ঢাকা ০৮:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নলডাঙ্গায় গভীর রাতে বসতবাড়িতে আ/গু/ন, পু/ড়ে মারা গেল ৬ ছাগলের বাচ্চা মান্দায় পাচারকালে ৪৫ বস্তা রাসায়নিক সার আটক রাজশাহীতে পত্রিকা অফিসে আগুন, পুড়ে গেছে ১৬ বছরের সংরক্ষিত কপি রাজশাহী নগরীতে হাম-রুবেলা টিকা পাবে ৫৪ হাজার ১৪৪ শিশু, শুরু ২০ এপ্রিল রাজশাহী মেডিকেলে ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে ২৪ শিশু ভর্তি নাটোরে সাবেক বিএনপি নেতার ওপর হা/ম/লা, অভিযুক্তদের বিচার দাবি রাজশাহীতে চিকিৎসকদের অতিরিক্ত ফি নিয়ন্ত্রণসহ ৬ দফা দাবিতে স্মারকলিপি রাজশাহীতে শিশু আদিব হ/ত্যা মা’মলার আসামিদের গ্রে’প্তারের দাবিতে মানববন্ধন আনসার খেলোয়াড়দের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ: অভিযুক্ত রায়হান, কোরবান ও নির্মল জনবল সংকটে পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ে অচল, বন্ধ ৪৩ ট্রেন ও ৬৭ স্টেশন

রাণীশংকৈলে চাষ হচ্ছে হাইব্রিড কচুর লতি!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৩৭:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ মে ২০২৩ ১৮৫ বার পড়া হয়েছে

হাইব্রিড কচুর লতি চষ করে কৃষক লাভবান হচ্ছে

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাণীশংকৈলে চাষ হচ্ছে হাইব্রিড কচুর লতি!

নাজমুল হোসেন, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
রাণীশংকৈলে চাষ হচ্ছে হাইব্রিড কচুর লতি! ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার কৃষি অধিদপ্তরের বিভিন্ন ব্লকে কন্দাল ফসল উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় চাষ হয়েছে বারি জাতের লতি কচু।বর্তমানে দেশে বেশ কয়েক প্রকার কচুর লতির জাত রয়েছে। এসব জাতের মধ্যে ‍উদ্ভাবিত বারি পানি কচু-১ এবং বারি পানি কচু-২ উল্লেখযোগ্য। উন্নত এ জাতের লতি লম্বা ও বেশ মোটা এবং গিটযুক্ত মাংস দ্রুত গলে যায়। তবে বিভিন্ন এলাকায় মানুষের মুখে স্বাদ যুক্তের কারণে বাজারে চাহিদাও বেশি হয়। অর্থকরী ফসল হিসেবে এই সবজি বেশ লাভজনক বটে। উপজেলায় এবার ১২ টি ব্লকে ৬ হেক্টর জমিতে বারি জাতের এ লতি কচুর চাষ হয়েছে।
বারঘরিয়া ব্লকে কৃষক আব্দুল আলীম ২০ শতক জমিতে কৃষি বিভাগের পরামর্শে পানি কচু-২ চাষ করেছেন। তিনি বলেন, এ লতি কচুর ফলন ভালো, বাজারেও এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। জমি থেকেই পাইকাররা ৭০-৮০ টাকা কেজিতে কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। ইতোমধ্যে ৩৫ হাজার টাকার লতি বিক্রি করেছি। আশা করছি আগামী তিন মাসে আরও ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকার লতি বিক্রি করতে পারবো।

লেহেম্বা ব্লকে কৃষক হামিদুর রহমান প্রথমবারের মতো পানি কচু-২ চাষ করেছেন। তার মতে, এ কচু লতির চাষ ধান চাষের চেয়েও অনেক লাভজনক। প্রকল্পের আওতায় এবং কৃষি বিভাগের পরামর্শে তিনি চাষ করে লাভবান হয়েছেন।
উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন জানান, পানিকচু ও লতিকচু অনেক সুস্বাদু একটি সবজি। এর বাজারদর বেশ ভালো থাকে। বর্তমান বাজারে ৭০-৮০ টাকা কেজিতে অনায়াসে বিক্র করা হচ্ছে এসব কচুর লতি।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সঞ্জয় দেবনাথ জানান, কচুর লতি অনেক সুস্বাদু একটি সবজি ফলনও বেশি হয়। এ জাতের কচুর লতি চাষে বিঘা প্রতি খরচ হয় ১০-১৫ হাজার টাকা। আর মৌসুম শেষে বিঘা প্রতি লাভ হয় প্রায় ৭০-৮০ হাজার টাকা। এটি চাষ কেবল আর্থিক ভাবে লাভজনক নয়, আয়রন সমৃদ্ধ সবজি যা শিশু এবং গর্ভবতী মায়েদের পুষ্টি নিরাপত্তায় দারুণ ভূমিকা রাখে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

রাণীশংকৈলে চাষ হচ্ছে হাইব্রিড কচুর লতি!

আপডেট সময় : ০৬:৩৭:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ মে ২০২৩

রাণীশংকৈলে চাষ হচ্ছে হাইব্রিড কচুর লতি!

নাজমুল হোসেন, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
রাণীশংকৈলে চাষ হচ্ছে হাইব্রিড কচুর লতি! ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার কৃষি অধিদপ্তরের বিভিন্ন ব্লকে কন্দাল ফসল উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় চাষ হয়েছে বারি জাতের লতি কচু।বর্তমানে দেশে বেশ কয়েক প্রকার কচুর লতির জাত রয়েছে। এসব জাতের মধ্যে ‍উদ্ভাবিত বারি পানি কচু-১ এবং বারি পানি কচু-২ উল্লেখযোগ্য। উন্নত এ জাতের লতি লম্বা ও বেশ মোটা এবং গিটযুক্ত মাংস দ্রুত গলে যায়। তবে বিভিন্ন এলাকায় মানুষের মুখে স্বাদ যুক্তের কারণে বাজারে চাহিদাও বেশি হয়। অর্থকরী ফসল হিসেবে এই সবজি বেশ লাভজনক বটে। উপজেলায় এবার ১২ টি ব্লকে ৬ হেক্টর জমিতে বারি জাতের এ লতি কচুর চাষ হয়েছে।
বারঘরিয়া ব্লকে কৃষক আব্দুল আলীম ২০ শতক জমিতে কৃষি বিভাগের পরামর্শে পানি কচু-২ চাষ করেছেন। তিনি বলেন, এ লতি কচুর ফলন ভালো, বাজারেও এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। জমি থেকেই পাইকাররা ৭০-৮০ টাকা কেজিতে কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। ইতোমধ্যে ৩৫ হাজার টাকার লতি বিক্রি করেছি। আশা করছি আগামী তিন মাসে আরও ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকার লতি বিক্রি করতে পারবো।

লেহেম্বা ব্লকে কৃষক হামিদুর রহমান প্রথমবারের মতো পানি কচু-২ চাষ করেছেন। তার মতে, এ কচু লতির চাষ ধান চাষের চেয়েও অনেক লাভজনক। প্রকল্পের আওতায় এবং কৃষি বিভাগের পরামর্শে তিনি চাষ করে লাভবান হয়েছেন।
উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন জানান, পানিকচু ও লতিকচু অনেক সুস্বাদু একটি সবজি। এর বাজারদর বেশ ভালো থাকে। বর্তমান বাজারে ৭০-৮০ টাকা কেজিতে অনায়াসে বিক্র করা হচ্ছে এসব কচুর লতি।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সঞ্জয় দেবনাথ জানান, কচুর লতি অনেক সুস্বাদু একটি সবজি ফলনও বেশি হয়। এ জাতের কচুর লতি চাষে বিঘা প্রতি খরচ হয় ১০-১৫ হাজার টাকা। আর মৌসুম শেষে বিঘা প্রতি লাভ হয় প্রায় ৭০-৮০ হাজার টাকা। এটি চাষ কেবল আর্থিক ভাবে লাভজনক নয়, আয়রন সমৃদ্ধ সবজি যা শিশু এবং গর্ভবতী মায়েদের পুষ্টি নিরাপত্তায় দারুণ ভূমিকা রাখে।