রাজশাহীতে মহিলা দলের দুই কর্মীকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ জামায়াতকর্মীর বিরুদ্ধে
- আপডেট সময় : ০৩:৫১:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৫ ১১৯ বার পড়া হয়েছে

রাজশাহীতে মহিলা দলের দুই কর্মীকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ জামায়াতকর্মীর বিরুদ্ধে
রাজশাহীতে ধানের শীষের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা চালানোর কারণে মহিলা দলের দুই কর্মীকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে জামায়াতের এক কর্মীর বিরুদ্ধে। অভিযোগে বলা হয়েছে, এক নারীকে স্যান্ডেল খুলে মারধর এবং অন্যজনকে লাথি মারা হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটেছে গত মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় রাজশাহীর পবা উপজেলার আশরাফের মোড় এলাকায়।
ভুক্তভোগী দুই কর্মী হলেন—নিলুফা ইয়াসমিন ও তাঁর বোন নূরবানু বেগম।
অভিযুক্ত জামায়াতকর্মী নুরুল ইসলাম (৫৫) পবার রনহাট গ্রামের বাসিন্দা।
লাঞ্ছিত হওয়ার পর রাতেই ভুক্তভোগী নূরবানু রাজশাহীর কাটাখালী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) রাজশাহী নগরীর একটি রেস্তোরাঁয় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তারা অভিযুক্তের বিচার দাবি করেন।
হরিয়ান ইউনিয়ন বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের ব্যানারে আয়োজিত ওই সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন-রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনের বিএনপি প্রার্থী শফিকুল হক মিলন, কৃষকদলের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক মাহমুদা হাবিবা, নগর বিএনপির সহ-সভাপতি আবুল কালাম আজাদ সুইট, এবং পবা উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব প্রফেসর আব্দুল রাজ্জাক, যিনি লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, “১১ নভেম্বর প্রচারণা শেষে ফেরার পথে নিলুফা ও নূরবানুকে নুরুল ইসলাম ডেকে জামায়াতের প্রার্থীর পক্ষে কাজ করতে বলেন। রাজি না হলে তিনি অকথ্য ভাষায় গালাগাল করেন এবং পরবর্তীতে হামলা চালান।”
ভুক্তভোগী নিলুফা ইয়াসমিন বলেন, “নুরুল প্রথমে স্যান্ডেল খুলে আমাকে মারতে শুরু করেন এবং আমার বোনকে ঘাড়ে আঘাত করেন। পরে আমার পেটে লাথি মারেন। আমরা এর বিচার চাই।”
বিএনপি প্রার্থী শফিকুল হক মিলন বলেন, “রাজনৈতিক পার্থক্য থাকলেও নাগরিক নিরাপত্তা অক্ষুণ্ণ রাখতে হবে। জোর করে কাউকে অন্য দলের হয়ে প্রচারণায় বাধ্য করা অমানবিক ও বেআইনি।”
অভিযুক্ত নুরুল ইসলাম দাবি করেন, “ওরা আগে আওয়ামী লীগের হয়ে ভোট করেছে, এখন বিএনপির হয়ে করছে। এ নিয়ে তর্কাতর্কি হয়েছিল, আমি শুধু একবার ধাক্কা দিয়েছিলাম—এর বেশি কিছু না।”
কাটাখালী থানার ওসি আবদুল মতিন বলেন, “নূরবানু বেগম যে জিডি করেছেন তা আদালতে পাঠানো হয়েছে। আদালতের নির্দেশ পেলে তদন্ত শুরু করা হবে।”




















