ঢাকা ০৯:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব সংকটে জিয়ার পরিবার বাংলাদেশের মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে- সংসদের হুইপ দুলু গত ১৭ বছরে দুর্বিত্তায়নের রাজনীতি রাষ্ট্রের অবসান, সন্ত্রাসী অপরাধী চক্র নির্মূল হবে- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হবিগঞ্জে ১ মাস পূর্বের লুডু খেলাকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের তুমুল সংঘ’র্ষ, আহত ২০ রাজশাহীতে শহীদ জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদতবার্ষিকী পালিত বাগাতিপাড়ায় ট্রেনের ধা/ক্কা/য় মা’নসিক ভা’রসাম্যহীন ব্যক্তির মৃ-ত্যু বাগাতিপাড়ায় ঈদ পুনর্মিলনী করেছে এসএসসি ২০০৩-০৪ ব্যাচ লালপুরে ডোবায় পড়ে দিনমজুরের মৃত্যু লালপুরে অটোরিকশা থেকে ছিটকে পড়ে রাজমিস্ত্রীর মৃত্যু বাগাতিপাড়ায় ঈদের ছুটিতে গ্রামে এসে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা দিলেন একই পরিবারের তিন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক আক্কেলপুরে জমিজমা বিরোধে যুবককে ছু/রি/কা/ঘা/তে হ’ত্যা

ভোটার তালিকায় মৃতঃ এবারও ভোট দিতে পারেননি শিক্ষক দিপেন্দ্র নাথ সাহা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:১৯:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ নভেম্বর ২০২১ ৪২৫ বার পড়া হয়েছে
চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নাটোর প্রতিনিধিঃ
নাটোরের লালপুর উপজেলার লালপুর শ্রী সুন্দরী পাইলট উচ্চবিদ্যালয়ের জ্যেষ্ঠ সহকারী শিক্ষক দিপেন্দ্র নাথ সাহা (৫২) তার ভোটার তালিকায় মৃত হয়ে থাকায় ভোট দিতে পারেননি।
২০১৫ সাল থেকে ইউনিয়ন পরিষদের ভোট দিতে গিয়ে তিনি তার ভোটার তালিকায় মৃত ব্যাক্তি হিসেবে তাকে ভোট দিতে দেওয়া হয়নি। ফলে তিনে বাড়ি ফিরে গিয়ে বিষয়টি সংশোধনের জন্য লালপুর উপজেলা নির্বাচন কার্যালয়ে গিয়ে জাতীয় পরিচয়পত্র ও ভোটার তালিকা সংশোধনের লিখিত আবেদন করেন। দীর্ঘ তিন বছর নির্বাচন অফিসে ঘোরাঘুরি করে ২০১৮ সালে জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন করে মৃত থেকে জীবিত হন তিনি। নির্বাচন কার্যালয় থেকে আশ্বস্ত করে বলা হয় তিনি আগামীতে ভোট দিতে পারবেন। ভোটার তালিকা সংশোধন হয়ে যাবে। কিন্তু রোবাবর অনুষ্ঠিত ইউপি নিবার্চনের দিন আবারও ভোট দিতে গিয়ে দেখেন তিনি মৃতের তালিকাতেই পড়ে আছেন। ফলে রোববারও ভোট দিতে পারেননি উপজেলার লালপুর ইউনিয়নের জোতদৈবকী গ্রামের বাসিন্দা দিপেন্দ্র নাথ সাহা। পর পর দুবার ভোট দিতে না পারায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন শিক্ষক দিপেন্দ্র নাথ সাহা। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ২০১৫ সালে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ভোট দিতে গিয়ে জানতে পারেন নির্বাচন কমিশনের কাগজপত্রে মৃত ব্যক্তির তালিকায় তাঁর নাম। ফলে কেন্দ্র থেকে ফিরে এসে লালপুর উপজেলা নির্বাচন কার্যালয়ে গিয়ে জাতীয় পরিচয়পত্র ও ভোটার তালিকা সংশোধনের লিখিত আবেদন করেন। দীর্ঘ তিন বছর নির্বাচন অফিসে ঘোরাঘুরি করে ২০১৮ সালে জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন করে মৃত থেকে জীবিত হন। কিন্তু সংশোধনের আবেদনের পর নিবার্চন কর্মকতার্দের আশ্বাসের পরও তিনি জীবিত হতে পারেননি। এবারও ভোট দিতে পারেননি। ফলে তিনি পর পর দুবার তার নাগরিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। শিক্ষক হিসেবে ভোট গ্রহণের দায়িত্বও পালন করেছেন কয়েকবার। অথচ জীবিত থেকেও তিনি মৃত ব্যক্তি হিসেবে ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়ায় তিনি ভোট দিতে পারেননি। শিক্ষক দিপেন্দ্র নাথ সাহা প্রশ্ন রেখে বলেন, তিনি আর কতদিন মৃত হয়ে ভোটার তালিকায় পড়ে থাকবেন। তিনি জানান,নির্বাচন কার্যালয় থেকে আশ্বস্ত করা হয়, ভোটার তালিকা সংশোধন হয়ে যাবে এবং তিনি ভোটও দিতে পারবেন। নিবার্চন অফিসে গিয়ে সংশোধনের আবেদন করেও ভোটার তালিকায় মৃত ব্যক্তির তালিকায় পড়ে রয়েছেন।
লালপুর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা হাসিব বিন সাহাব বলেন, সার্ভারে এনআইডি কার্ড সংশোধন করে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু ভোটার তালিকা কেন সংশোধন হলো না, তা তিনি বুঝতে পারছেন না। ভোটার তালিকা হালনাগাদ তিনিই করেছেন। ভোটের পর আমি খোঁজ নিয়ে এর কারণ জানার চেষ্টা করবেন বলে জানান তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ভোটার তালিকায় মৃতঃ এবারও ভোট দিতে পারেননি শিক্ষক দিপেন্দ্র নাথ সাহা

আপডেট সময় : ১২:১৯:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ নভেম্বর ২০২১

নাটোর প্রতিনিধিঃ
নাটোরের লালপুর উপজেলার লালপুর শ্রী সুন্দরী পাইলট উচ্চবিদ্যালয়ের জ্যেষ্ঠ সহকারী শিক্ষক দিপেন্দ্র নাথ সাহা (৫২) তার ভোটার তালিকায় মৃত হয়ে থাকায় ভোট দিতে পারেননি।
২০১৫ সাল থেকে ইউনিয়ন পরিষদের ভোট দিতে গিয়ে তিনি তার ভোটার তালিকায় মৃত ব্যাক্তি হিসেবে তাকে ভোট দিতে দেওয়া হয়নি। ফলে তিনে বাড়ি ফিরে গিয়ে বিষয়টি সংশোধনের জন্য লালপুর উপজেলা নির্বাচন কার্যালয়ে গিয়ে জাতীয় পরিচয়পত্র ও ভোটার তালিকা সংশোধনের লিখিত আবেদন করেন। দীর্ঘ তিন বছর নির্বাচন অফিসে ঘোরাঘুরি করে ২০১৮ সালে জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন করে মৃত থেকে জীবিত হন তিনি। নির্বাচন কার্যালয় থেকে আশ্বস্ত করে বলা হয় তিনি আগামীতে ভোট দিতে পারবেন। ভোটার তালিকা সংশোধন হয়ে যাবে। কিন্তু রোবাবর অনুষ্ঠিত ইউপি নিবার্চনের দিন আবারও ভোট দিতে গিয়ে দেখেন তিনি মৃতের তালিকাতেই পড়ে আছেন। ফলে রোববারও ভোট দিতে পারেননি উপজেলার লালপুর ইউনিয়নের জোতদৈবকী গ্রামের বাসিন্দা দিপেন্দ্র নাথ সাহা। পর পর দুবার ভোট দিতে না পারায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন শিক্ষক দিপেন্দ্র নাথ সাহা। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ২০১৫ সালে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ভোট দিতে গিয়ে জানতে পারেন নির্বাচন কমিশনের কাগজপত্রে মৃত ব্যক্তির তালিকায় তাঁর নাম। ফলে কেন্দ্র থেকে ফিরে এসে লালপুর উপজেলা নির্বাচন কার্যালয়ে গিয়ে জাতীয় পরিচয়পত্র ও ভোটার তালিকা সংশোধনের লিখিত আবেদন করেন। দীর্ঘ তিন বছর নির্বাচন অফিসে ঘোরাঘুরি করে ২০১৮ সালে জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন করে মৃত থেকে জীবিত হন। কিন্তু সংশোধনের আবেদনের পর নিবার্চন কর্মকতার্দের আশ্বাসের পরও তিনি জীবিত হতে পারেননি। এবারও ভোট দিতে পারেননি। ফলে তিনি পর পর দুবার তার নাগরিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। শিক্ষক হিসেবে ভোট গ্রহণের দায়িত্বও পালন করেছেন কয়েকবার। অথচ জীবিত থেকেও তিনি মৃত ব্যক্তি হিসেবে ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়ায় তিনি ভোট দিতে পারেননি। শিক্ষক দিপেন্দ্র নাথ সাহা প্রশ্ন রেখে বলেন, তিনি আর কতদিন মৃত হয়ে ভোটার তালিকায় পড়ে থাকবেন। তিনি জানান,নির্বাচন কার্যালয় থেকে আশ্বস্ত করা হয়, ভোটার তালিকা সংশোধন হয়ে যাবে এবং তিনি ভোটও দিতে পারবেন। নিবার্চন অফিসে গিয়ে সংশোধনের আবেদন করেও ভোটার তালিকায় মৃত ব্যক্তির তালিকায় পড়ে রয়েছেন।
লালপুর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা হাসিব বিন সাহাব বলেন, সার্ভারে এনআইডি কার্ড সংশোধন করে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু ভোটার তালিকা কেন সংশোধন হলো না, তা তিনি বুঝতে পারছেন না। ভোটার তালিকা হালনাগাদ তিনিই করেছেন। ভোটের পর আমি খোঁজ নিয়ে এর কারণ জানার চেষ্টা করবেন বলে জানান তিনি।