ঢাকা ০১:২৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শ্রীবরদীতে ড্রামের ভেতর নারীর মরদেহ, পরিচয় শনাক্ত করল পিবিআই বাগাতিপাড়ায় উপজেলা পরিষদ চত্বরের মসজিদের দানবাক্স ভেঙে টাকা চুরি রাজশাহীতে প্রধানমন্ত্রীর বাস নিয়ে ফেসবুকে ‘স্নাইপার’ মন্তব্যকারী যুবক আটক অসুস্থ ভূমিমন্ত্রী মিনুকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া হলো বাগাতিপাড়ায় এক ঘণ্টায় শেয়ালের কামড়ে নারীসহ ১১ জন আহত মাত্র ৫০০ টাকায় ঠাকুরগাঁও থেকে তেঁতুলিয়া ভ্রমণ, ইএসডিওর ‘ডে ট্রিপ’ চালু বাইপাস সড়ক নেই পঞ্চগড় শহরে, যানজটে চরম দুর্ভোগ লালপুরে বাড়ির পেছন থেকে গাঁজাগাছ উদ্ধার, বাড়ির মালিক আটক রাণীনগরে নারীকে উ’ত্ত্যক্তের প্রতিবাদ, মন্দির কমিটির সহ-সভাপতিসহ ছু/রিকাঘাতে আহত ২ রাজশাহীতে লিচুবাগান থেকে ১০৩টি তাজা ককটেল উদ্ধার

২২ বছরেও সংস্কার হয়নি বাগাতিপাড়ার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, দখল-সংকোচনে হারাচ্ছে অস্তিত্ব

বাগাতিপাড়া (নাটোর) প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৩:৩৯:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬ ২০৭ বার পড়া হয়েছে

rasta news pic collected

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

২২ বছরেও সংস্কার হয়নি বাগাতিপাড়ার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, দখল-সংকোচনে হারাচ্ছে অস্তিত্ব

কালভার্ট উঁচু, রাস্তা নিচু-চরম দুর্ভোগে চার গ্রামের মানুষ; দ্রুত সংস্কার ও দখলমুক্ত করার দাবি

নাটোরের বাগাতিপাড়া পৌরসভার একটি গুরুত্বপূর্ণ কাঁচা রাস্তা দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে বেহাল অবস্থায় পড়ে আছে। ২০০৪ সালে পৌরসভা প্রতিষ্ঠার পর থেকে একবারও সংস্কার না হওয়ায় প্রায় আধা কিলোমিটার দীর্ঘ এ সড়কটি বর্তমানে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। একই সঙ্গে দুই পাশের জমির মালিকদের দখল ও অনুপ্রবেশে সড়কটির প্রস্থ ক্রমেই সংকুচিত হচ্ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। ফলে ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে রাস্তার স্বাভাবিক আকৃতি ও অস্তিত্ব।

স্থানীয়রা জানান, জনস্বার্থে দ্রুত রাস্তার অবৈধ দখল উচ্ছেদ, ঝুঁকিপূর্ণ কালভার্ট সংস্কার এবং পুরো সড়কটির উন্নয়ন করা না হলে ভবিষ্যতে চার গ্রামের মানুষের এই গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ পথ সম্পূর্ণভাবে ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়বে।

সরেজমিনে দেখা যায়, পৌরসভার ঘোরলাজ, নড়ইগাছা, বারইপাড়া ও নওশেরা মহল্লার মানুষের যাতায়াতের গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ সড়কটি বর্তমানে চরম অবহেলার শিকার। একসময় এই পথ ব্যবহার করে অল্প সময়েই গন্তব্যে পৌঁছানো সম্ভব হলেও বর্তমানে রাস্তার বেহাল অবস্থার কারণে এলাকাবাসীকে বিকল্প পথ ব্যবহার করতে হচ্ছে। যেখানে এই সড়ক দিয়ে মাত্র ১০ মিনিটে গন্তব্যে পৌঁছানো যায়, সেখানে ঘুরপথে যেতে সময় লাগছে প্রায় ২০ মিনিট।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বছরের পর বছর ধরে রাস্তার দুই পাশের জমির মালিকরা ধীরে ধীরে রাস্তার জায়গা নিজেদের দখলে নিয়ে চাষাবাদ ও ভোগদখল করে আসছেন। এতে একসময় প্রশস্ত থাকা সড়কটি এখন অনেক স্থানে সরু পথে পরিণত হয়েছে। কোথাও কোথাও রাস্তার প্রকৃত সীমানা চিহ্নিত করাও কঠিন হয়ে পড়েছে।

দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় সড়কের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত, ভাঙন এবং উঁচু-নিচু অংশের সৃষ্টি হয়েছে। বর্ষা মৌসুমে এসব গর্তে পানি জমে চলাচল আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে। চার গ্রামের কৃষকদের উৎপাদিত ফসল পরিবহনেও এই সড়ক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও বর্তমানে তারা চরম দুর্ভোগে পড়ছেন। এছাড়া সড়কের শেষ প্রান্তে দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থাকায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদেরও প্রতিনিয়ত ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

সড়কের মাঝামাঝি স্থানে থাকা একটি কালভার্ট দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়ায় কালভার্টের দুই পাশের রাস্তা নিচু হয়ে গেছে। ফলে কালভার্টটি রাস্তার তুলনায় অনেক উঁচু অবস্থানে রয়েছে। এতে মোটরসাইকেল, ভ্যান এমনকি সাইকেল চালিয়েও সহজে পার হওয়া সম্ভব হচ্ছে না। স্থানীয়দের ভাষ্য, কৃষিপণ্য পরিবহনের সময় প্রায়ই দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হয় এবং অনেক ক্ষেত্রে বিকল্প পথ ব্যবহার করতে বাধ্য হতে হয়।

পৌরসভার বারইপাড়া মহল্লার বাসিন্দা ও ব্যবসায়ী রুহুল আমিন সরকার বাবুসহ একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “একদিকে রাস্তার জমি দখল করে সড়ক সরু করা হচ্ছে, অন্যদিকে দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় রাস্তাটি চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। কালভার্টটিও এত উঁচু যে সহজে যানবাহন পারাপার সম্ভব হয় না। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে একসময় রাস্তার অস্তিত্বই হারিয়ে যাবে।”

পেড়াবাড়িয়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও নড়ইগাছা মহল্লার বাসিন্দা হাবিবুর রহমান বলেন, “কৃষিপণ্য পরিবহন, শিক্ষার্থীদের যাতায়াত এবং সাধারণ মানুষের চলাচলের জন্য সড়কটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু বছরের পর বছর সমস্যার সমাধান না হওয়ায় দুর্ভোগ শুধু বাড়ছেই।”

ঘোরলাজ মহল্লার কৃষক পিন্টু আলী বলেন, সাইকেল সঙ্গে থাকলেও ঠেলে নিয়ে যেতে হচ্ছে। কালভার্টে উঠা যায় না, আবার রাস্তার মধ্যেও অসংখ্য গর্ত। দুই পাশের জমির মালিকরা রাস্তার জায়গা দখল করে সংকুচিত করে ফেলেছে। রাস্তাটি দ্রুত সংস্কার করা জরুরি।

পৌরসভার আরজিমাড়িয়া ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর আব্দুল কুদ্দুস মিয়া বলেন, রাস্তাটির সমস্যা এবং দখলের বিষয়টি আগেই পৌর কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছিল। কিন্তু কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এখন প্রয়োজনীয় উদ্যোগ পৌরসভাকেই নিতে হবে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) জিয়াউর রহমান বলেন, রাস্তাটি পৌরসভার আওতাভুক্ত হওয়ায় এর সংস্কার ও উন্নয়ন কাজের দায়িত্ব পৌর কর্তৃপক্ষের। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ তাদেরই নিতে হবে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও বাগাতিপাড়া পৌরসভার দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রশাসক দেবাশীষ বসাক বলেন, বিষয়টি সরেজমিনে তদন্ত করে দেখা হবে। কোথাও রাস্তার জমি দখলের প্রমাণ পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। একই সঙ্গে রাস্তা ও কালভার্ট সংস্কারের বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে।

June 21, 2026
২২ বছরেও সংস্কার হয়নি বাগাতিপাড়ার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, দখল-সংকোচনে হারাচ্ছে অস্তিত্ব
বিস্তারিত কমেন্টে...www.channelanews.com
Advertisement

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

২২ বছরেও সংস্কার হয়নি বাগাতিপাড়ার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, দখল-সংকোচনে হারাচ্ছে অস্তিত্ব

আপডেট সময় : ০৩:৩৯:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

২২ বছরেও সংস্কার হয়নি বাগাতিপাড়ার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, দখল-সংকোচনে হারাচ্ছে অস্তিত্ব

কালভার্ট উঁচু, রাস্তা নিচু-চরম দুর্ভোগে চার গ্রামের মানুষ; দ্রুত সংস্কার ও দখলমুক্ত করার দাবি

নাটোরের বাগাতিপাড়া পৌরসভার একটি গুরুত্বপূর্ণ কাঁচা রাস্তা দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে বেহাল অবস্থায় পড়ে আছে। ২০০৪ সালে পৌরসভা প্রতিষ্ঠার পর থেকে একবারও সংস্কার না হওয়ায় প্রায় আধা কিলোমিটার দীর্ঘ এ সড়কটি বর্তমানে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। একই সঙ্গে দুই পাশের জমির মালিকদের দখল ও অনুপ্রবেশে সড়কটির প্রস্থ ক্রমেই সংকুচিত হচ্ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। ফলে ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে রাস্তার স্বাভাবিক আকৃতি ও অস্তিত্ব।

স্থানীয়রা জানান, জনস্বার্থে দ্রুত রাস্তার অবৈধ দখল উচ্ছেদ, ঝুঁকিপূর্ণ কালভার্ট সংস্কার এবং পুরো সড়কটির উন্নয়ন করা না হলে ভবিষ্যতে চার গ্রামের মানুষের এই গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ পথ সম্পূর্ণভাবে ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়বে।

সরেজমিনে দেখা যায়, পৌরসভার ঘোরলাজ, নড়ইগাছা, বারইপাড়া ও নওশেরা মহল্লার মানুষের যাতায়াতের গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ সড়কটি বর্তমানে চরম অবহেলার শিকার। একসময় এই পথ ব্যবহার করে অল্প সময়েই গন্তব্যে পৌঁছানো সম্ভব হলেও বর্তমানে রাস্তার বেহাল অবস্থার কারণে এলাকাবাসীকে বিকল্প পথ ব্যবহার করতে হচ্ছে। যেখানে এই সড়ক দিয়ে মাত্র ১০ মিনিটে গন্তব্যে পৌঁছানো যায়, সেখানে ঘুরপথে যেতে সময় লাগছে প্রায় ২০ মিনিট।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বছরের পর বছর ধরে রাস্তার দুই পাশের জমির মালিকরা ধীরে ধীরে রাস্তার জায়গা নিজেদের দখলে নিয়ে চাষাবাদ ও ভোগদখল করে আসছেন। এতে একসময় প্রশস্ত থাকা সড়কটি এখন অনেক স্থানে সরু পথে পরিণত হয়েছে। কোথাও কোথাও রাস্তার প্রকৃত সীমানা চিহ্নিত করাও কঠিন হয়ে পড়েছে।

দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় সড়কের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত, ভাঙন এবং উঁচু-নিচু অংশের সৃষ্টি হয়েছে। বর্ষা মৌসুমে এসব গর্তে পানি জমে চলাচল আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে। চার গ্রামের কৃষকদের উৎপাদিত ফসল পরিবহনেও এই সড়ক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও বর্তমানে তারা চরম দুর্ভোগে পড়ছেন। এছাড়া সড়কের শেষ প্রান্তে দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থাকায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদেরও প্রতিনিয়ত ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

সড়কের মাঝামাঝি স্থানে থাকা একটি কালভার্ট দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়ায় কালভার্টের দুই পাশের রাস্তা নিচু হয়ে গেছে। ফলে কালভার্টটি রাস্তার তুলনায় অনেক উঁচু অবস্থানে রয়েছে। এতে মোটরসাইকেল, ভ্যান এমনকি সাইকেল চালিয়েও সহজে পার হওয়া সম্ভব হচ্ছে না। স্থানীয়দের ভাষ্য, কৃষিপণ্য পরিবহনের সময় প্রায়ই দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হয় এবং অনেক ক্ষেত্রে বিকল্প পথ ব্যবহার করতে বাধ্য হতে হয়।

পৌরসভার বারইপাড়া মহল্লার বাসিন্দা ও ব্যবসায়ী রুহুল আমিন সরকার বাবুসহ একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “একদিকে রাস্তার জমি দখল করে সড়ক সরু করা হচ্ছে, অন্যদিকে দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় রাস্তাটি চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। কালভার্টটিও এত উঁচু যে সহজে যানবাহন পারাপার সম্ভব হয় না। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে একসময় রাস্তার অস্তিত্বই হারিয়ে যাবে।”

পেড়াবাড়িয়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও নড়ইগাছা মহল্লার বাসিন্দা হাবিবুর রহমান বলেন, “কৃষিপণ্য পরিবহন, শিক্ষার্থীদের যাতায়াত এবং সাধারণ মানুষের চলাচলের জন্য সড়কটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু বছরের পর বছর সমস্যার সমাধান না হওয়ায় দুর্ভোগ শুধু বাড়ছেই।”

ঘোরলাজ মহল্লার কৃষক পিন্টু আলী বলেন, সাইকেল সঙ্গে থাকলেও ঠেলে নিয়ে যেতে হচ্ছে। কালভার্টে উঠা যায় না, আবার রাস্তার মধ্যেও অসংখ্য গর্ত। দুই পাশের জমির মালিকরা রাস্তার জায়গা দখল করে সংকুচিত করে ফেলেছে। রাস্তাটি দ্রুত সংস্কার করা জরুরি।

পৌরসভার আরজিমাড়িয়া ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর আব্দুল কুদ্দুস মিয়া বলেন, রাস্তাটির সমস্যা এবং দখলের বিষয়টি আগেই পৌর কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছিল। কিন্তু কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এখন প্রয়োজনীয় উদ্যোগ পৌরসভাকেই নিতে হবে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) জিয়াউর রহমান বলেন, রাস্তাটি পৌরসভার আওতাভুক্ত হওয়ায় এর সংস্কার ও উন্নয়ন কাজের দায়িত্ব পৌর কর্তৃপক্ষের। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ তাদেরই নিতে হবে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও বাগাতিপাড়া পৌরসভার দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রশাসক দেবাশীষ বসাক বলেন, বিষয়টি সরেজমিনে তদন্ত করে দেখা হবে। কোথাও রাস্তার জমি দখলের প্রমাণ পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। একই সঙ্গে রাস্তা ও কালভার্ট সংস্কারের বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে।

June 21, 2026
২২ বছরেও সংস্কার হয়নি বাগাতিপাড়ার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, দখল-সংকোচনে হারাচ্ছে অস্তিত্ব
বিস্তারিত কমেন্টে...www.channelanews.com
Advertisement