বাগাতিপাড়ায় জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ শুরু, র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
- আপডেট সময় : ০১:৪৭:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ ৫৩ বার পড়া হয়েছে

বাগাতিপাড়ায় জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ শুরু, র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
“পুষ্টি বৈষম্যের দিন শেষ—গড়বো স্বনির্ভর বাংলাদেশ” প্রতিপাদ্যে সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচি
নাটোরের বাগাতিপাড়ায় “পুষ্টি বৈষম্যের দিন শেষ—গড়বো স্বনির্ভর বাংলাদেশ” প্রতিপাদ্যে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহের কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সকাল ১০টায় জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের আয়োজনে এবং উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার কার্যালয়ের বাস্তবায়নে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চত্বর প্রদক্ষিণ শেষে একই স্থানে আলোচনা সভায় মিলিত হয়।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের হলরুমে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সৈকত মো. রেজওয়ানুল হক। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ আলাউদ্দিন।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন কৃষি কর্মকর্তা ভবসিন্ধু রায়, বাগাতিপাড়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল হান্নান, আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. ইসমাইল হোসেন, পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা জামিউর রহমান, এমওডিসি ডা. মো. আবু নওয়াজ আল নাহিদ, শিক্ষা কর্মকর্তা আলী আশরাফ, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শিরিন আখতার, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রতিনিধি, সমাজসেবা অধিদপ্তরের প্রতিনিধি ইসতিয়াক, এপিক বাংলাদেশের ফারুমা খাতুন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের গোলাম মোস্তফাসহ স্বাস্থ্য বিভাগের চিকিৎসক, নার্স, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
সভায় বক্তারা বলেন, সুস্থ জাতি গঠনে পুষ্টিকর খাদ্যের বিকল্প নেই। শিশুসহ সব বয়সী মানুষের জন্য সুষম খাদ্য নিশ্চিত করতে সরকার বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সৈকত মো. রেজওয়ানুল হক বলেন, মেধাবী জাতি গঠনে পুষ্টির ভূমিকা অপরিসীম। গর্ভবতী মায়েদের আয়রন ট্যাবলেট সরবরাহ, শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল ও কৃমিনাশক ট্যাবলেট প্রদানসহ বিভিন্ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। পুষ্টিকর ও ভেজালমুক্ত খাদ্য নিশ্চিত করতে জনসচেতনতা বাড়ানো জরুরি।
সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে পুষ্টি বার্তা প্রচার, এতিমখানা ও মাদ্রাসায় পুষ্টিকর খাবার বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে সচেতনতামূলক কার্যক্রম, শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে কুইজ ও রচনা প্রতিযোগিতা, চিত্রাঙ্কন, মা সমাবেশ, নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সেমিনার এবং পুষ্টিকর খাবার রান্না প্রতিযোগিতা।



















