ঢাকা ০৮:৫৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মোহনপুরে ভ্যানচালককে শ্বাসরোধ করে হত্যা, গ্রেপ্তার ৪

এম এম মামুন:
  • আপডেট সময় : ০২:০৯:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ মার্চ ২০২৫ ২০৫০ বার পড়া হয়েছে

collected

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মোহনপুরে ভ্যানচালককে শ্বাসরোধ করে হত্যা, গ্রেপ্তার ৪

রাজশাহীর মোহনপুরে ব্যাটারিচালিত ভ্যানচালক আব্দুল মালেককে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারী) দিবাগত রাতে রাজশাহী জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও জেলার মোহনপুর থানা-পুলিশ যৌথভাবে চাঁপাইনবাবগঞ্জে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলো- মোহনপুর উপজেলার কেশরহাট পৌরসভার তিলাহারী পূর্বপাড়া গ্রামের লায়েক আলীর ছেলে হাবিবুর রহমান ওরফে আরিফ (২৬), পশ্চিমপাড়া গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে শয়ন ইসলাম (২৮), রাজশাহী নগরীর বুলনপুর ঘোষপাড়া গ্রামের দিপক সাহার ছেলে দেবর্শিষ সাহা (২২) ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার আলীনগর বুধপাড়া গ্রামের সাম মোহাম্মদের ছেলে আনোয়ার হোসেন (৩০)।

পুলিশ ও নিহতের পরিবারের সূত্র গেছে, গত ২১ ফেব্রুয়ারী শুক্রবার সন্ধা ৬ টার সময় আব্দুল মালেক ভ্যানগাড়ী নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন। রাতে আর বাড়িতে ফিরেনি। স্বজনেরা বিভিন্ন স্থানে খোজাখুজি করে না পেয়ে পরদিন মোহনপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারী) সকালে বড়াইল গ্রামের বড় আম বাগানের পাশে জনৈক সুলতান আলীর পুকুরে ইয়ামিন নামের এক যুবক জমিতে পানি সেচ দিতে গিয়ে ভাসমান মরদেহ দেখতে পান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। এসময় পরিবারের লোকজন গিয়ে আব্দুল মালেকের মরদেহ শনাক্ত করে। এ ঘটনায় মোহনপুর থানায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা হলে খুনের রহস্য উদঘাটনে তদন্ত শুরু করে পুলিশ।

মোহনপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতাউর রহমান জানান, গত ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে নিখোঁজ ছিলেন ভ্যানচালক আব্দুল মালেক। ২১ ফেব্রুয়ারি রাতে আসামিরা কোমল পানীয়র সাথে অতিরিক্ত ঘুমের ওষুধ খাইয়েছিল। তারপরও মালেকের ঘুম না এলে তারা তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে। এরপর তার ভ্যানটি নিয়ে গিয়ে বিক্রি করে দেয়। মূলত ওই ভ্যানের জন্যই খুন করা হয় আব্দুল মালেককে। অভিযানে ভ্যানগাড়ী ও মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা এই খুনের ঘটনা স্বীকার করেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

মোহনপুরে ভ্যানচালককে শ্বাসরোধ করে হত্যা, গ্রেপ্তার ৪

আপডেট সময় : ০২:০৯:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ মার্চ ২০২৫

মোহনপুরে ভ্যানচালককে শ্বাসরোধ করে হত্যা, গ্রেপ্তার ৪

রাজশাহীর মোহনপুরে ব্যাটারিচালিত ভ্যানচালক আব্দুল মালেককে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারী) দিবাগত রাতে রাজশাহী জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও জেলার মোহনপুর থানা-পুলিশ যৌথভাবে চাঁপাইনবাবগঞ্জে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলো- মোহনপুর উপজেলার কেশরহাট পৌরসভার তিলাহারী পূর্বপাড়া গ্রামের লায়েক আলীর ছেলে হাবিবুর রহমান ওরফে আরিফ (২৬), পশ্চিমপাড়া গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে শয়ন ইসলাম (২৮), রাজশাহী নগরীর বুলনপুর ঘোষপাড়া গ্রামের দিপক সাহার ছেলে দেবর্শিষ সাহা (২২) ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার আলীনগর বুধপাড়া গ্রামের সাম মোহাম্মদের ছেলে আনোয়ার হোসেন (৩০)।

পুলিশ ও নিহতের পরিবারের সূত্র গেছে, গত ২১ ফেব্রুয়ারী শুক্রবার সন্ধা ৬ টার সময় আব্দুল মালেক ভ্যানগাড়ী নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন। রাতে আর বাড়িতে ফিরেনি। স্বজনেরা বিভিন্ন স্থানে খোজাখুজি করে না পেয়ে পরদিন মোহনপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারী) সকালে বড়াইল গ্রামের বড় আম বাগানের পাশে জনৈক সুলতান আলীর পুকুরে ইয়ামিন নামের এক যুবক জমিতে পানি সেচ দিতে গিয়ে ভাসমান মরদেহ দেখতে পান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। এসময় পরিবারের লোকজন গিয়ে আব্দুল মালেকের মরদেহ শনাক্ত করে। এ ঘটনায় মোহনপুর থানায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা হলে খুনের রহস্য উদঘাটনে তদন্ত শুরু করে পুলিশ।

মোহনপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতাউর রহমান জানান, গত ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে নিখোঁজ ছিলেন ভ্যানচালক আব্দুল মালেক। ২১ ফেব্রুয়ারি রাতে আসামিরা কোমল পানীয়র সাথে অতিরিক্ত ঘুমের ওষুধ খাইয়েছিল। তারপরও মালেকের ঘুম না এলে তারা তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে। এরপর তার ভ্যানটি নিয়ে গিয়ে বিক্রি করে দেয়। মূলত ওই ভ্যানের জন্যই খুন করা হয় আব্দুল মালেককে। অভিযানে ভ্যানগাড়ী ও মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা এই খুনের ঘটনা স্বীকার করেছে।