অ/স্ত্র নিয়ে পুঠিয়ার সাবেক মেয়রকে খুঁজতে গিয়ে তা/ণ্ড/বে/র অভিযোগ
- আপডেট সময় : ১১:০৫:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬ ২০৭ বার পড়া হয়েছে

অ/স্ত্র নিয়ে পুঠিয়ার সাবেক মেয়রকে খুঁজতে গিয়ে তা/ণ্ড/বে/র অভিযোগ
ফিলিং স্টেশন লুট, একাধিক স্থানে ভাঙচুর—এমপি অনুসারীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, অস্বীকার সংশ্লিষ্টদের
রাজশাহীর পুঠিয়া পৌরসভার সাবেক মেয়র আল মামুন খানকে খুঁজতে গিয়ে অস্ত্রধারী একদল ব্যক্তি রাতভর তাণ্ডব চালানোর অভিযোগ উঠেছে। বুধবার দিবাগত রাতে তাঁর ফিলিং স্টেশন, শ্বশুরবাড়ি, ভাড়া বাসা ও ব্যক্তিগত গোলঘরে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এ সময় ফিলিং স্টেশন থেকে নগদ টাকা লুটের অভিযোগও করা হয়েছে।
আল মামুন খান পুঠিয়া উপজেলা ও পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক। তাঁর দাবি, রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া-দুর্গাপুর) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মন্ডলের ছেলে ব্যারিস্টার আবু বকর সিদ্দিক রাজনের নির্দেশে তাঁকে অস্ত্র হাতে খুঁজে বেড়ায় ক্যাডাররা। তবে ব্যারিস্টার রাজন এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
জানা গেছে, বুধবার দুপুরে রাজশাহী নগরের বোয়ালিয়া থানার ভদ্রা মোড়ে সেলিম সরকার নামে এমপির এক অনুসারী মারধরের শিকার হন। ওই ঘটনার জের ধরে রাতে পুঠিয়ায় হামলার ঘটনা ঘটে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। সেলিম সরকারের বিরুদ্ধে আগে থেকেই হুমকির অভিযোগে আদালতে মামলা ছিল এবং সেই মামলায় হাজিরা দিতে তিনি রাজশাহী শহরে গিয়েছিলেন।
সেলিম সরকারের ভাই বাক্কার সরকার পুঠিয়া পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি হলেও সেলিম বর্তমানে বিএনপির এমপি নজরুল ইসলাম মন্ডলের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। অপরদিকে, মামলার বাদী বিএনপি নেতা সৈয়দ আলীর ছেলে মো. মারুফ দাবি করেন, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে সেলিম সরকার তাদের ক্ষতি করেছেন। বিষয়টি ভিন্নখাতে নিতে তাদের ওপর দায় চাপানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
সাবেক মেয়র আল মামুন খান বলেন, রাত ১১টার দিকে কাঁঠালবাড়িয়া এলাকায় তাঁর ফিলিং স্টেশনে হামলা চালানো হয়। হামলাকারীরা অস্ত্রের মুখে কর্মচারীদের জিম্মি করে ক্যাশ থেকে ১ লাখ ২ হাজার টাকা লুট করে নেয়। পরে তারা শেরপাড়ায় তাঁর শ্বশুরবাড়ি, ভাড়া বাসা এবং গন্ডগোহালী এলাকায় গোলঘরে গিয়ে ভাঙচুর চালায়।
তিনি দাবি করেন, পূর্বশত্রুতার জের ধরে এ হামলা চালানো হয়েছে। তবে পুলিশের ভূমিকা নিয়েও তিনি প্রশ্ন তোলেন।
এদিকে ব্যারিস্টার আবু বকর সিদ্দিক রাজন বলেন, সেলিম সরকারকে মারধরের ঘটনায় মামলা হয়েছে এবং কয়েকজন গ্রেপ্তারও হয়েছে। তবে পুঠিয়ায় হামলার ঘটনায় তাঁর কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলে দাবি করেন তিনি।
পুঠিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদুল ইসলাম বলেন, সাবেক মেয়রের শ্বশুরবাড়িতে হামলার ঘটনা সম্পর্কে তারা অবগত। তবে ফিলিং স্টেশন বা অন্যান্য স্থানে হামলার বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে মামলা করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
অন্যদিকে রাজশাহী নগরের বোয়ালিয়া থানার ওসি রবিউল ইসলাম জানান, ভদ্রা মোড়ে সেলিম সরকারকে মারধরের ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আটজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে এবং তদন্ত চলমান রয়েছে।




















