ঢাকা ১১:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সিংড়ায় চোরের কাছ থেকে ফ্রিজ কেনার অভিযোগ এসআইয়ের বিরুদ্ধে মান্দায় ৪৫ দিনের শি’শুকে বি-ষ খাইয়ে হ/ত্যা/চেষ্টার অভিযোগ নলডাঙ্গায় ট্রাকচা/পা/য় ভাঙারি ব্যবসায়ী নি’হ’ত, আহত ১ শেরপুরে প্রবাসী পরিবারের বাড়িতে হা/ম/লা-ভা/ঙ/চু/র ও লু’টপা’টের অভিযোগ, আদালতে মামলা বাগাতিপাড়ায় শি’শু ও নারী নি/র্যা/তনের প্রতিবাদে র‌্যালি ও মানববন্ধন ১৩ বছরেও পূর্ণাঙ্গ চালু হয়নি মালঞ্চি রেলস্টেশন, চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসীণৃ্ পঞ্চগড়ে আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ সপ্তাহে মানববন্ধন, ১৪ বছর পর ছেলের খোঁজে মায়ের আকুতি রায়গঞ্জের হাটপাঙ্গাসীতে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট গোদাগাড়ীতে জেলা পরিষদের উদ্যোগে ৮০ দুস্থ পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ রাজশাহীতে সাংবাদিকদের মামলা প্রত্যাহার ও ধর্ষণ-হত্যার দ্রুত বিচার দাবিতে মানববন্ধন

রাবিতে চিকিৎসা মনোবিজ্ঞান বিভাগের সভাপতির পদত্যাগ দাবিতে অনশন, ৫ শিক্ষার্থী অসুস্থ

এম এম মামুন:
  • আপডেট সময় : ১১:৫১:৩৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫ ৭২৩ বার পড়া হয়েছে

collected

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাবিতে চিকিৎসা মনোবিজ্ঞান বিভাগের সভাপতির পদত্যাগ দাবিতে অনশন, ৫ শিক্ষার্থী অসুস্থ

এক দফা দাবি-বহিরাগত সভাপতির অপসারণ; প্রশাসনের আশ্বাসে অনড় শিক্ষার্থীরা

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) চিকিৎসা মনোবিজ্ঞান বিভাগের সভাপতি পদত্যাগের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আমরণ অনশন চলছে টানা ২১ ঘণ্টা ধরে। এতে পাঁচ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। গুরুতর অবস্থায় দুইজনকে স্যালাইন দেওয়া হয়েছে। এর আগে টানা চার দিন ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জন করে শাটডাউন কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষার্থীরা।

রোববার (২৬ অক্টোবর) দুপুর থেকে বিভাগের শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক ভবনের সামনে অনশন শুরু করেন। সোমবার (২৭ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে অসুস্থ শিক্ষার্থীদের চিকিৎসা দেওয়া হয়।

এ সময় উপাচার্য অধ্যাপক সালেহ হাসান নকীব অনশনস্থলে গিয়ে অসুস্থ শিক্ষার্থীদের খোঁজ নেন এবং দ্রুত সমস্যার সমাধানের আশ্বাস দেন। তবে শিক্ষার্থীরা জানান, প্রশাসন কেবল আশ্বাস দিচ্ছে, বাস্তব পদক্ষেপ নিচ্ছে না।

অনশনরত শিক্ষার্থীরা হলেন-১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের মো. সুমন আলী, ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের ইকরা, একই বিভাগের হুমাইরা, ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের ইমন ও ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের সাদিক।

২০১৭-১৮ সেশনের শিক্ষার্থী রাইসুল মাহমুদ বলেন, “আমাদের এক দফা দাবি-বহিরাগত সভাপতির অপসারণ। আমরা চাই, বিভাগের সভাপতি হবেন আমাদেরই বিভাগের শিক্ষক। প্রশাসন গতকাল আমাদের সঙ্গে বসেছিল, কিন্তু তারা বহিরাগত চেয়ারম্যানকে বহাল রাখার পক্ষে। তাই আমরা অনশনে বসেছি এবং দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।”

১৯-২০ সেশনের জান্নাত জামান বলেন, “প্রশাসন সময় চাইছে, কিন্তু কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না। আমরা সভাপতির অপসারণ না হওয়া পর্যন্ত অনশন চালিয়ে যাব।”

এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক সালেহ হাসান নকীব বলেন, “আমি চাই সব বিভাগ ভালোভাবে চলুক। আমরা সমাধান খুঁজছি, তবে এসব বিষয়ে কিছুটা সময় লাগে। আশা করছি দ্রুত সমাধান হবে।”

প্রসঙ্গত, গত রোববার দুপুরে উপাচার্যের সঙ্গে আলোচনায় বসেও সমাধান না মেলায় শিক্ষার্থীরা আমরণ অনশনের ঘোষণা দেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

রাবিতে চিকিৎসা মনোবিজ্ঞান বিভাগের সভাপতির পদত্যাগ দাবিতে অনশন, ৫ শিক্ষার্থী অসুস্থ

আপডেট সময় : ১১:৫১:৩৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫

রাবিতে চিকিৎসা মনোবিজ্ঞান বিভাগের সভাপতির পদত্যাগ দাবিতে অনশন, ৫ শিক্ষার্থী অসুস্থ

এক দফা দাবি-বহিরাগত সভাপতির অপসারণ; প্রশাসনের আশ্বাসে অনড় শিক্ষার্থীরা

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) চিকিৎসা মনোবিজ্ঞান বিভাগের সভাপতি পদত্যাগের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আমরণ অনশন চলছে টানা ২১ ঘণ্টা ধরে। এতে পাঁচ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। গুরুতর অবস্থায় দুইজনকে স্যালাইন দেওয়া হয়েছে। এর আগে টানা চার দিন ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জন করে শাটডাউন কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষার্থীরা।

রোববার (২৬ অক্টোবর) দুপুর থেকে বিভাগের শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক ভবনের সামনে অনশন শুরু করেন। সোমবার (২৭ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে অসুস্থ শিক্ষার্থীদের চিকিৎসা দেওয়া হয়।

এ সময় উপাচার্য অধ্যাপক সালেহ হাসান নকীব অনশনস্থলে গিয়ে অসুস্থ শিক্ষার্থীদের খোঁজ নেন এবং দ্রুত সমস্যার সমাধানের আশ্বাস দেন। তবে শিক্ষার্থীরা জানান, প্রশাসন কেবল আশ্বাস দিচ্ছে, বাস্তব পদক্ষেপ নিচ্ছে না।

অনশনরত শিক্ষার্থীরা হলেন-১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের মো. সুমন আলী, ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের ইকরা, একই বিভাগের হুমাইরা, ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের ইমন ও ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের সাদিক।

২০১৭-১৮ সেশনের শিক্ষার্থী রাইসুল মাহমুদ বলেন, “আমাদের এক দফা দাবি-বহিরাগত সভাপতির অপসারণ। আমরা চাই, বিভাগের সভাপতি হবেন আমাদেরই বিভাগের শিক্ষক। প্রশাসন গতকাল আমাদের সঙ্গে বসেছিল, কিন্তু তারা বহিরাগত চেয়ারম্যানকে বহাল রাখার পক্ষে। তাই আমরা অনশনে বসেছি এবং দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।”

১৯-২০ সেশনের জান্নাত জামান বলেন, “প্রশাসন সময় চাইছে, কিন্তু কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না। আমরা সভাপতির অপসারণ না হওয়া পর্যন্ত অনশন চালিয়ে যাব।”

এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক সালেহ হাসান নকীব বলেন, “আমি চাই সব বিভাগ ভালোভাবে চলুক। আমরা সমাধান খুঁজছি, তবে এসব বিষয়ে কিছুটা সময় লাগে। আশা করছি দ্রুত সমাধান হবে।”

প্রসঙ্গত, গত রোববার দুপুরে উপাচার্যের সঙ্গে আলোচনায় বসেও সমাধান না মেলায় শিক্ষার্থীরা আমরণ অনশনের ঘোষণা দেন।