রাঙ্গামাটির সাজেকে পাহাড় ধস, সাড়ে ছয় ঘন্টার পর যানচলাচল স্বাভাবিক!
- আপডেট সময় : ১১:৫৭:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ অক্টোবর ২০২২ ১৭৬ বার পড়া হয়েছে

রাঙ্গামাটির সাজেকে পাহাড় ধস, সাড়ে ছয় ঘন্টার পর যানচলাচল স্বাভাবিক!
মহুয়া জান্নাত মনি, রাঙ্গামাটি প্রতিনিধিঃ
রাঙ্গামাটির সাজেকে পাহাড় ধস, সাড়ে ছয় ঘন্টার পর যানচলাচল স্বাভাবিক! রাঙ্গামাটির সাজেকে যাওয়ার পথে নন্দারাম নামক স্থানে অতিবৃষ্টিতে সড়কে পাহাড় ধসের ঘটনায় সাড়ে ছয় ঘন্টা যানচলাচল বন্ধ ছিল। সেনাবাহিনীর সহায়তায় দীর্ঘ সাড়ে ছয় ঘন্টা পর যান চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুমানা আকতার।
রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেকের নন্দারাম এলাকায় অতিবৃষ্টিতে পাহাড় ধসে সাজেক-খাগড়াছড়ি প্রধান সড়কে পাহাড়ের বেশ বড় অংশ ধ্বসের কারণে বুধবার (৫ অক্টোবর) সকাল থেকে সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। প্রধান সড়কের উপর পাহাড় ধসের ঘটনায় রাস্তার দুই পাশে আটকা পড়ে কয়েক হাজার পর্যটক। মঙ্গলবার রাতে ভারী বৃষ্টিপাতের কারনে এই পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর পরই সড়ক থেকে মাটি সরাতে সকাল থেকে সেনাবাহিনী কাজ শুরু করে। প্রায় সাড়ে ছয় ঘন্টা পর সড়ক থেকে মাটি সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করে সেনাবাহিনী।
সাজেক কটেজ মালিক সমিতির সভাপতি সুপর্ন দেব বর্মন জানান, সকালে পাহাড় ধসের ঘটনা আমরা জানতে পেরেছি। সাজেক এলাকায় প্রায় ছোট বড় মিলে ২শত গাড়ি রয়েছে। যা গতকাল (মঙ্গলবার) এসেছিলো। আজ (বুধবার) সকালে অনেকের চলে যাওয়ারও কথা ছিল। কিন্তু পাহাড় ধসের কারণে গাড়ি চলাচল বন্ধ থাকায় সবাই আটকা পড়ে। দুপুরের দিকে যান চলাচল স্বাভাবিক হলে গাড়ি ছাড়তে শুরু করে। আমাদের এখানে ১১২টি কটেজ আছে। সব মিলে প্রায় ৪ হাজার পর্যটক থাকতে পারেন।
বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুমানা আক্তার আরো জানান, সাজেকে পাহাড় ধসের কারণে প্রায় ৫ হাজার পর্যটক দুই পাশে অবস্থান আটকা পড়ে। পরে সেনাবাহিনীর ২০ ইসিবি’র সদস্যদের সাথে স্থানীয়রা মাটি সরানোর কাজে নেমে পড়েন। দুপুর আড়াইটার দিকে মাটি সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করা হয়। এখন কোন সমস্যা নেই। বর্তমানে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।
উল্লেখ্য, টানা নয় দিনের ছুটির কারণে সাজেকে বাড়তি পর্যটকের চাপ রয়েছে। বর্তমানে সেখানে দুই হাজার পর্যটক অবস্থান করছেন। আরো তিন হাজার পর্যটক প্রবেশ করছে বলে স্থানীয় পর্যটন ব্যবসায়ীরা জানান।




















