ঢাকা ০৬:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শ্রীবরদীতে ৫৫ বছরেও সোমেশ্বরী নদীতে সেতু হয়নি, দুর্ভোগে ১৫ হাজার মানুষ নলডাঙ্গায় দোকান নির্মাণ ঘিরে চাঁদা দাবি ও ভাঙচুরের অভিযোগ মাদকের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়াতে চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদকবিরোধী লিফলেট বিতরণ লালপুরে ১১ পিস ইয়াবাসহ আটক ১, মোটরসাইকেল জব্দ লালপুরে অনলাইন জুয়া ও প্রতারণার অভিযোগে দুই ভাই আটক শিবগঞ্জে আমবাগান থেকে বিদেশি পিস্তল, গুলি ও ম্যাগাজিন উদ্ধার দুর্গাপূজা ঘিরে রাণীশংকৈলে প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত কারিগররা নলডাঙ্গায় ট্রেনের ধাক্কায় অজ্ঞাত ব্যক্তির মৃত্যু, পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা ছুটি ছাড়াই তিন দিন কর্মস্থলে অনুপস্থিত খাদ্যগুদামের কর্মকর্তা শাবিপ্রবির বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের ডিন বাগাতিপাড়ার সন্তান “আব্দুল হামিদ”

রাণীশংকৈলে বিএনপি নেতার হাতে হেনস্থার স্বীকার গনঅধিকার পরিষদ নেতা

নাজমুল হোসেন, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০২:২২:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ জুলাই ২০২৫ ৪৪০ বার পড়া হয়েছে

collected

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাণীশংকৈলে বিএনপি নেতার হাতে হেনস্থার স্বীকার গনঅধিকার পরিষদ নেতা

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল থানায় বুধবার (২৩ জুলাই) বিএনপি নেতা কতৃক গণঅধিকার পরিষদের নেতা হেনস্থার স্বীকার হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

জানাযায়, গভির রাতে রাণীশংকৈল থানা পুলিশ আ.লীগের ৩কর্মিকে গ্রেপ্তার করে। হরিপুর থানা পুলিশ ৪ জনকে গ্রেপ্তার করে রাণীশংকৈল থানা হেফাজতে রাখে। এতে হরিপুর উপজেলার চৌরঙ্গী একালার শিহিপুর গ্রামের বদিউর জামানের ছেলে রুহুল আমীনকে বিনা অপরাধে এবং কোন মামলা ছাড়াই গ্রেপ্তার করার কারণে গণধিকার পরিষদ রাণীশংকৈল ও হরিপুর উপজেলা শাখার কমিটির লোকজন মুক্তির দাবিতে থানায় অবস্থান নেয়। একপর্যায়ে গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রিয় নেতা মামুনুর রশিদ ও উপজেলা সম্পাদক জাফর আলী পুলিশের সঙ্গে তর্কবির্তকে জড়িয়ে পড়লে বিএনপির লোকজন এসে হাজির হয়। এনিয়ে উভয় পক্ষে উত্তেজনার সৃষ্টি হলে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এসময় থানা অফিসার ইনচার্জ আরশেদুল হক হট্টোগোলটি নিয়ন্ত্রনে নিয়ে আসলে গণঅধিকার পরিষদের নেতারা থানা থেকে বেড়িয়ে যায়। এরপর থানা পুলিশ গ্রেফতারকৃত আসামিদেরকে জেল হাজতে প্রেরণ করেন।

গ্রেপ্তারকৃত আসামীরা হলেন-হরিপুর উপজেলার শাহারগাঁও গ্রামের মৃত আব্দুল ওয়াদুদের ছেলে আব্দুল্লাাহেল কাফি (৪৭) শিহিপুর গ্রামের মৃত বদিউজ্জামানের ছেলে রুহুল আমীন (৪৪) বড়ুয়াল গ্রামের রফিকুলের ছেলে নাঈম ইসলাম (২৬) ও আমগাঁও গ্রামের জহিরুল হকের ছেলে তহিদুল (২৫) রাণীশংকৈল উপজেলার খঞ্জনা গ্রামের মৃত খেজমত আলীর ছেলে মতিউর রহমান (৩৪) নেকমরদ গণ্ডগ্রাম গ্রামের বশির উদ্দিনের ছেলে দবিরুল ইসলাম (৬৫) একই এলাকার দবিরুলের ছেলে রবিউল ইসলাম (৩৫)।

গণঅধিকার পরিষদ কেন্দ্রিয় নেতা মামুনুর রশিদ বলেন, হরিপুর থানা পুলিশ রুহুল আমিন নামে একজন নিরপরাধ মানুষকে গ্রেফতার করেছে যা সম্পূর্ণ বেআইনি অমানবিক ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের সামিল। তিনি আরো বলেন, রাণীশংকৈল থানা এখনো সেই ফ্যাসিস্টদের মতোই চলছে আরেকটি রাজনৈতিক দলের ছত্রছায়ায় যা আমি নিজেই থানায় গিয়ে হেনস্থার স্বীকার হয়েছি।

এব্যাপারে থানা অফিসার ইনচার্জ আরশেদুল হক বলেন, হরিপুর থানার আসামিদের ব্যাপারে আমার কোন বক্তব্য নেই। তবে রাণীশংকৈল থানার ৩জন কে রাজনৈতিক মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে।

এবিষয়ে হরিপুর থানা অফিসার ইনচার্জ ওসি জাকারিয়া মন্ডল মুঠো ফোনে বলেন, গ্রেফতারকৃত রুহুল আমিন কে কোন মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে তা দেখতে হবে আমি এখন বাহিরে আছি পরে জানাবো। তিনি আরো বলেন, বাকি ৩ জন আসামি আওয়ামীলীগ নেতা তাদেরকে মারামারি মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

রাণীশংকৈলে বিএনপি নেতার হাতে হেনস্থার স্বীকার গনঅধিকার পরিষদ নেতা

আপডেট সময় : ০২:২২:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ জুলাই ২০২৫

রাণীশংকৈলে বিএনপি নেতার হাতে হেনস্থার স্বীকার গনঅধিকার পরিষদ নেতা

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল থানায় বুধবার (২৩ জুলাই) বিএনপি নেতা কতৃক গণঅধিকার পরিষদের নেতা হেনস্থার স্বীকার হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

জানাযায়, গভির রাতে রাণীশংকৈল থানা পুলিশ আ.লীগের ৩কর্মিকে গ্রেপ্তার করে। হরিপুর থানা পুলিশ ৪ জনকে গ্রেপ্তার করে রাণীশংকৈল থানা হেফাজতে রাখে। এতে হরিপুর উপজেলার চৌরঙ্গী একালার শিহিপুর গ্রামের বদিউর জামানের ছেলে রুহুল আমীনকে বিনা অপরাধে এবং কোন মামলা ছাড়াই গ্রেপ্তার করার কারণে গণধিকার পরিষদ রাণীশংকৈল ও হরিপুর উপজেলা শাখার কমিটির লোকজন মুক্তির দাবিতে থানায় অবস্থান নেয়। একপর্যায়ে গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রিয় নেতা মামুনুর রশিদ ও উপজেলা সম্পাদক জাফর আলী পুলিশের সঙ্গে তর্কবির্তকে জড়িয়ে পড়লে বিএনপির লোকজন এসে হাজির হয়। এনিয়ে উভয় পক্ষে উত্তেজনার সৃষ্টি হলে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এসময় থানা অফিসার ইনচার্জ আরশেদুল হক হট্টোগোলটি নিয়ন্ত্রনে নিয়ে আসলে গণঅধিকার পরিষদের নেতারা থানা থেকে বেড়িয়ে যায়। এরপর থানা পুলিশ গ্রেফতারকৃত আসামিদেরকে জেল হাজতে প্রেরণ করেন।

গ্রেপ্তারকৃত আসামীরা হলেন-হরিপুর উপজেলার শাহারগাঁও গ্রামের মৃত আব্দুল ওয়াদুদের ছেলে আব্দুল্লাাহেল কাফি (৪৭) শিহিপুর গ্রামের মৃত বদিউজ্জামানের ছেলে রুহুল আমীন (৪৪) বড়ুয়াল গ্রামের রফিকুলের ছেলে নাঈম ইসলাম (২৬) ও আমগাঁও গ্রামের জহিরুল হকের ছেলে তহিদুল (২৫) রাণীশংকৈল উপজেলার খঞ্জনা গ্রামের মৃত খেজমত আলীর ছেলে মতিউর রহমান (৩৪) নেকমরদ গণ্ডগ্রাম গ্রামের বশির উদ্দিনের ছেলে দবিরুল ইসলাম (৬৫) একই এলাকার দবিরুলের ছেলে রবিউল ইসলাম (৩৫)।

গণঅধিকার পরিষদ কেন্দ্রিয় নেতা মামুনুর রশিদ বলেন, হরিপুর থানা পুলিশ রুহুল আমিন নামে একজন নিরপরাধ মানুষকে গ্রেফতার করেছে যা সম্পূর্ণ বেআইনি অমানবিক ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের সামিল। তিনি আরো বলেন, রাণীশংকৈল থানা এখনো সেই ফ্যাসিস্টদের মতোই চলছে আরেকটি রাজনৈতিক দলের ছত্রছায়ায় যা আমি নিজেই থানায় গিয়ে হেনস্থার স্বীকার হয়েছি।

এব্যাপারে থানা অফিসার ইনচার্জ আরশেদুল হক বলেন, হরিপুর থানার আসামিদের ব্যাপারে আমার কোন বক্তব্য নেই। তবে রাণীশংকৈল থানার ৩জন কে রাজনৈতিক মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে।

এবিষয়ে হরিপুর থানা অফিসার ইনচার্জ ওসি জাকারিয়া মন্ডল মুঠো ফোনে বলেন, গ্রেফতারকৃত রুহুল আমিন কে কোন মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে তা দেখতে হবে আমি এখন বাহিরে আছি পরে জানাবো। তিনি আরো বলেন, বাকি ৩ জন আসামি আওয়ামীলীগ নেতা তাদেরকে মারামারি মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে।