মোহনপুরে ছাদ থেকে পড়ে নেশাগ্রস্ত ব্যক্তির মৃত্যু, তড়িঘড়ি দাফন
- আপডেট সময় : ০৩:০১:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ জুন ২০২৪ ৩৫২ বার পড়া হয়েছে

মোহনপুরে ছাদ থেকে পড়ে নেশাগ্রস্ত ব্যক্তির মৃত্যু, তড়িঘড়ি দাফন
রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলায় নেশাগ্রস্ত অবস্থায় ছাদ থেকে পড়ে খোরশেদ আলম (৪৫) নামের ব্যক্তির রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। কাউকে না জানিয়ে খোরশেদ আলমের মরদেহ তড়িঘড়ি করে রাতেই দাফন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০ টার দিকে মোহনপুর উপজেলার ধুরইল ইউনিয়নের লালপুর গ্রামে ঘটনাটি ঘটে। জানা গেছে, মোহনপুর উপজেলার ধুরইল ইউনিয়নের লালপুর গ্রামের মৃত নজের আলীর ছেলে জয়নাল আবেদীন পাকা রাস্তার পূর্বে পাশে একতলা মার্কেট নির্মাণ করে ব্যবসা চালিয়ে আসছিল।
শুক্রবার (২৮ জুন) সকাল ১০ টার সময় সরেজমিনে গিয়ে স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে, মার্কেটটি নির্মাণের পর থেকে বিশেষ করে দুপুর এবং সন্ধার পর থেকে গভীর রাত পযর্ন্ত মার্কেটের ছাদে স্কুল,কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা সিগারেট খাওয়া জন্য ও বিভিন্ন বয়সী মাদকসেবনকারীরা মাদকসেবন করার জন্য মার্কেটের সিঁড়িঘরসহ ছাদটি নিরাপদ স্থান হিসেবে বেছে নেয়। বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) রাত ১০ টার পর খোরশেদ আলমসহ কয়েকজন মাদকসেবী জয়নাল আবেদীনের মার্কেটের ছাদে বসে চোলাইমদ খাওয়া অবস্থায় নিচে পড়ে যায়। স্থানীয়রা আহত অবস্থায় উদ্ধার করে মোহনপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়ার সময় রাস্তায় মৃত্যু হয়। মার্কেট মালিক জয়নাল আবেদীন থানা পুলিশ, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে না জানিয়ে নিহত খোরশেদ আলমের পরিবারের লোকজন সাথে মিমাংসা করে তড়িঘড়ি করে গোপনে দাফন সম্পূর্ণ করেন। এমনকি ওই ওয়ার্ডের ইউপি সদস্যকেও জানানো হয়নি। ঘটনার পর থেকে শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০ টা পর্যন্ত ছাদে কয়েকটি টাইগারের বোতলে চোলাই মদ পড়ে থাকতে দেখা গেছে। সারাক্ষণ মার্কেটের সিঁড়িঘরসহ ছাদ খোলা থাকায় নিরাপদ স্থান হিসেবে বেছে সিগারেটসহ বিভিন্ন প্রকার মাদকদ্রব্য সেবন করে প্রতিনিয়ত যুব সমাজ নষ্ট হচ্ছে। পরর্বতীতে ওই মার্কেটে এধরনের কার্যক্রম না হয়। সেজন্য সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয়রা।
মার্কেট মালিক জয়নাল আবেদীন বলেন, ছাদ পড়ে নেশাগ্রস্ত খোরশেদ আলমের মৃত্যু পর তার পরিবারের সাথে মিমাংসা করে মরদেহ দাফন করা হয়েছে।
ধুরইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেনের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, এবিষয়ে আমি কিছুই জানিনা। দাফনে পর শুনেছি।
মোহনপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হরিদাস মন্ডল বলেন, পুলিশকে না জানিয়ে রাতেই নিহত খোরশেদ আলমের মরদেহ দাফন করা হয়েছে। শুক্রনার সকালে শুনার পর বিষয়টি পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠিয়ে বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে।



















