ঢাকা ০৯:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গোমস্তাপুরে মহানন্দা নদী থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার বাগাতিপাড়ায় গৃহবধূকে সং/ঘব/দ্ধ ধ/র্ষ/ণে/র অভিযোগ, থানায় মামলা পুঠিয়ার পশুর হাটে অতিরিক্ত হাসিল আদায়ের অভিযোগে প্রশাসনের অভিযান টাঙ্গাইলে রডবোঝাই ট্রাক খাদে উ/ল্টে নিহত ১৫, আহত অন্তত ১০ সিংড়ায় চোরের কাছ থেকে ফ্রিজ কেনার অভিযোগ এসআইয়ের বিরুদ্ধে মান্দায় ৪৫ দিনের শি’শুকে বি-ষ খাইয়ে হ/ত্যা/চেষ্টার অভিযোগ নলডাঙ্গায় ট্রাকচা/পা/য় ভাঙারি ব্যবসায়ী নি’হ’ত, আহত ১ শেরপুরে প্রবাসী পরিবারের বাড়িতে হা/ম/লা-ভা/ঙ/চু/র ও লু’টপা’টের অভিযোগ, আদালতে মামলা বাগাতিপাড়ায় শি’শু ও নারী নি/র্যা/তনের প্রতিবাদে র‌্যালি ও মানববন্ধন ১৩ বছরেও পূর্ণাঙ্গ চালু হয়নি মালঞ্চি রেলস্টেশন, চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসীণৃ্

রামেক হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ৭২ ঘন্টা কর্মবিরতির ঘোষণা!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:১৭:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অক্টোবর ২০২২ ১৪৭ বার পড়া হয়েছে

রামেক চিকিৎসকদের ৭২ ঘন্টা কর্মবিরতির

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রামেক হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের
৭২ ঘন্টা কর্মবিরতির ঘোষণা!

এম এম মামুন, রাজশাহী ব্যুরো:

রামেক হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ৭২ ঘন্টা কর্মবিরতির ঘোষণা! রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষার্থী কে জি এম শাহরিয়ারের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে সংঘর্ষের প্রতিবাদে ডাকা কর্মবিরতি স্থগিত করে কাজে যোগদান করেছিলেন হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। কিন্তু তাদের বেঁধে দেওয়া দাবি গুলো পূরণ না হওয়ায় শনিবার মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশে আবারও চিকিৎসকরা ৭২ ঘন্টার আল্টিমেটাম দিয়ে কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়েছেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা।

শনিবার (২২ অক্টোবর) দুপুরে রামেক হাসপাতালের সামনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা পুনোরায় কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়েছেন।
ইন্টার্ন পরিষদের আয়োজনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, হাসপাতাল পরিচালনা পরিষদের সভাপতি ও রাজশাহী-২ (সদর) আসনের এমপি ফজলে হোসেন বাদশা, রাজশাহী মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ও বিএমএর সাধারণ সম্পাদক নওশের আলী, হাসপাতালের পরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল ডা. শামীম ইয়াজদানী, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি ও মেডিসিন বিভাগের প্রধান ডা. খলিলুর রহমান।

আগামী ২৬ অক্টোবর হাসপাতালের পরিচালনা পরিষদের জরুরী সভার আহবানের ঘোষণা দিয়ে সমাবেশে সাংসদ ফজলে হোসেন বাদশা বলেন, ওই সময় সেদিনের ঘটনা পর্যালচনা করা হবে। এর পর পরবর্তি করনিয় বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহন করবে হাসপাতাল পরিচালনা পরিষদ। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দায়ের করা অভিযোগ মামলা হিসেবে রেকর্ড না করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন সাংসদ বাদশা। তিনি রাবি ছাত্রের মৃত্যুর কারণ উৎঘাটন এবং হাসপাতালে হামলাকারি তারা কারা তাদের শনাক্ত করার জন্য পুলিশের প্রতি আহবান জানান।

ইন্টার্নি পরিষদের আয়োজনে বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, হাসপাতাল পরিচালনা পরিষদের সভাপতি ও রাজশাহী-২ (সদর) আসনের এমপি ফজলে হোসেন বাদশা, রাজশাহী মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ও বিএমএর সাধারণ সম্পাদক নওশের আলী, হাসপাতালের পরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল ডা. শামীম ইয়াজদানী, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি ও মেডিসিন বিভাগের প্রধান ডা. খলিলুর রহমান।
রামেক হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি ডা. মো. ইমরান হোসেন জানান, রোগীদের চিকিৎসার বিষয় মাথায় রেখে তারা কর্মবিরতি স্থগিত করেছিলেন তারা। কিন্তু ২৪ ঘন্টা অতিবাহিত হলেও তাদের দেওয়া দাবিগুলো পূরন করা হয়নি।

মানববন্ধনে ডা. ইমরান হোসেন বলেন, “হাসপাতালে হামলার ঘটনায় অভিযুক্তদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আইনের আওতায় আনার কথা বলেছিলেন প্রশাসন। এ ছাড়া হাসপাতালে চিকিৎসকসহ সবার সার্বিক নিরাপত্তার কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু ২৪ ঘণ্টা অতিবাহিত হলেও কোন প্রকার দাবি পূরণ করা হয়নি। তাই ৭২ ঘন্টার আল্টিমেটার দিয়ে কর্মবিরতির ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। “বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যে যদি তাদের দাবি-দাওয়া পূরণ না করা হয়, পরবর্তী কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।”
এদিকে, চিকিৎসকদের ওপর হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে নগরীর রাজপাড়া থানায় অভিযোগ করা হয়েছে। হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত প্রশাসনিক কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন বাদী হয়ে রাজপাড়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন শতাধিক ছাত্রকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত কাউকে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে পারিনি পুলিশ।

রামেক হাসপাতালের পরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল শামীম ইয়াজদানি বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র কীভাবে মারা গেছেন তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ময়নাতদন্ত ছাড়াই তারা লাশ নিয়ে গেছে। যেহেতু হাসপাতালে হামলা হয়েছে এবং ভাঙচুর করা হয় তাই পরিবর্তী নিরাপত্তার জন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে একটি মামলা করে রাখা হয়েছে।”
গত বুধবার রাত ৮টার দিকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ হবিবুর রহমান হলের চারতলার ছাদ থেকে পড়ে আহত হন মার্কেটিং বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র শাহরিয়ার। পরে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ৮নং ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। রাত ৯টার দিকে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তবে পৌনে এক ঘণ্টা হাসপাতালে থাকলেও শাহরিয়ারকে কোনো চিকিৎসা দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ তুলে হাসপাতালে ভাঙচুর চালিয়ে দুই চিকিৎসককে অবরুদ্ধ করে রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এ সময় হাসপাতালের আনসার সদস্য ও ইন্টার্ন চিকিৎসকদের সঙ্গে রাবি শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ এবং ধাওয়া পাল্টা-ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে রাবির পাঁচ শিক্ষার্থী আহত হন।

চিকিৎসায় অবহেলা ও শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় জড়িতদের শাস্তি এবং আহত শিক্ষার্থীদের চিকিৎসার ব্যবস্থার দাবিতে হাসপাতালের সামনে অবস্থান নেন রাবি শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা তিন দফা দাবি আদায়ে বিক্ষোভ করে। রাত ২টার দিকে তদন্ত কমিটি গঠন ও দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার আশ্বাস দিলে হাসপাতাল ত্যাগ করেন রাবি শিক্ষার্থীরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

রামেক হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ৭২ ঘন্টা কর্মবিরতির ঘোষণা!

আপডেট সময় : ০১:১৭:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অক্টোবর ২০২২

রামেক হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের
৭২ ঘন্টা কর্মবিরতির ঘোষণা!

এম এম মামুন, রাজশাহী ব্যুরো:

রামেক হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ৭২ ঘন্টা কর্মবিরতির ঘোষণা! রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষার্থী কে জি এম শাহরিয়ারের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে সংঘর্ষের প্রতিবাদে ডাকা কর্মবিরতি স্থগিত করে কাজে যোগদান করেছিলেন হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। কিন্তু তাদের বেঁধে দেওয়া দাবি গুলো পূরণ না হওয়ায় শনিবার মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশে আবারও চিকিৎসকরা ৭২ ঘন্টার আল্টিমেটাম দিয়ে কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়েছেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা।

শনিবার (২২ অক্টোবর) দুপুরে রামেক হাসপাতালের সামনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা পুনোরায় কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়েছেন।
ইন্টার্ন পরিষদের আয়োজনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, হাসপাতাল পরিচালনা পরিষদের সভাপতি ও রাজশাহী-২ (সদর) আসনের এমপি ফজলে হোসেন বাদশা, রাজশাহী মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ও বিএমএর সাধারণ সম্পাদক নওশের আলী, হাসপাতালের পরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল ডা. শামীম ইয়াজদানী, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি ও মেডিসিন বিভাগের প্রধান ডা. খলিলুর রহমান।

আগামী ২৬ অক্টোবর হাসপাতালের পরিচালনা পরিষদের জরুরী সভার আহবানের ঘোষণা দিয়ে সমাবেশে সাংসদ ফজলে হোসেন বাদশা বলেন, ওই সময় সেদিনের ঘটনা পর্যালচনা করা হবে। এর পর পরবর্তি করনিয় বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহন করবে হাসপাতাল পরিচালনা পরিষদ। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দায়ের করা অভিযোগ মামলা হিসেবে রেকর্ড না করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন সাংসদ বাদশা। তিনি রাবি ছাত্রের মৃত্যুর কারণ উৎঘাটন এবং হাসপাতালে হামলাকারি তারা কারা তাদের শনাক্ত করার জন্য পুলিশের প্রতি আহবান জানান।

ইন্টার্নি পরিষদের আয়োজনে বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, হাসপাতাল পরিচালনা পরিষদের সভাপতি ও রাজশাহী-২ (সদর) আসনের এমপি ফজলে হোসেন বাদশা, রাজশাহী মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ও বিএমএর সাধারণ সম্পাদক নওশের আলী, হাসপাতালের পরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল ডা. শামীম ইয়াজদানী, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি ও মেডিসিন বিভাগের প্রধান ডা. খলিলুর রহমান।
রামেক হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি ডা. মো. ইমরান হোসেন জানান, রোগীদের চিকিৎসার বিষয় মাথায় রেখে তারা কর্মবিরতি স্থগিত করেছিলেন তারা। কিন্তু ২৪ ঘন্টা অতিবাহিত হলেও তাদের দেওয়া দাবিগুলো পূরন করা হয়নি।

মানববন্ধনে ডা. ইমরান হোসেন বলেন, “হাসপাতালে হামলার ঘটনায় অভিযুক্তদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আইনের আওতায় আনার কথা বলেছিলেন প্রশাসন। এ ছাড়া হাসপাতালে চিকিৎসকসহ সবার সার্বিক নিরাপত্তার কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু ২৪ ঘণ্টা অতিবাহিত হলেও কোন প্রকার দাবি পূরণ করা হয়নি। তাই ৭২ ঘন্টার আল্টিমেটার দিয়ে কর্মবিরতির ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। “বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যে যদি তাদের দাবি-দাওয়া পূরণ না করা হয়, পরবর্তী কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।”
এদিকে, চিকিৎসকদের ওপর হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে নগরীর রাজপাড়া থানায় অভিযোগ করা হয়েছে। হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত প্রশাসনিক কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন বাদী হয়ে রাজপাড়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন শতাধিক ছাত্রকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত কাউকে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে পারিনি পুলিশ।

রামেক হাসপাতালের পরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল শামীম ইয়াজদানি বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র কীভাবে মারা গেছেন তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ময়নাতদন্ত ছাড়াই তারা লাশ নিয়ে গেছে। যেহেতু হাসপাতালে হামলা হয়েছে এবং ভাঙচুর করা হয় তাই পরিবর্তী নিরাপত্তার জন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে একটি মামলা করে রাখা হয়েছে।”
গত বুধবার রাত ৮টার দিকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ হবিবুর রহমান হলের চারতলার ছাদ থেকে পড়ে আহত হন মার্কেটিং বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র শাহরিয়ার। পরে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ৮নং ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। রাত ৯টার দিকে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তবে পৌনে এক ঘণ্টা হাসপাতালে থাকলেও শাহরিয়ারকে কোনো চিকিৎসা দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ তুলে হাসপাতালে ভাঙচুর চালিয়ে দুই চিকিৎসককে অবরুদ্ধ করে রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এ সময় হাসপাতালের আনসার সদস্য ও ইন্টার্ন চিকিৎসকদের সঙ্গে রাবি শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ এবং ধাওয়া পাল্টা-ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে রাবির পাঁচ শিক্ষার্থী আহত হন।

চিকিৎসায় অবহেলা ও শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় জড়িতদের শাস্তি এবং আহত শিক্ষার্থীদের চিকিৎসার ব্যবস্থার দাবিতে হাসপাতালের সামনে অবস্থান নেন রাবি শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা তিন দফা দাবি আদায়ে বিক্ষোভ করে। রাত ২টার দিকে তদন্ত কমিটি গঠন ও দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার আশ্বাস দিলে হাসপাতাল ত্যাগ করেন রাবি শিক্ষার্থীরা।