ঢাকা ০৬:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাণীনগরে জমি লিখে না দেওয়ায় বাবা-চাচাকে ছু/রিকাঘাতের অভিযোগ কন্যা দিবসে মেয়ের ছবি পোস্ট করে আবেগঘন বার্তা প্রতিমন্ত্রী পুতুলের বাউয়েটের ২৯তম একাডেমিক কাউন্সিল সভা অনুষ্ঠিত উত্তরবঙ্গে কৃষিভিত্তিক আঞ্চলিক হাব গড়তে নাটোরে টাউন হল সভা বাগাতিপাড়ায় দুর্গাপূজার প্রস্তুতি সভা, ৩০ মণ্ডপে আয়োজন রাণীনগরে ইউপি চেয়ারম্যান পদে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী রাসেলের গণসংযোগ চাঁপাইনবাবগঞ্জে পরিত্যক্ত লেবু বাগানে ১৭টি ককটেল উদ্ধার সাজেক পর্যটন কেন্দ্র অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা, পর্যটকদের ফিরতে নির্দেশ কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় পদ্মায় দুটি স্পিডবোটে আগুন, পরে মাঝনদীতে ডুবিয়ে দেওয়ার অভিযোগ নাটোরে জার্মান পর্যটকের চুরি হওয়া ল্যাপটপ উদ্ধার, জিজ্ঞাসাবাদে বাবা-ছেলে

কিছু ব্যক্তি বিদেশে টাকা পাচারের জন্যই কারখানা করেছেন- উপদেষ্টা সাখাওয়াত হোসেন

এম এম মামুন:
  • আপডেট সময় : ০২:০০:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ অগাস্ট ২০২৫ ৬৩১ বার পড়া হয়েছে

collected

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কিছু ব্যক্তি বিদেশে টাকা পাচারের জন্যই কারখানা করেছেন- উপদেষ্টা সাখাওয়াত হোসেন

নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, কিছু কিছু ব্যক্তি কারখানা প্রতিষ্ঠা করেছেন শুধুই বিদেশে অর্থ পাচারের উদ্দেশ্যে। তবে, ভালো মালিকও আছেন-যাঁদের কারণে দেশের রপ্তানি বেড়েছে। শনিবার (২ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টায় রাজশাহীর জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য নিরাপত্তা বিষয়ক গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে শ্রম অধিদপ্তরের কর্মকর্তা, কর্মচারী ও ট্রেড ইউনিয়ন নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় এবং শ্রমিকদের মাঝে চেক বিতরণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে তিনি এসব কথা বলেন।

দেশের কিছু কারখানা বন্ধ থাকার প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, ‘কারখানা বন্ধের জন্য আমি দায়ী নই। কিছু মালিক ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়েছেন, সেই টাকা বিদেশে পাচার করেছেন। এখন টাকা ফেরত দিতে পারছেন না, দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছেন। তারা কারখানা করেছেন আসলে টাকা-পয়সা এদিক-সেদিক করার জন্য। তিনি আরও বলেন, দেশে তো অনেক কারখানা এখনো চলছে। না চললে ৭-৮ শতাংশ রপ্তানি প্রবৃদ্ধি হতো কীভাবে? ভালো মালিক আছেন, যারা কখনো ডিফল্ট করেননি। শ্রমিকদের দেখভাল করছেন, নিয়মিত বেতন দিচ্ছেন। অনেক বড় বড় কারখানা এখনো কার্যকরভাবে চলছে।

শ্রমিকদের আন্দোলন প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, শ্রমিকরা চাইলে আন্দোলন করতেই পারেন। যে কেউ তার ন্যায্য দাবির পক্ষে রাস্তায় নামতে পারেন। আমিও পারি। এটি গণতান্ত্রিক অধিকার।

শ্রমিক সংগঠনে নির্বাচন আয়োজনের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, শ্রমিক ইউনিয়ন বা ফেডারেশনের নেতৃত্বে দেখা যায়-একজনকে সরিয়ে আরেকজন বসে গেছেন, অথচ কোনো নির্বাচন হয়নি। নৌ মন্ত্রণালয়ে এমন একজন আছেন, যিনি ২৭ বছর ধরে একই পদে আছেন। তিনি তো প্রায় স্থায়ী হয়ে গেছেন। কিন্তু বিষয়টি তো এমন নয়। নির্বাচনের মাধ্যমেই বোঝা যায় কে কাকে বসাবে। আমরা যখন গণতন্ত্রের কথা বলি, তখন তা প্রতিটি স্তরে থাকতে হবে। এর আগে তিনি একই ভবনে এক গবেষণা কনফারেন্সের উদ্বোধন করেন। সেখানে চা বাগানের নারী শ্রমিকদের মানবিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, চা বাগানে শৌচাগার না থাকা খুবই অমানবিক। এর ফলে নারী শ্রমিকদের ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে। এমনকি সেখানে বিশুদ্ধ পানিও পাওয়া যায় না। এই অবস্থা চলতে পারে না।

অনুষ্ঠানে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব এ এইচ এম সফিকুজ্জামান, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক ওমর মো. ইমরুল মহসিন এবং রাজশাহী বিভাগের উপমহাপরিদর্শক জাহাঙ্গীর আলম উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

কিছু ব্যক্তি বিদেশে টাকা পাচারের জন্যই কারখানা করেছেন- উপদেষ্টা সাখাওয়াত হোসেন

আপডেট সময় : ০২:০০:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ অগাস্ট ২০২৫

কিছু ব্যক্তি বিদেশে টাকা পাচারের জন্যই কারখানা করেছেন- উপদেষ্টা সাখাওয়াত হোসেন

নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, কিছু কিছু ব্যক্তি কারখানা প্রতিষ্ঠা করেছেন শুধুই বিদেশে অর্থ পাচারের উদ্দেশ্যে। তবে, ভালো মালিকও আছেন-যাঁদের কারণে দেশের রপ্তানি বেড়েছে। শনিবার (২ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টায় রাজশাহীর জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য নিরাপত্তা বিষয়ক গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে শ্রম অধিদপ্তরের কর্মকর্তা, কর্মচারী ও ট্রেড ইউনিয়ন নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় এবং শ্রমিকদের মাঝে চেক বিতরণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে তিনি এসব কথা বলেন।

দেশের কিছু কারখানা বন্ধ থাকার প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, ‘কারখানা বন্ধের জন্য আমি দায়ী নই। কিছু মালিক ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়েছেন, সেই টাকা বিদেশে পাচার করেছেন। এখন টাকা ফেরত দিতে পারছেন না, দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছেন। তারা কারখানা করেছেন আসলে টাকা-পয়সা এদিক-সেদিক করার জন্য। তিনি আরও বলেন, দেশে তো অনেক কারখানা এখনো চলছে। না চললে ৭-৮ শতাংশ রপ্তানি প্রবৃদ্ধি হতো কীভাবে? ভালো মালিক আছেন, যারা কখনো ডিফল্ট করেননি। শ্রমিকদের দেখভাল করছেন, নিয়মিত বেতন দিচ্ছেন। অনেক বড় বড় কারখানা এখনো কার্যকরভাবে চলছে।

শ্রমিকদের আন্দোলন প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, শ্রমিকরা চাইলে আন্দোলন করতেই পারেন। যে কেউ তার ন্যায্য দাবির পক্ষে রাস্তায় নামতে পারেন। আমিও পারি। এটি গণতান্ত্রিক অধিকার।

শ্রমিক সংগঠনে নির্বাচন আয়োজনের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, শ্রমিক ইউনিয়ন বা ফেডারেশনের নেতৃত্বে দেখা যায়-একজনকে সরিয়ে আরেকজন বসে গেছেন, অথচ কোনো নির্বাচন হয়নি। নৌ মন্ত্রণালয়ে এমন একজন আছেন, যিনি ২৭ বছর ধরে একই পদে আছেন। তিনি তো প্রায় স্থায়ী হয়ে গেছেন। কিন্তু বিষয়টি তো এমন নয়। নির্বাচনের মাধ্যমেই বোঝা যায় কে কাকে বসাবে। আমরা যখন গণতন্ত্রের কথা বলি, তখন তা প্রতিটি স্তরে থাকতে হবে। এর আগে তিনি একই ভবনে এক গবেষণা কনফারেন্সের উদ্বোধন করেন। সেখানে চা বাগানের নারী শ্রমিকদের মানবিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, চা বাগানে শৌচাগার না থাকা খুবই অমানবিক। এর ফলে নারী শ্রমিকদের ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে। এমনকি সেখানে বিশুদ্ধ পানিও পাওয়া যায় না। এই অবস্থা চলতে পারে না।

অনুষ্ঠানে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব এ এইচ এম সফিকুজ্জামান, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক ওমর মো. ইমরুল মহসিন এবং রাজশাহী বিভাগের উপমহাপরিদর্শক জাহাঙ্গীর আলম উপস্থিত ছিলেন।