ঢাকা ০২:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নলডাঙ্গায় ট্রেনের ধাক্কায় অজ্ঞাত ব্যক্তির মৃত্যু, পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা ছুটি ছাড়াই তিন দিন কর্মস্থলে অনুপস্থিত খাদ্যগুদামের কর্মকর্তা শাবিপ্রবির বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের ডিন বাগাতিপাড়ার সন্তান “আব্দুল হামিদ” লালপুরে বাসা থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার লালপুরে পৌর কার্যালয়ে চাঁদা দাবির অভিযোগে এক ব্যক্তি গ্রেপ্তার লালপুরে নারীদের ভিডিও ধারণ করে ভয়ভীতি দেখিয়ে অর্থ আদায়ের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ২ সংবাদ প্রকাশের সাত দিন পরও অপরিষ্কার পার্বতীপুর স্টেশনের পানি সংগ্রহস্থল গোদাগাড়ীতে সরকারি খাল ভরাটের অভিযোগ, জলাবদ্ধতায় ফসলি জমি রক্ষার দাবি দেবীগঞ্জে স্বামীর দাফনের কয়েক ঘণ্টা পর স্ত্রীরও মৃত্যু ঈশ্বরদীতে মাদকসহ তাঁতীদল নেতা আটক, ভাড়াটিয়ার কাছ থেকে ৫০ ট্যাপেন্টাডল উদ্ধার

শেরপুরে চন্দন পালের জামিনে উত্তেজনা, ডিসি গেইট অবরোধ

মোহাম্মদ দুদু মল্লিক, শেরপুর প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৩:০৬:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ অক্টোবর ২০২৫ ২৮৩ বার পড়া হয়েছে

collected

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

শেরপুরে চন্দন পালের জামিনে উত্তেজনা, ডিসি গেইট অবরোধ

শেরপুরে জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) এডভোকেট চন্দন কুমার পালের জামিনকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। সোমবার (৬ অক্টোবর) সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের প্রধান ফটক অবরোধ করে অবস্থান ধর্মঘট পালন করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শহীদ ও আহত পরিবারের সদস্যরা।

অংশগ্রহণকারীরা জেলা জজ, পিপি ও জিপির অপসারণসহ আট দফা দাবি জানিয়ে বলেন, চন্দন পালের জামিন ন্যায়বিচারের পরিপন্থী এবং এতে আন্দোলনের নিহত ও আহত পরিবারের প্রতি অবিচার হয়েছে।

সকাল থেকে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও আদালতের মূল ফটকের সামনে বিক্ষোভ শুরু হয়। পরে তারা ডিসি গেইট অবরোধ করে ‘ন্যায়বিচার চাই’ ও ‘দোষীদের বিচার চাই’ স্লোগান দিতে থাকেন।

দুপুরে জেলা প্রশাসক তরফদার মাহমুদুর রহমান আন্দোলনকারীদের সঙ্গে দেখা করে দাবি-দাওয়া শোনেন এবং লিখিতভাবে দিলে তা সরকারকে পাঠানোর আশ্বাস দেন। তার আশ্বাসে আন্দোলনকারীরা কর্মসূচি স্থগিত করেন।

অবরোধ চলাকালীন আদালতপাড়া, জেলা প্রশাসন ও পুলিশ সুপারের কার্যালয়সহ আশেপাশের অফিসের কার্যক্রম প্রায় তিন ঘণ্টা বন্ধ থাকে।

জানা যায়, সরকার পতনের পর ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট থেকে আত্মগোপনে থাকা অবস্থায় চন্দন পালের বিরুদ্ধে হত্যাসহ সাতটি মামলা হয়। একই বছরের ১৬ অক্টোবর ভারতে পালানোর চেষ্টাকালে বেনাপোল সীমান্তে তাকে আটক করে পুলিশ। প্রায় এক বছর কারাভোগের পর গত ৯ সেপ্টেম্বর উচ্চ আদালত থেকে জামিন পান। তবে বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় ফের গ্রেপ্তার দেখানো হয়। সর্বশেষ ২৯ সেপ্টেম্বর শেরপুর আদালত থেকে জামিন পেয়ে তিনি মুক্ত হন।

চন্দন পালের জামিনের পর থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। জেলা জজ, পিপি ও বিএনপি-ঘনিষ্ঠ আইনজীবীদের সম্পৃক্ততার অভিযোগ উঠলে এ নিয়ে বিতর্ক তীব্র হয়। এর জেরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা দুই দিনের আল্টিমেটাম দিয়ে আজকের অবরোধ কর্মসূচি পালন করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

শেরপুরে চন্দন পালের জামিনে উত্তেজনা, ডিসি গেইট অবরোধ

আপডেট সময় : ০৩:০৬:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ অক্টোবর ২০২৫

শেরপুরে চন্দন পালের জামিনে উত্তেজনা, ডিসি গেইট অবরোধ

শেরপুরে জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) এডভোকেট চন্দন কুমার পালের জামিনকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। সোমবার (৬ অক্টোবর) সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের প্রধান ফটক অবরোধ করে অবস্থান ধর্মঘট পালন করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শহীদ ও আহত পরিবারের সদস্যরা।

অংশগ্রহণকারীরা জেলা জজ, পিপি ও জিপির অপসারণসহ আট দফা দাবি জানিয়ে বলেন, চন্দন পালের জামিন ন্যায়বিচারের পরিপন্থী এবং এতে আন্দোলনের নিহত ও আহত পরিবারের প্রতি অবিচার হয়েছে।

সকাল থেকে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও আদালতের মূল ফটকের সামনে বিক্ষোভ শুরু হয়। পরে তারা ডিসি গেইট অবরোধ করে ‘ন্যায়বিচার চাই’ ও ‘দোষীদের বিচার চাই’ স্লোগান দিতে থাকেন।

দুপুরে জেলা প্রশাসক তরফদার মাহমুদুর রহমান আন্দোলনকারীদের সঙ্গে দেখা করে দাবি-দাওয়া শোনেন এবং লিখিতভাবে দিলে তা সরকারকে পাঠানোর আশ্বাস দেন। তার আশ্বাসে আন্দোলনকারীরা কর্মসূচি স্থগিত করেন।

অবরোধ চলাকালীন আদালতপাড়া, জেলা প্রশাসন ও পুলিশ সুপারের কার্যালয়সহ আশেপাশের অফিসের কার্যক্রম প্রায় তিন ঘণ্টা বন্ধ থাকে।

জানা যায়, সরকার পতনের পর ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট থেকে আত্মগোপনে থাকা অবস্থায় চন্দন পালের বিরুদ্ধে হত্যাসহ সাতটি মামলা হয়। একই বছরের ১৬ অক্টোবর ভারতে পালানোর চেষ্টাকালে বেনাপোল সীমান্তে তাকে আটক করে পুলিশ। প্রায় এক বছর কারাভোগের পর গত ৯ সেপ্টেম্বর উচ্চ আদালত থেকে জামিন পান। তবে বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় ফের গ্রেপ্তার দেখানো হয়। সর্বশেষ ২৯ সেপ্টেম্বর শেরপুর আদালত থেকে জামিন পেয়ে তিনি মুক্ত হন।

চন্দন পালের জামিনের পর থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। জেলা জজ, পিপি ও বিএনপি-ঘনিষ্ঠ আইনজীবীদের সম্পৃক্ততার অভিযোগ উঠলে এ নিয়ে বিতর্ক তীব্র হয়। এর জেরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা দুই দিনের আল্টিমেটাম দিয়ে আজকের অবরোধ কর্মসূচি পালন করেন।