ঢাকা ০৭:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাগাতিপাড়ায় গৃহবধূকে সং/ঘব/দ্ধ ধ/র্ষ/ণে/র অভিযোগ, থানায় মামলা পুঠিয়ার পশুর হাটে অতিরিক্ত হাসিল আদায়ের অভিযোগে প্রশাসনের অভিযান টাঙ্গাইলে রডবোঝাই ট্রাক খাদে উ/ল্টে নিহত ১৫, আহত অন্তত ১০ সিংড়ায় চোরের কাছ থেকে ফ্রিজ কেনার অভিযোগ এসআইয়ের বিরুদ্ধে মান্দায় ৪৫ দিনের শি’শুকে বি-ষ খাইয়ে হ/ত্যা/চেষ্টার অভিযোগ নলডাঙ্গায় ট্রাকচা/পা/য় ভাঙারি ব্যবসায়ী নি’হ’ত, আহত ১ শেরপুরে প্রবাসী পরিবারের বাড়িতে হা/ম/লা-ভা/ঙ/চু/র ও লু’টপা’টের অভিযোগ, আদালতে মামলা বাগাতিপাড়ায় শি’শু ও নারী নি/র্যা/তনের প্রতিবাদে র‌্যালি ও মানববন্ধন ১৩ বছরেও পূর্ণাঙ্গ চালু হয়নি মালঞ্চি রেলস্টেশন, চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসীণৃ্ পঞ্চগড়ে আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ সপ্তাহে মানববন্ধন, ১৪ বছর পর ছেলের খোঁজে মায়ের আকুতি

পবার জিন্নাত হত্যার সঠিক তদন্ত প্রতিবেদন নিয়ে সংশয়ে নিহতের পরিবার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:০৩:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ জুলাই ২০২৩ ২১৭ বার পড়া হয়েছে

রাজশাহীর পবা থানা-সংগৃহিত

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পবার জিন্নাত হত্যার সঠিক তদন্ত প্রতিবেদন নিয়ে সংশয়ে নিহতের পরিবার

এম এম মামুন, নিজস্ব প্রতিবেদক:
পবার জিন্নাত হত্যার সঠিক তদন্ত প্রতিবেদন নিয়ে সংশয়ে নিহতের পরিবার। রাজশাহীর পবা উপজেলার জিন্নাত আলীকে হত্যার অভিযোগে আদালতে দায়ের করা মামলার সঠিক তদন্ত প্রতিবেদন নিয়ে সংশয় রয়েছেন নিহতের পরিবার। আদালতে মামলা ও সরেজমিনে গিয়ে স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানান গেছে, পবা উপজেলার বড়গাছী ইউনিয়নের দাদপুরপূর্বপাড়া গ্রামের জামে মসজিদের হিসাব চাওয়াকে কেন্দ্র করে গত ১৮ জুন মাগরিবের নামাজের পর মসজিদের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলামসহ তার লোকজনের মারপিটে ওই মসজিদের সভাপতি জিন্নাত আলী (৬৫) অজ্ঞান হয়ে পড়েন। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত্যু ঘোষণা করেন।

ঘটনার দিন রাতে নিহতের ছেলে জিয়াউর রহমান পবা থানায় মামলা দায়ের করতে যান। কিন্তু পবা থানা পুলিশ ময়না তদন্তের রিপোর্ট না পর্যন্ত মামলা হবে না বলে ফিরিয়ে দেন। পরর্বতীতে গত ৬ জুলাই নিহতের ছেলে জিয়াউর রহমান বাদি হয়ে মসজিদের সাধারণ সম্পাদক ও দাদপুর পূর্বপাড়া গ্রামের শহিদুল ইসলাম (৩৬), ঘটনার সাথে জড়িত একই গ্রামের সাদেক আলী (৫৫) ও বদিউজ্জামালকে(৪০) আসামি করে রাজশাহী মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালতে ১০৯/৩০২/৩৪ ধারায় মামলা দায়ের করেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে তদন্ত প্রতিবেদনের জন্য পবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসিকে) নির্দেশ প্রদান করেন। মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে পবা থানার এস আই শাহাবুল ইসলাম। মামলার বাদি জিয়াউর রহমান বলেন, আদালতে মামলা দায়ের পর থেকে আসামিদের লোকজন প্রতিনিয়ত মামলাটি তুলে নেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করছে। এতে করে পুলিশের সঠিক তদন্ত প্রতিবেদন নিয়ে সংশয় রয়েছে নিহতের পরিবার।

আরএমপি পবা থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই শাহাবুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, আদালত থেকে একটি মামলার সঠিক প্রতিবেদন চেয়ে মামলাটি থানায় পাঠিয়েন। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত করে যথা সময়ে সঠিক প্রতিবেদন আদালতে প্রেরণ করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

পবার জিন্নাত হত্যার সঠিক তদন্ত প্রতিবেদন নিয়ে সংশয়ে নিহতের পরিবার

আপডেট সময় : ০৮:০৩:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ জুলাই ২০২৩

পবার জিন্নাত হত্যার সঠিক তদন্ত প্রতিবেদন নিয়ে সংশয়ে নিহতের পরিবার

এম এম মামুন, নিজস্ব প্রতিবেদক:
পবার জিন্নাত হত্যার সঠিক তদন্ত প্রতিবেদন নিয়ে সংশয়ে নিহতের পরিবার। রাজশাহীর পবা উপজেলার জিন্নাত আলীকে হত্যার অভিযোগে আদালতে দায়ের করা মামলার সঠিক তদন্ত প্রতিবেদন নিয়ে সংশয় রয়েছেন নিহতের পরিবার। আদালতে মামলা ও সরেজমিনে গিয়ে স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানান গেছে, পবা উপজেলার বড়গাছী ইউনিয়নের দাদপুরপূর্বপাড়া গ্রামের জামে মসজিদের হিসাব চাওয়াকে কেন্দ্র করে গত ১৮ জুন মাগরিবের নামাজের পর মসজিদের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলামসহ তার লোকজনের মারপিটে ওই মসজিদের সভাপতি জিন্নাত আলী (৬৫) অজ্ঞান হয়ে পড়েন। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত্যু ঘোষণা করেন।

ঘটনার দিন রাতে নিহতের ছেলে জিয়াউর রহমান পবা থানায় মামলা দায়ের করতে যান। কিন্তু পবা থানা পুলিশ ময়না তদন্তের রিপোর্ট না পর্যন্ত মামলা হবে না বলে ফিরিয়ে দেন। পরর্বতীতে গত ৬ জুলাই নিহতের ছেলে জিয়াউর রহমান বাদি হয়ে মসজিদের সাধারণ সম্পাদক ও দাদপুর পূর্বপাড়া গ্রামের শহিদুল ইসলাম (৩৬), ঘটনার সাথে জড়িত একই গ্রামের সাদেক আলী (৫৫) ও বদিউজ্জামালকে(৪০) আসামি করে রাজশাহী মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালতে ১০৯/৩০২/৩৪ ধারায় মামলা দায়ের করেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে তদন্ত প্রতিবেদনের জন্য পবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসিকে) নির্দেশ প্রদান করেন। মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে পবা থানার এস আই শাহাবুল ইসলাম। মামলার বাদি জিয়াউর রহমান বলেন, আদালতে মামলা দায়ের পর থেকে আসামিদের লোকজন প্রতিনিয়ত মামলাটি তুলে নেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করছে। এতে করে পুলিশের সঠিক তদন্ত প্রতিবেদন নিয়ে সংশয় রয়েছে নিহতের পরিবার।

আরএমপি পবা থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই শাহাবুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, আদালত থেকে একটি মামলার সঠিক প্রতিবেদন চেয়ে মামলাটি থানায় পাঠিয়েন। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত করে যথা সময়ে সঠিক প্রতিবেদন আদালতে প্রেরণ করা হবে।