ঢাকা ০৩:১০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শ্রীবরদীতে ড্রামের ভেতর নারীর মরদেহ, পরিচয় শনাক্ত করল পিবিআই বাগাতিপাড়ায় উপজেলা পরিষদ চত্বরের মসজিদের দানবাক্স ভেঙে টাকা চুরি রাজশাহীতে প্রধানমন্ত্রীর বাস নিয়ে ফেসবুকে ‘স্নাইপার’ মন্তব্যকারী যুবক আটক অসুস্থ ভূমিমন্ত্রী মিনুকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া হলো বাগাতিপাড়ায় এক ঘণ্টায় শেয়ালের কামড়ে নারীসহ ১১ জন আহত মাত্র ৫০০ টাকায় ঠাকুরগাঁও থেকে তেঁতুলিয়া ভ্রমণ, ইএসডিওর ‘ডে ট্রিপ’ চালু বাইপাস সড়ক নেই পঞ্চগড় শহরে, যানজটে চরম দুর্ভোগ লালপুরে বাড়ির পেছন থেকে গাঁজাগাছ উদ্ধার, বাড়ির মালিক আটক রাণীনগরে নারীকে উ’ত্ত্যক্তের প্রতিবাদ, মন্দির কমিটির সহ-সভাপতিসহ ছু/রিকাঘাতে আহত ২ রাজশাহীতে লিচুবাগান থেকে ১০৩টি তাজা ককটেল উদ্ধার

১৬০ বছরের ঐতিহ্য, তবু জাতীয়করণের বাইরে লালপুর শ্রী সুন্দরী পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়

এস ইসলাম, লালপুর (নাটোর) প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট সময় : ১১:৫৩:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬ ২০৭ বার পড়া হয়েছে

Lalpur school news

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

১৬০ বছরের ঐতিহ্য, তবু জাতীয়করণের বাইরে লালপুর শ্রী সুন্দরী পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়

রাজনৈতিক বৈষম্যের অভিযোগ, জাতীয়করণের দাবিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর ক্ষোভ

প্রায় ১৬০ বছরের ঐতিহ্য বহনকারী নাটোরের লালপুর শ্রী সুন্দরী পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় এখনো জাতীয়করণের বাইরে থাকায় রাজনৈতিক বৈষম্যের অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষা, ক্রীড়া ও মুক্তিযুদ্ধে গৌরবময় অবদান এবং জাতীয়করণের প্রয়োজনীয় সব শর্ত পূরণ করেও প্রতিষ্ঠানটি সরকারি হয়নি বলে দাবি করেছেন শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসী। তাদের ভাষায়, বিদ্যালয়টির জাতীয়করণ এখন লালপুরবাসীর প্রাণের দাবি।

পদ্মা বিধৌত লালপুরে ১৮৬৭ সালে পুঠিয়ার মহারাণী শরৎ সুন্দরী দেবী ‘শরৎ সুন্দরী মধ্য ইংরেজি স্কুল’ নামে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেন। পরবর্তীতে ১৯৩৫ সালে এর নাম হয় ‘চন্দ্রনাথ মধ্য ইংরেজি বিদ্যালয়’ এবং ১৯৪১ সালে ‘শ্রী সুন্দরী উচ্চ বিদ্যালয়’। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ম্যাট্রিকুলেশন স্বীকৃতি লাভের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি অঞ্চলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়।

১৯৩১ সালের অগ্নিকাণ্ডে বিদ্যালয়টি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে কয়েক বছর বন্ধ থাকলেও স্থানীয় শিক্ষানুরাগী ও জমিদারদের উদ্যোগে ১৯৩৬ সালে পুনরায় পাঠদান শুরু হয়। ১৯৪৮ সালে মূল ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন এবং ১৯৬০ সালে পাকিস্তান সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির অবকাঠামোগত উন্নয়ন শুরু হয়।

স্বাধীনতার পর ১৯৭৬ সালে বিদ্যালয়টি পাইলট স্কিমভুক্ত হয় এবং ১৯৮২ সালে রাষ্ট্রপতির অনুদান লাভ করে। পরবর্তীতে ১৯৯৬ সালে এসএসসি (ভোকেশনাল), ২০০১ সালে এইচএসসি (বিএম) এবং ২০১২ সালে মডেল প্রকল্পের আওতায় আরও উন্নয়ন হয়।

জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষায় ধারাবাহিক ভালো ফলাফলের পাশাপাশি ফুটবল, অ্যাথলেটিক্স, ব্যাডমিন্টন, স্কাউট ও বিএনসিসি কার্যক্রমে বিদ্যালয়টির শিক্ষার্থীরা জেলা, বিভাগীয় ও জাতীয় পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ হওয়ার কৃতিত্ব অর্জন করেছে।

মহান মুক্তিযুদ্ধেও এ বিদ্যালয়ের ৬৪ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন, যাদের মধ্যে অনেকেই শহীদ হন। মুক্তিযুদ্ধে এই প্রতিষ্ঠানের অবদান বিদ্যালয়টির ইতিহাসকে আরও সমৃদ্ধ করেছে।

বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা অভিযোগ করেন, সরকারি নীতিমালার প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ করায় ২০১৭ সালে জাতীয়করণের সম্ভাব্য তালিকায় প্রতিষ্ঠানটির নাম ছিল। কিন্তু রাজনৈতিক কারণে সেটি বাদ দেওয়া হয় এবং তুলনামূলক কম যোগ্য একটি প্রতিষ্ঠানকে জাতীয়করণ করা হয়।

সহকারী শিক্ষক শারমিন আক্তার জুথি বলেন, ঐতিহ্য, সাফল্য ও শিক্ষায় অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে আমরা এই বিদ্যালয়ের জাতীয়করণ চাই। শিক্ষা, সংস্কৃতি ও উন্নয়নের রূপকার সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুলের কাছে এটি আমাদের প্রাণের দাবি।

সাবেক শিক্ষার্থী ও জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ডা. অমল কুমার চৌধুরী বলেন, এত পুরনো ও ঐতিহ্যবাহী একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এখনো জাতীয়করণের বাইরে থাকা অত্যন্ত দুঃখজনক।

সাবেক শিক্ষার্থী ও সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর মো. জহুরুল ইসলাম বলেন, আমি এই বিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলাম, এখন আমার সন্তানও এখানে পড়ছে। এত সমৃদ্ধ একটি প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ না হওয়ায় আমরা ব্যথিত।

উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও সহকারী অধ্যাপক মো. সাজেদুল ইসলাম (হলুদ) বলেন, দেড় শতাব্দীর ইতিহাস-ঐতিহ্য সমৃদ্ধ এই প্রতিষ্ঠানটি শুধুমাত্র রাজনৈতিক কারণে জাতীয়করণ থেকে বঞ্চিত হয়েছে।

উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব হারুনার রশিদ পাপ্পু বলেন, জাতীয়করণের তালিকায় নাম থাকার পরও রাজনৈতিক কারণে তা বাস্তবায়ন হয়নি। বর্তমান সরকারের কাছে দ্রুত জাতীয়করণের দাবি জানাচ্ছি।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক খাজা শামীম মো. ইলিয়াস হোসেন জানান, বর্তমানে ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত ১ হাজার ২৯৩ জন শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। শিক্ষক-কর্মচারী রয়েছেন ৪৫ জন। তিনি বলেন, জাতীয়করণের জন্য প্রয়োজনীয় সব শর্ত পূরণ করা হলেও রাজনৈতিক কারণে প্রতিষ্ঠানটি বঞ্চিত হয়েছে।

লালপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. বরকত উল্লাহ বলেন, ঐতিহ্যবাহী এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি সরকার চাইলে জাতীয়করণের বিষয়টি বিবেচনা করতে পারে।

নাটোর-১ (লালপুর-বাগাতিপাড়া) আসনের সংসদ সদস্য ও সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল বলেন, লালপুর শ্রী সুন্দরী পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় একটি ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এর গৌরবময় ইতিহাস ও অবদান বিবেচনায় এটি জাতীয়করণের দাবিদার। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার চেষ্টা করব।

July 20, 2026
১৬০ বছরের ঐতিহ্য, তবু জাতীয়করণের বাইরে লালপুর শ্রী সুন্দরী পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়
বিস্তারিত কমেন্টে...www.channelanews.com
Advertisement

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

১৬০ বছরের ঐতিহ্য, তবু জাতীয়করণের বাইরে লালপুর শ্রী সুন্দরী পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়

আপডেট সময় : ১১:৫৩:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

১৬০ বছরের ঐতিহ্য, তবু জাতীয়করণের বাইরে লালপুর শ্রী সুন্দরী পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়

রাজনৈতিক বৈষম্যের অভিযোগ, জাতীয়করণের দাবিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর ক্ষোভ

প্রায় ১৬০ বছরের ঐতিহ্য বহনকারী নাটোরের লালপুর শ্রী সুন্দরী পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় এখনো জাতীয়করণের বাইরে থাকায় রাজনৈতিক বৈষম্যের অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষা, ক্রীড়া ও মুক্তিযুদ্ধে গৌরবময় অবদান এবং জাতীয়করণের প্রয়োজনীয় সব শর্ত পূরণ করেও প্রতিষ্ঠানটি সরকারি হয়নি বলে দাবি করেছেন শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসী। তাদের ভাষায়, বিদ্যালয়টির জাতীয়করণ এখন লালপুরবাসীর প্রাণের দাবি।

পদ্মা বিধৌত লালপুরে ১৮৬৭ সালে পুঠিয়ার মহারাণী শরৎ সুন্দরী দেবী ‘শরৎ সুন্দরী মধ্য ইংরেজি স্কুল’ নামে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেন। পরবর্তীতে ১৯৩৫ সালে এর নাম হয় ‘চন্দ্রনাথ মধ্য ইংরেজি বিদ্যালয়’ এবং ১৯৪১ সালে ‘শ্রী সুন্দরী উচ্চ বিদ্যালয়’। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ম্যাট্রিকুলেশন স্বীকৃতি লাভের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি অঞ্চলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়।

১৯৩১ সালের অগ্নিকাণ্ডে বিদ্যালয়টি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে কয়েক বছর বন্ধ থাকলেও স্থানীয় শিক্ষানুরাগী ও জমিদারদের উদ্যোগে ১৯৩৬ সালে পুনরায় পাঠদান শুরু হয়। ১৯৪৮ সালে মূল ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন এবং ১৯৬০ সালে পাকিস্তান সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির অবকাঠামোগত উন্নয়ন শুরু হয়।

স্বাধীনতার পর ১৯৭৬ সালে বিদ্যালয়টি পাইলট স্কিমভুক্ত হয় এবং ১৯৮২ সালে রাষ্ট্রপতির অনুদান লাভ করে। পরবর্তীতে ১৯৯৬ সালে এসএসসি (ভোকেশনাল), ২০০১ সালে এইচএসসি (বিএম) এবং ২০১২ সালে মডেল প্রকল্পের আওতায় আরও উন্নয়ন হয়।

জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষায় ধারাবাহিক ভালো ফলাফলের পাশাপাশি ফুটবল, অ্যাথলেটিক্স, ব্যাডমিন্টন, স্কাউট ও বিএনসিসি কার্যক্রমে বিদ্যালয়টির শিক্ষার্থীরা জেলা, বিভাগীয় ও জাতীয় পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ হওয়ার কৃতিত্ব অর্জন করেছে।

মহান মুক্তিযুদ্ধেও এ বিদ্যালয়ের ৬৪ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন, যাদের মধ্যে অনেকেই শহীদ হন। মুক্তিযুদ্ধে এই প্রতিষ্ঠানের অবদান বিদ্যালয়টির ইতিহাসকে আরও সমৃদ্ধ করেছে।

বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা অভিযোগ করেন, সরকারি নীতিমালার প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ করায় ২০১৭ সালে জাতীয়করণের সম্ভাব্য তালিকায় প্রতিষ্ঠানটির নাম ছিল। কিন্তু রাজনৈতিক কারণে সেটি বাদ দেওয়া হয় এবং তুলনামূলক কম যোগ্য একটি প্রতিষ্ঠানকে জাতীয়করণ করা হয়।

সহকারী শিক্ষক শারমিন আক্তার জুথি বলেন, ঐতিহ্য, সাফল্য ও শিক্ষায় অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে আমরা এই বিদ্যালয়ের জাতীয়করণ চাই। শিক্ষা, সংস্কৃতি ও উন্নয়নের রূপকার সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুলের কাছে এটি আমাদের প্রাণের দাবি।

সাবেক শিক্ষার্থী ও জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ডা. অমল কুমার চৌধুরী বলেন, এত পুরনো ও ঐতিহ্যবাহী একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এখনো জাতীয়করণের বাইরে থাকা অত্যন্ত দুঃখজনক।

সাবেক শিক্ষার্থী ও সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর মো. জহুরুল ইসলাম বলেন, আমি এই বিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলাম, এখন আমার সন্তানও এখানে পড়ছে। এত সমৃদ্ধ একটি প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ না হওয়ায় আমরা ব্যথিত।

উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও সহকারী অধ্যাপক মো. সাজেদুল ইসলাম (হলুদ) বলেন, দেড় শতাব্দীর ইতিহাস-ঐতিহ্য সমৃদ্ধ এই প্রতিষ্ঠানটি শুধুমাত্র রাজনৈতিক কারণে জাতীয়করণ থেকে বঞ্চিত হয়েছে।

উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব হারুনার রশিদ পাপ্পু বলেন, জাতীয়করণের তালিকায় নাম থাকার পরও রাজনৈতিক কারণে তা বাস্তবায়ন হয়নি। বর্তমান সরকারের কাছে দ্রুত জাতীয়করণের দাবি জানাচ্ছি।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক খাজা শামীম মো. ইলিয়াস হোসেন জানান, বর্তমানে ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত ১ হাজার ২৯৩ জন শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। শিক্ষক-কর্মচারী রয়েছেন ৪৫ জন। তিনি বলেন, জাতীয়করণের জন্য প্রয়োজনীয় সব শর্ত পূরণ করা হলেও রাজনৈতিক কারণে প্রতিষ্ঠানটি বঞ্চিত হয়েছে।

লালপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. বরকত উল্লাহ বলেন, ঐতিহ্যবাহী এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি সরকার চাইলে জাতীয়করণের বিষয়টি বিবেচনা করতে পারে।

নাটোর-১ (লালপুর-বাগাতিপাড়া) আসনের সংসদ সদস্য ও সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল বলেন, লালপুর শ্রী সুন্দরী পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় একটি ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এর গৌরবময় ইতিহাস ও অবদান বিবেচনায় এটি জাতীয়করণের দাবিদার। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার চেষ্টা করব।

July 20, 2026
১৬০ বছরের ঐতিহ্য, তবু জাতীয়করণের বাইরে লালপুর শ্রী সুন্দরী পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়
বিস্তারিত কমেন্টে...www.channelanews.com
Advertisement