বাগাতিপাড়ায় চোখের ঔষধ নিয়ে বিড়ম্বনায় রোগী ও ব্যবসায়ীরা!
- আপডেট সময় : ০১:১৩:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২২ ১৭৮ বার পড়া হয়েছে

বাগাতিপাড়ায় চোখের ঔষধ নিয়ে বিড়ম্বনায় রোগী ও ব্যবসায়ীরা!
ফজলুর রহমান, বাগাতিপাড়া (নাটোর) সংবাদদাতাঃ
বাগাতিপাড়ায় চোখের ঔষধ নিয়ে বিড়ম্বনায় রোগী ও ব্যবসায়ীরা! নাটোরের বাগাতিপাড়ায় শত শত নারী-পুরুষ অতি ছোয়াছে চোখ উঠা (কনজাংটিভাইটিস) রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। তবে এ রোগে আক্রান্তের হার বেশির ভাগ শিশু। এই রোগের ঔষধ থাকলেও প্রথম প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী পাচ্ছেন না রোগীররা। কারন ঔষধের (চোখের ড্রপ) সংকট।
যার ফলে হাসপাতাল থেকে ফার্মেসি আবারও ফার্মেসি থেকে হাসপাতালে কয়েকবার যাতায়াত করতে হচ্ছে রোগীদের ওষুধের নাম পরিবর্তন করতে। এতে ডাক্তার, রোগী, ব্যবসায়ী সকলেই বিড়ম্বনার শিকার। বিভিন্ন কোম্পানির শর্ট সাপ্লাই এর কারনে এমন সঙ্কট দেখা দিয়েছে বলে ওষুধ ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন।
বাগাতিপাড়া বিহাড়কোল বাজরের ঔষধ ব্যবসায়ী সামির ফার্মেসীর রফিকুল ইসলাম রিপন বলেন, বাজারে প্রায় কয়েক সপ্তাহ হচ্ছে চোখ ওঠার ড্রপ এর ভীষণ সংকট বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে রোগীদের নিয়ে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এলাকার মালঞ্চি বাজারে ঔষধের ব্যবসায়ী টিপু সুলতান ও মোস্তফা কামাল জানান, চোখ ওঠায় ড্রপ জাতীয় ঔষধের খুবই সংকট,কোম্পানি সাপ্লাই না থাকার কারণে আমরা রোগীদের সেবা দিতে পারছিনা। প্রতিদিন অসংখ্য রোগী(চোখের ড্রপ) ঔষধ না পেয়ে ফিরে যাচ্ছে।
এবিষয়ে বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল রিপ্রেজেনটেটিভ এসোসিয়েশন (ফারিয়া) বাগাতিপাড়া শাখার সভাপতি ও দি একমি ল্যাবরেটরীজ লিমিটেড এর উপজেলা রিপ্রেজেন্টেটিভ মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, হঠাৎ করে চোখ ওঠা রোগের প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ায় গত মাসের ২৫ তারিখ থেক এ সংকট তৈরি হয়। সাপ্লাই এর চেয়ে রুগীর চাহিদার পরিমাণ অনেক বেশি হওয়ায় সাময়িক এ সংকট তৈরি হয়েছে।

জানা গেছে ছোট ছোট শিশু থেকে বিভিন্ন বয়সের শত শত মানুষ সম্প্রতি চোখ ওঠা রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়েছে। এ রোগে আক্রান্ত রোগীরা চোখে ব্যথা চোখে আঠা আঠা ভাব, চোখ থেকে পানি পড়া, আলোর দিকে তাকালে লাগা, চোখে ময়লা জমে যাওয়া চোখের পাতা ফুলে যাওয়া এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে ঝাপসা দেখা নিয়ে বিপাকে পড়ছে। । এ রোগে আক্রান্ত রোগীরা হাসপাতালে চিকিৎসকদের ব্যবস্থাপত্র নিয়ে বাইরে ওষুধ পাচ্ছেন না।
এ বিষয়ে বাগাতিপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ সোহানুর রহমান বলেন, এটি এক ধরনের ভাইরাস, তবে রোগটি নিরাময়যোগ্য।ওষুধ না খেলে কিছুদিন হয়তো কষ্ট ভোগ করতে হবে তবে গুরুতর কোন ক্ষতির আশঙ্কা নেই। তবে।
আমি খোঁজ নিয়েছি যে বাজারে এ জাতীয় ঔষধের সংকট রয়েছে। তবে এ চিকিৎসায়
যে ড্রপটি আমরা সাধারণত রোগীকে দিয়ে থাকি তা হাসপাতালে আউট ডোরে বর্তমানে সাপ্লাই আছে।



















