পঞ্চগড়ে ৪৭ কোটি টাকা ব্যয়ে নব নির্মিত আধুনিক সদর হাসপাতাল চালুর উদ্যোগ
- আপডেট সময় : ০২:৪১:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৫ ৩০০ বার পড়া হয়েছে

পঞ্চগড়ে ৪৭ কোটি টাকা ব্যয়ে নব নির্মিত আধুনিক সদর হাসপাতাল চালুর উদ্যোগ
পঞ্চগড়ে নব নির্মিত ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট আধুনিক সদর হাসপাতালটি চালুর লক্ষ্যে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এ সভার আয়োজন করা হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মো. সাবেত আলী।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির পল্লী উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক ফরহাদ হোসেন আজাদ, পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান মুন্সী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সুমন চন্দ্র দাস, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সীমা শারমিন, পঞ্চগড় সেনা ক্যাম্পের কমান্ডার মেজর আদনান, জেলা বিএনপির আহবায়ক জাহিরুল ইসলাম কাচ্চু, জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির ইকবাল হোসাইন, চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি শরীফ হোসেন, গণপূর্ত বিভাগের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী আব্দুস সাত্তার প্রমুখ।
সভায় জেলা প্রশাসক সাবেত আলী বলেন, “আধুনিক সদর হাসপাতালটি চালুর অনুমতি পাওয়া গেছে। তবে চিকিৎসক, জনবল ও আসবাবপত্রের কিছু সংকট রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে এবং তারা সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন। স্থানীয় সহায়তায় দ্রুত হাসপাতালটি চালুর লক্ষ্যেই আজকের এই আলোচনা।”
সভায় সারজিস আলম বলেন, “পঞ্চগড়ে শিক্ষা ও চিকিৎসা খাতে পিছিয়ে আছি। এ অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে হলে সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে।
আমি হাসপাতালটি পরিদর্শন করেছি- ভবনের পলেস্তার খসে পড়ছে, তবে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নভেম্বরের মধ্যেই এটি চালু করা হবে। ইতোমধ্যে কয়েকজন চিকিৎসক পদায়ন করা হয়েছে, আরও আসবেন।”
তিনি আরও বলেন, “বর্তমানে ৩৭ জন চিকিৎসকের স্থলে মাত্র ১৩ জন রয়েছেন। কিছু বিভাগে কোনো চিকিৎসক নেই, তাই রোগীদের রেফার করতে হচ্ছে। রাজনৈতিক ও ব্যবসায়ী সমাজ একসাথে লজিস্টিক সহায়তা দিলে সহজেই হাসপাতালটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা সম্ভব।”
সভায় সর্বসম্মতিক্রমে ‘পঞ্চগড় স্বাস্থ্য সহায়তা তহবিল’ গঠন করা হয়।
এ তহবিলের সভাপতি করা হয় জেলা প্রশাসককে এবং সদস্য সচিব হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয় সিভিল সার্জনকে।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতা এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, প্রায় তিন বছর আগে নির্মিত নয়তলা বিশিষ্ট এই হাসপাতাল ভবন নির্মাণে ব্যয় হয় প্রায় ৪৭ কোটি টাকা। তবে জনবল ও সরঞ্জাম সংকটে এতদিন এটি চালু করা সম্ভব হয়নি।




















