ঢাকা ০৮:১৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

ঝিনাইগাতীতে জুলাই যুদ্ধাকে অপহরণের চেষ্টা: আটক-১

মোহাম্মদ দুদু মল্লিক, শেরপুর:
  • আপডেট সময় : ০৪:১৫:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ জুন ২০২৫ ৪৮১ বার পড়া হয়েছে

collected

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঝিনাইগাতীতে জুলাই যুদ্ধাকে অপহরণের চেষ্টা: আটক-১

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে মো. জাকির হোসেন (২১) নামে এক জুলাই যুদ্ধাকে অপহরণের চেষ্টার অভিযোগে আঃ রহিম (৩০) কে আটক করেছে পুলিশ। সোমবার (৩০ জুন) দুপুরে তাকে উপজেলার কলেজ রোড এলাকা থেকে আটক করা হয়। আটককৃত আঃ রহিম উপজেলার প্রতাবনগর এলাকার মৃত খলিল মিয়ার ছেলে। অপরদিকে জুলাই যুদ্ধা জাকির হোসেন কাংশা ইউনিয়নের আয়নাপুর এলাকার আব্দুল মালেক এর ছেলে এবং জমশেদ আলী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের অনার্স প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী।

থানায় দায়ের করা বাদীর লিখিত অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে, পূর্ব শত্রুতার জেরে গত ২৯ জুন রবিবার বিকেল আনুমানিক ৪ টার দিকে জুলাই যুদ্ধা মো.জাকির হোসেন ব্যক্তিগত কাজ নিয়ে ঝিনাইগাতী উপজেলা পরিষদের সামনে আসে।এসময় আবু সাইদের ছেলে রাসেল মিয়া, আব্দুল মান্নানের ছেলে ফিরুজ মিয়া ও মৃত খলিল মিয়ার ছেলে আঃ রহিম সহ অজ্ঞাতনামা ৪/৫ জন যুবক ফিল্মি স্টাইলে পরিকল্পিত ভাবে জাকির হোসেনকে মারধর করে টেনে হিছড়ে একটি অটো গাড়িতে উঠিয়ে রওনা দেয়। এসময় জুলাই জাকির হোসেনের ডাক-চিৎকারে আশপাশের লোকজন দৌড়ে এসে ওই অটো গাড়িটি আটকিয়ে তাকে উদ্ধার করে। জনতার অসংখ্য ভীড় জমায় অপহরণকারিরা অটো গাড়িটি নিয়ে সটকে পড়ে। পরে স্থানীয় জনতা জুলাই যুদ্ধাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করার পর রবিবার রাতেই তিনজনকে স্বনামে এবং ৪/৫ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামী করে থানায় একটি অপহরণের অভিযোগ দায়ের করেন। পরবর্তীতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে সোমবার দুপুরে আঃ রহিমকে আটক করে।

একটি সুত্র জানায়, আটককৃত আঃ রহিমকে থানা থেকে ছাড়িয়ে আনতে জোর তদবির চলিয়ে যাচ্ছে।

এ বিষয়ে জুলাই যুদ্ধা জাকির হোসেন জানান, যাহারা আমাকে বেপরোয়া ভাবে মারধর করে ফিল্মি স্টাইলে অপহরণের চেষ্টা কররছে। প্রশাসনের কাছে তাদের বিরুদ্ধে আমি কঠিন বিচারের দাবি জানাচ্ছি।

থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.আল আমিন এ বিষয়ে সত্যতা নিশ্চিত করে জানান,অভিযোগটি গুরুত্বের সাথে আমলে নিয়ে আঃ রহিমকে আটক করা হয়েছে। বাকিদেরকেও ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ঝিনাইগাতীতে জুলাই যুদ্ধাকে অপহরণের চেষ্টা: আটক-১

আপডেট সময় : ০৪:১৫:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ জুন ২০২৫

ঝিনাইগাতীতে জুলাই যুদ্ধাকে অপহরণের চেষ্টা: আটক-১

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে মো. জাকির হোসেন (২১) নামে এক জুলাই যুদ্ধাকে অপহরণের চেষ্টার অভিযোগে আঃ রহিম (৩০) কে আটক করেছে পুলিশ। সোমবার (৩০ জুন) দুপুরে তাকে উপজেলার কলেজ রোড এলাকা থেকে আটক করা হয়। আটককৃত আঃ রহিম উপজেলার প্রতাবনগর এলাকার মৃত খলিল মিয়ার ছেলে। অপরদিকে জুলাই যুদ্ধা জাকির হোসেন কাংশা ইউনিয়নের আয়নাপুর এলাকার আব্দুল মালেক এর ছেলে এবং জমশেদ আলী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের অনার্স প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী।

থানায় দায়ের করা বাদীর লিখিত অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে, পূর্ব শত্রুতার জেরে গত ২৯ জুন রবিবার বিকেল আনুমানিক ৪ টার দিকে জুলাই যুদ্ধা মো.জাকির হোসেন ব্যক্তিগত কাজ নিয়ে ঝিনাইগাতী উপজেলা পরিষদের সামনে আসে।এসময় আবু সাইদের ছেলে রাসেল মিয়া, আব্দুল মান্নানের ছেলে ফিরুজ মিয়া ও মৃত খলিল মিয়ার ছেলে আঃ রহিম সহ অজ্ঞাতনামা ৪/৫ জন যুবক ফিল্মি স্টাইলে পরিকল্পিত ভাবে জাকির হোসেনকে মারধর করে টেনে হিছড়ে একটি অটো গাড়িতে উঠিয়ে রওনা দেয়। এসময় জুলাই জাকির হোসেনের ডাক-চিৎকারে আশপাশের লোকজন দৌড়ে এসে ওই অটো গাড়িটি আটকিয়ে তাকে উদ্ধার করে। জনতার অসংখ্য ভীড় জমায় অপহরণকারিরা অটো গাড়িটি নিয়ে সটকে পড়ে। পরে স্থানীয় জনতা জুলাই যুদ্ধাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করার পর রবিবার রাতেই তিনজনকে স্বনামে এবং ৪/৫ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামী করে থানায় একটি অপহরণের অভিযোগ দায়ের করেন। পরবর্তীতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে সোমবার দুপুরে আঃ রহিমকে আটক করে।

একটি সুত্র জানায়, আটককৃত আঃ রহিমকে থানা থেকে ছাড়িয়ে আনতে জোর তদবির চলিয়ে যাচ্ছে।

এ বিষয়ে জুলাই যুদ্ধা জাকির হোসেন জানান, যাহারা আমাকে বেপরোয়া ভাবে মারধর করে ফিল্মি স্টাইলে অপহরণের চেষ্টা কররছে। প্রশাসনের কাছে তাদের বিরুদ্ধে আমি কঠিন বিচারের দাবি জানাচ্ছি।

থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.আল আমিন এ বিষয়ে সত্যতা নিশ্চিত করে জানান,অভিযোগটি গুরুত্বের সাথে আমলে নিয়ে আঃ রহিমকে আটক করা হয়েছে। বাকিদেরকেও ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।