ডিসেম্বরে তিনশো আসনে এনসিপির প্রার্থী ঘোষণা হবে: পঞ্চগড়ে সারজিস আলম
- আপডেট সময় : ০১:৫৬:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২৫ ২০২ বার পড়া হয়েছে

ডিসেম্বরে তিনশো আসনে এনসিপির প্রার্থী ঘোষণা হবে: পঞ্চগড়ে সারজিস আলম
জোট গঠনে বিএনপি–জামায়াতসহ বিভিন্ন দলের সঙ্গে আলোচনা চলছে; সততা ও যোগ্যতাকে অগ্রাধিকার দিয়ে মনোনয়ন—বলেন এনসিপির উত্তরাঞ্চলীয় সংগঠক
বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে এখনই জোট করার সম্ভাবনাকে উড়িয়ে দিচ্ছে না জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। সংস্কারপন্থী, ভারতীয় আধিপত্যবিরোধী অবস্থান এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির রাজনীতিকে ধারণ করতে সক্ষম দল ও ব্যক্তিদের সঙ্গে এলায়েন্সের পথ খোলা রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন দলের উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।
বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় পঞ্চগড় শহরের শেরে বাংলা পার্ক এলাকায় জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ সংলগ্ন স্থানে এনসিপির সুপারিশে উন্নয়ন বরাদ্দ পাওয়া বিভিন্ন মসজিদ–মন্দিরের তালিকা প্রকাশ ও প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান তিনি।
সারজিস আলম বলেন, “এনসিপির পক্ষ থেকে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা এখনো চলছে। যারা সংস্কারের পক্ষে থাকবে, জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষার পক্ষে থাকবে, ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেবে এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির রাজনীতি করবে—তাদের সঙ্গে জোটের সম্ভাবনা উন্মুক্ত।”
তিনি জানান, জোট ঘোষণার প্রাথমিক পরিকল্পনা থাকলেও এখন এটিকে আরও বৃহত্তর রূপ দেওয়ার প্রয়োজন দেখা দিয়েছে।
ডিসেম্বরের মধ্যেই তিনশো আসনে এনসিপির মনোনয়ন চূড়ান্ত করে প্রকাশ করা হবে বলে জানান তিনি। যোগ্য, সৎ, নতুন প্রজন্মের চিন্তাধারাসম্পন্ন ও জনগণের কথা বলতে সক্ষম ব্যক্তিদের প্রাধান্য দিয়ে মনোনয়ন দেওয়া হবে বলে সারজিস আলম উল্লেখ করেন।
দেশের তিন বৃহৎ রাজনৈতিক শক্তির মধ্যে বিএনপি, জামায়াত এবং এনসিপির অবস্থান তুলে ধরে তিনি বলেন, বিএনপি ও এনসিপি মধ্যমপন্থার রাজনীতি করলেও জামায়াত ইসলামী রাজনীতিকে ধারণ করে। ভিন্ন আদর্শ থাকতে পারে—এতে কোনো সমস্যা নেই, তবে একে অপরের আদর্শ চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
সদ্য ঘোষিত পঞ্চগড় জেলা কমিটিতে বিএনপি ও জাতীয় পার্টির নেতাদের অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে সারজিস আলম বলেন, “যাদের ইমেজ ভালো, যাদের গ্রহণযোগ্যতা আছে এবং যারা কখনো আওয়ামী লীগের রানিং পদে ছিলেন না—সেসব ব্যক্তিকেই আমরা কমিটিতে নিয়েছি।”
তিনি আরও জানান, গত তিন মাসে এনসিপির উদ্যোগে জেলার বিভিন্ন মসজিদ–মন্দিরের জন্য প্রায় চার কোটি টাকা উন্নয়ন বরাদ্দ এসেছে, যা গত দুই দশকেও বড় বড় এমপি–মন্ত্রীরা আনতে পারেননি।
এ সময় এনসিপি এবং সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।




















