ঢাকা ০৮:২৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সিংড়ায় চোরের কাছ থেকে ফ্রিজ কেনার অভিযোগ এসআইয়ের বিরুদ্ধে মান্দায় ৪৫ দিনের শি’শুকে বি-ষ খাইয়ে হ/ত্যা/চেষ্টার অভিযোগ নলডাঙ্গায় ট্রাকচা/পা/য় ভাঙারি ব্যবসায়ী নি’হ’ত, আহত ১ শেরপুরে প্রবাসী পরিবারের বাড়িতে হা/ম/লা-ভা/ঙ/চু/র ও লু’টপা’টের অভিযোগ, আদালতে মামলা বাগাতিপাড়ায় শি’শু ও নারী নি/র্যা/তনের প্রতিবাদে র‌্যালি ও মানববন্ধন ১৩ বছরেও পূর্ণাঙ্গ চালু হয়নি মালঞ্চি রেলস্টেশন, চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসীণৃ্ পঞ্চগড়ে আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ সপ্তাহে মানববন্ধন, ১৪ বছর পর ছেলের খোঁজে মায়ের আকুতি রায়গঞ্জের হাটপাঙ্গাসীতে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট গোদাগাড়ীতে জেলা পরিষদের উদ্যোগে ৮০ দুস্থ পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ রাজশাহীতে সাংবাদিকদের মামলা প্রত্যাহার ও ধর্ষণ-হত্যার দ্রুত বিচার দাবিতে মানববন্ধন

ভাতা ও টিসিবি কার্ডের নামে ঘুষ আদায়ের অভিযোগ, প্রমাণিত হলেও দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেই

মোঃ কামরুল ইসলাম কামু, বিশেষ প্রতিনিধি, পঞ্চগড়:
  • আপডেট সময় : ০২:৪৮:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬ ২২৮ বার পড়া হয়েছে

Collected

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভাতা ও টিসিবি কার্ডের নামে ঘুষ আদায়ের অভিযোগ, প্রমাণিত হলেও দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেই

পঞ্চগড়ে প্রায় ১ লাখ ২৯ হাজার টাকা আদায়; শুনানির পর ৭৫ হাজার টাকা ফেরত, বাকি টাকা ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ নিয়ে প্রশ্ন

পঞ্চগড় সদর উপজেলার ধাক্কামারা ইউনিয়নের মালিপাড়া এলাকায় সরকারি বিভিন্ন ভাতা ও টিসিবি কার্ড করে দেওয়ার নামে ঘুষ আদায়ের অভিযোগ প্রমাণিত হলেও এখনো দৃশ্যমান কোনো প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেয়নি কর্তৃপক্ষ।

লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা এবং টিসিবির কার্ড করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে একটি চক্রের মাধ্যমে মোট প্রায় ১ লাখ ২৯ হাজার টাকা আদায় করা হয়। দীর্ঘদিন পার হলেও প্রতিশ্রুত কোনো সেবা না পাওয়ায় ক্ষতিগ্রস্তরা পঞ্চগড় সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ করেন।

পরবর্তীতে উপজেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত শুনানিতে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায় বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। শুনানি শেষে অভিযুক্ত পক্ষ ভুক্তভোগীদের মধ্যে ৭৫ হাজার টাকা ফেরত দেয়। তবে বাকি অর্থ এখনো ফেরত না পাওয়া এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোনো তাৎক্ষণিক প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় এলাকাজুড়ে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা চলছে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহমিদা সুলতানা জানান, অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পেলেই আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তবে এ বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাংবাদিকদের কাছে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

স্থানীয় সচেতন মহলের অভিমত, সরকারি সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার নামে অর্থ লেনদেনের ঘটনা শুধু ব্যক্তিগত অনিয়ম নয়, এটি জনস্বার্থ ও প্রশাসনিক স্বচ্ছতার সঙ্গে জড়িত গুরুতর বিষয়। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার পরও কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়া হলে সাধারণ মানুষের সরকারি সেবার প্রতি আস্থা ক্ষুণ্ন হতে পারে।

এ বিষয়ে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ভাতা ও টিসিবি কার্ডের নামে ঘুষ আদায়ের অভিযোগ, প্রমাণিত হলেও দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেই

আপডেট সময় : ০২:৪৮:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬

ভাতা ও টিসিবি কার্ডের নামে ঘুষ আদায়ের অভিযোগ, প্রমাণিত হলেও দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেই

পঞ্চগড়ে প্রায় ১ লাখ ২৯ হাজার টাকা আদায়; শুনানির পর ৭৫ হাজার টাকা ফেরত, বাকি টাকা ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ নিয়ে প্রশ্ন

পঞ্চগড় সদর উপজেলার ধাক্কামারা ইউনিয়নের মালিপাড়া এলাকায় সরকারি বিভিন্ন ভাতা ও টিসিবি কার্ড করে দেওয়ার নামে ঘুষ আদায়ের অভিযোগ প্রমাণিত হলেও এখনো দৃশ্যমান কোনো প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেয়নি কর্তৃপক্ষ।

লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা এবং টিসিবির কার্ড করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে একটি চক্রের মাধ্যমে মোট প্রায় ১ লাখ ২৯ হাজার টাকা আদায় করা হয়। দীর্ঘদিন পার হলেও প্রতিশ্রুত কোনো সেবা না পাওয়ায় ক্ষতিগ্রস্তরা পঞ্চগড় সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ করেন।

পরবর্তীতে উপজেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত শুনানিতে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায় বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। শুনানি শেষে অভিযুক্ত পক্ষ ভুক্তভোগীদের মধ্যে ৭৫ হাজার টাকা ফেরত দেয়। তবে বাকি অর্থ এখনো ফেরত না পাওয়া এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোনো তাৎক্ষণিক প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় এলাকাজুড়ে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা চলছে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহমিদা সুলতানা জানান, অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পেলেই আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তবে এ বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাংবাদিকদের কাছে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

স্থানীয় সচেতন মহলের অভিমত, সরকারি সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার নামে অর্থ লেনদেনের ঘটনা শুধু ব্যক্তিগত অনিয়ম নয়, এটি জনস্বার্থ ও প্রশাসনিক স্বচ্ছতার সঙ্গে জড়িত গুরুতর বিষয়। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার পরও কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়া হলে সাধারণ মানুষের সরকারি সেবার প্রতি আস্থা ক্ষুণ্ন হতে পারে।

এ বিষয়ে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।