ঢাকা ০৮:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মোহনপুরে পেট্রোল পাম্পে তেল নিতে এসে কৃষকের মৃত্যু বানেশ্বরে ‘ভোক্তা অধিকার’-এর নামে হয়রানির অভিযোগে ওষুধ ব্যবসায়ীদের মানববন্ধন নাটোরের এসপিসহ ৬ পুলিশ কর্মকর্তা বদলি পীরগঞ্জে অবৈধ ইটভাটায় মোবাইল কোর্ট, ২০ লাখ টাকা জরিমানা লালপুরে ২ বছরের সাজাপ্রাপ্ত মাদক মামলার আসামি গ্রেপ্তার মহাদেবপুরে সংবাদ প্রকাশে প্রশাসনে তোলপাড়, নিম্নমানের ইট সরানোর নির্দেশ রামেকে হামে ৩৭ শিশুর মৃত্যু, ২৭ জনই ছিল টিকাবঞ্চিত রাবিতে অবিস্ফোরিত মর্টারশেল উদ্ধার, নিরাপদে নিষ্ক্রিয় নিয়ামতপুরে একই পরিবারের ৪ জনকে গলা কেটে হত্যা রামেক হাসপাতালে নিরাপত্তাহীনতা: ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ২৪ ঘণ্টার কর্মবিরতি

শিক্ষার্থীদের কো টা সংস্কারের দাবী যৌক্তিক ছিল-রাবি শিক্ষকরা

এম এম মামুন, নিজস্ব প্রতিবেদক:
  • আপডেট সময় : ০৩:৪৮:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুলাই ২০২৪ ৩৮৫ বার পড়া হয়েছে

collected

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

শিক্ষার্থীদের কো টা সংস্কারের দাবী যৌক্তিক ছিল-রাবি শিক্ষকরা

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা বলেছেন, আমাদের সন্তানরা তাদের বুকের তাজা রক্ত দিয়ে বলে গেল, তাদের কোটা সংস্কারের দাবী যৌক্তিক ছিল। শিক্ষার্থীরা মরে নাই, তারা শহীদ, তারা ইতিহাসের পাতায় উজ্জীবিত থাকবে। মঙ্গলবার (৩০ জুলাই) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মানববন্ধন ও র‍্যালীতে এমন আবেগঘন বক্তব্যে ভারি হয়ে উঠে পুরো রাবি ক্যাম্পাস। শিক্ষকদের সাথে ছাত্ররা কর্মসূচীতে অংশগ্রহণ করতে চাইলে শিক্ষকরা জানান, এটি তোমাদের কর্মসূচি। সারাদেশে শিক্ষার্থীদের হত্যার বিচারসহ ছাত্রদের চলমান আন্দোলনের ৯ দফা দাবীর সাথে একাত্মতা ঘোষণা করেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা।

এদিকে বেলা সাড়ে ১১ টায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মুল ফটকের সামনে মানববন্ধনে দাঁড়িয়ে শিক্ষার্থীদের ৯ দফা দাবি একাত্মতা ঘোষণা করেন রাবি শিক্ষকরা। প্রতিবাদ কর্মসূচীর শুরুতে প্রসাশনিক ভবনের সামনে থেকে একটি র‍্যালী বের করেন নিপিড়ন বিরোধী শিক্ষক সমাজ। এরপর র‍্যালীটি ক্যাম্পাসের কয়েকটি একাডেমিক ভবন প্রদক্ষিণ করে। পরে রাবির মুল ফটকে মানববন্ধন করা হয়। মানববন্ধন থেকে অনতিলম্বে ছাত্র হত্যাকান্ডের সাথে যারা জড়িত তাদের সকলকে আইনের আওতায় আনার দাবী জানানো হয়।

এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের প্রফেসর ড. ইফতেখায়ের আলম মাসুদের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, রাবির ভেটেনারি এন্ড এ্যানিমেল সায়েন্স বিভাগের প্রফেসর ড. ইসমতআরা বেগম, অর্থনীতি বিভাগের প্রফেসর ড. ফরিদ খান, পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর ড. সালেহ উদ্দিন নকিব। এছাড়াও মিডিয়ার সামনে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বক্তব্য রাখেন আইবিএ বিভাগের প্রফেসর ড. হাসানাত আলী, ফোকলোর বিভাগের সভাপতি প্রফেসর ড. জাহাঙ্গীর হোসেনসহ অনেকে।

দেশের কোথাও যেন শিক্ষার্থীদের উপর আর গুলি না চলে, দেশব্যাপী শিক্ষার্থীদের হত্যা, ক্র্যাকডাউনের নামে গণহারে গ্রফতার ও ছাত্রদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবী জানানো হয়। ডিবি অফিসে আটক রাখা শিক্ষার্থীদের খাবারের ছবি ভাইরাল হওয়ায় সেই অফিসকে ভাতের হোটেলের সাথে তুলনা করেন শিক্ষকরা।

শিক্ষকরা বলেন, সারাদেশে ইন্টারনেট বন্ধ করে সরকার অন্ধকারের দিকে জাতিকে ঠেলে দিয়েছে। সকল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বন্ধ করেছে, যা রীতিমতো মানবাধিকার লঙ্ঘন। তবে সাধারণ মানুষ ফেসবুক ব্যবহার করতে না পারলেও এমপি-মন্ত্রীরা কিন্তু ঠিকই মাসাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করছেন বলে দুঃখ প্রকাশ করেন। এসময় ছাত্রদের ৯ দফা দাবীর সাথে একাত্মতা ঘোষণা করে আগামীকাল আবারও উন্মুক্ত আলোচনার ডাক দিয়েছে নীপিড়ন বিরোধী শিক্ষক সমাজ

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

শিক্ষার্থীদের কো টা সংস্কারের দাবী যৌক্তিক ছিল-রাবি শিক্ষকরা

আপডেট সময় : ০৩:৪৮:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুলাই ২০২৪

শিক্ষার্থীদের কো টা সংস্কারের দাবী যৌক্তিক ছিল-রাবি শিক্ষকরা

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা বলেছেন, আমাদের সন্তানরা তাদের বুকের তাজা রক্ত দিয়ে বলে গেল, তাদের কোটা সংস্কারের দাবী যৌক্তিক ছিল। শিক্ষার্থীরা মরে নাই, তারা শহীদ, তারা ইতিহাসের পাতায় উজ্জীবিত থাকবে। মঙ্গলবার (৩০ জুলাই) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মানববন্ধন ও র‍্যালীতে এমন আবেগঘন বক্তব্যে ভারি হয়ে উঠে পুরো রাবি ক্যাম্পাস। শিক্ষকদের সাথে ছাত্ররা কর্মসূচীতে অংশগ্রহণ করতে চাইলে শিক্ষকরা জানান, এটি তোমাদের কর্মসূচি। সারাদেশে শিক্ষার্থীদের হত্যার বিচারসহ ছাত্রদের চলমান আন্দোলনের ৯ দফা দাবীর সাথে একাত্মতা ঘোষণা করেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা।

এদিকে বেলা সাড়ে ১১ টায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মুল ফটকের সামনে মানববন্ধনে দাঁড়িয়ে শিক্ষার্থীদের ৯ দফা দাবি একাত্মতা ঘোষণা করেন রাবি শিক্ষকরা। প্রতিবাদ কর্মসূচীর শুরুতে প্রসাশনিক ভবনের সামনে থেকে একটি র‍্যালী বের করেন নিপিড়ন বিরোধী শিক্ষক সমাজ। এরপর র‍্যালীটি ক্যাম্পাসের কয়েকটি একাডেমিক ভবন প্রদক্ষিণ করে। পরে রাবির মুল ফটকে মানববন্ধন করা হয়। মানববন্ধন থেকে অনতিলম্বে ছাত্র হত্যাকান্ডের সাথে যারা জড়িত তাদের সকলকে আইনের আওতায় আনার দাবী জানানো হয়।

এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের প্রফেসর ড. ইফতেখায়ের আলম মাসুদের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, রাবির ভেটেনারি এন্ড এ্যানিমেল সায়েন্স বিভাগের প্রফেসর ড. ইসমতআরা বেগম, অর্থনীতি বিভাগের প্রফেসর ড. ফরিদ খান, পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর ড. সালেহ উদ্দিন নকিব। এছাড়াও মিডিয়ার সামনে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বক্তব্য রাখেন আইবিএ বিভাগের প্রফেসর ড. হাসানাত আলী, ফোকলোর বিভাগের সভাপতি প্রফেসর ড. জাহাঙ্গীর হোসেনসহ অনেকে।

দেশের কোথাও যেন শিক্ষার্থীদের উপর আর গুলি না চলে, দেশব্যাপী শিক্ষার্থীদের হত্যা, ক্র্যাকডাউনের নামে গণহারে গ্রফতার ও ছাত্রদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবী জানানো হয়। ডিবি অফিসে আটক রাখা শিক্ষার্থীদের খাবারের ছবি ভাইরাল হওয়ায় সেই অফিসকে ভাতের হোটেলের সাথে তুলনা করেন শিক্ষকরা।

শিক্ষকরা বলেন, সারাদেশে ইন্টারনেট বন্ধ করে সরকার অন্ধকারের দিকে জাতিকে ঠেলে দিয়েছে। সকল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বন্ধ করেছে, যা রীতিমতো মানবাধিকার লঙ্ঘন। তবে সাধারণ মানুষ ফেসবুক ব্যবহার করতে না পারলেও এমপি-মন্ত্রীরা কিন্তু ঠিকই মাসাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করছেন বলে দুঃখ প্রকাশ করেন। এসময় ছাত্রদের ৯ দফা দাবীর সাথে একাত্মতা ঘোষণা করে আগামীকাল আবারও উন্মুক্ত আলোচনার ডাক দিয়েছে নীপিড়ন বিরোধী শিক্ষক সমাজ