ঢাকা ০৯:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকার অবস্থান, আ/ত্ম/হ/ত্যার হু’মকি

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট সময় : ০৬:২১:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ ৭৬ বার পড়া হয়েছে

collected

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকার অবস্থান, আ/ত্ম/হ/ত্যার হু’মকি

প্রতিশ্রুতি দিয়ে সম্পর্কের অভিযোগ, পরিবারের অস্বীকৃতি—জটিলতায় কোটালীপাড়া

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান নিয়েছেন এক নারী (২৫)। শনিবার (১৮ জানুয়ারি) সকাল থেকে তিনি পৌরসভার ডহরপাড়া গ্রামে প্রেমিক সজল বালার বাড়িতে অবস্থান করছেন বলে জানা গেছে।

অভিযুক্ত সজল বালা ডহরপাড়া গ্রামের শীতল বালার ছেলে। তিনি স্থানীয়ভাবে একজন সাংস্কৃতিক কর্মী হিসেবে পরিচিত এবং মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের কিশোর-কিশোরী ক্লাবের সঙ্গীত শিক্ষক। অপরদিকে ওই নারী পেশায় একজন নার্স।

প্রেমিকার দাবি, সজলের মা ও তার বাবার মধ্যে ব্যবসায়িক অংশীদারিত্ব রয়েছে এবং একটি ক্লিনিকে দুই পরিবারের যৌথ বিনিয়োগ আছে। প্রায় ছয় মাস আগে ওই ক্লিনিকে চাকরিতে যোগ দেওয়ার পর তাদের পরিচয় হয় এবং পরে তা প্রেমের সম্পর্কে রূপ নেয়।

তিনি অভিযোগ করেন, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সজল তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন। কিন্তু পরবর্তীতে বিয়ের কথা জানালে সজলের পরিবার এতে আপত্তি জানিয়ে তাকে দূরে সরিয়ে রাখে।

ভুক্তভোগী নারী জানান, এ বিষয়ে তিনি কোটালীপাড়া থানায় অভিযোগ করেছিলেন। পুলিশ উভয় পক্ষকে ডেকেও অভিযুক্ত পক্ষকে পায়নি। পরে তাকে আদালতের শরণাপন্ন হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

তিনি আরও বলেন, গত ১লা বৈশাখে উপজেলা সদরে সজলের সঙ্গে তার শেষ দেখা হয়। এরপর থেকে সজল যোগাযোগ এড়িয়ে চলছেন। শনিবার সকালে সজলের বাড়িতে গেলে পরিবারের সদস্যরা জানান, তিনি বাড়িতে নেই এবং অন্যত্র চলে গেছেন।

এ অবস্থায় বিয়ের দাবি পূরণ না হলে আত্মহত্যার হুমকিও দিয়েছেন ওই নারী।

অভিযুক্তের মা অঞ্জনা বালা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “আমার ছেলেকে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। বিষয়টি সামাজিকভাবে মীমাংসা করা হবে।”

এদিকে অভিযুক্ত সজল বালার মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

কোটালীপাড়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শহিদুল ইসলাম জানান, এ বিষয়ে আগে একটি অভিযোগ পাওয়া গিয়েছিল। তবে অভিযুক্ত পক্ষ থানায় উপস্থিত না হওয়ায় অভিযোগকারীকে আদালতে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সফর আলী বলেন, প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান বা অনশন সংক্রান্ত কোনো লিখিত অভিযোগ এখনো পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকার অবস্থান, আ/ত্ম/হ/ত্যার হু’মকি

আপডেট সময় : ০৬:২১:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকার অবস্থান, আ/ত্ম/হ/ত্যার হু’মকি

প্রতিশ্রুতি দিয়ে সম্পর্কের অভিযোগ, পরিবারের অস্বীকৃতি—জটিলতায় কোটালীপাড়া

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান নিয়েছেন এক নারী (২৫)। শনিবার (১৮ জানুয়ারি) সকাল থেকে তিনি পৌরসভার ডহরপাড়া গ্রামে প্রেমিক সজল বালার বাড়িতে অবস্থান করছেন বলে জানা গেছে।

অভিযুক্ত সজল বালা ডহরপাড়া গ্রামের শীতল বালার ছেলে। তিনি স্থানীয়ভাবে একজন সাংস্কৃতিক কর্মী হিসেবে পরিচিত এবং মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের কিশোর-কিশোরী ক্লাবের সঙ্গীত শিক্ষক। অপরদিকে ওই নারী পেশায় একজন নার্স।

প্রেমিকার দাবি, সজলের মা ও তার বাবার মধ্যে ব্যবসায়িক অংশীদারিত্ব রয়েছে এবং একটি ক্লিনিকে দুই পরিবারের যৌথ বিনিয়োগ আছে। প্রায় ছয় মাস আগে ওই ক্লিনিকে চাকরিতে যোগ দেওয়ার পর তাদের পরিচয় হয় এবং পরে তা প্রেমের সম্পর্কে রূপ নেয়।

তিনি অভিযোগ করেন, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সজল তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন। কিন্তু পরবর্তীতে বিয়ের কথা জানালে সজলের পরিবার এতে আপত্তি জানিয়ে তাকে দূরে সরিয়ে রাখে।

ভুক্তভোগী নারী জানান, এ বিষয়ে তিনি কোটালীপাড়া থানায় অভিযোগ করেছিলেন। পুলিশ উভয় পক্ষকে ডেকেও অভিযুক্ত পক্ষকে পায়নি। পরে তাকে আদালতের শরণাপন্ন হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

তিনি আরও বলেন, গত ১লা বৈশাখে উপজেলা সদরে সজলের সঙ্গে তার শেষ দেখা হয়। এরপর থেকে সজল যোগাযোগ এড়িয়ে চলছেন। শনিবার সকালে সজলের বাড়িতে গেলে পরিবারের সদস্যরা জানান, তিনি বাড়িতে নেই এবং অন্যত্র চলে গেছেন।

এ অবস্থায় বিয়ের দাবি পূরণ না হলে আত্মহত্যার হুমকিও দিয়েছেন ওই নারী।

অভিযুক্তের মা অঞ্জনা বালা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “আমার ছেলেকে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। বিষয়টি সামাজিকভাবে মীমাংসা করা হবে।”

এদিকে অভিযুক্ত সজল বালার মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

কোটালীপাড়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শহিদুল ইসলাম জানান, এ বিষয়ে আগে একটি অভিযোগ পাওয়া গিয়েছিল। তবে অভিযুক্ত পক্ষ থানায় উপস্থিত না হওয়ায় অভিযোগকারীকে আদালতে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সফর আলী বলেন, প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান বা অনশন সংক্রান্ত কোনো লিখিত অভিযোগ এখনো পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।