা খুবই আনন্দিত। মেয়ের চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে এই সহায়তা আমাদের জন্য অনেক বড় আশীর্বাদ। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুলের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই। বিশেষ করে Channel A News-এ সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখে প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরে সহযোগিতার ব্যবস্থা করায় প্রতিমন্ত্রী পুতুলের প্রতি আমরা বিশেষভাবে কৃতজ্ঞ।

ফাতেমার পরিবার আশা করছে, প্রধানমন্ত্রীর এই আর্থিক সহায়তায় এবার তার চীনে গিয়ে এমবিবিএস পড়ার স্বপ্ন বাস্তবে রূপ নেবে। ভবিষ্যতে চিকিৎসক হয়ে দেশে ফিরে নিজ এলাকার মানুষসহ দেশবাসীর সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করতে চান ফাতেমা।