পঞ্চগড়ে বিএনপি ও এনসিপির দুই প্রার্থীকে আচরণবিধি লঙ্ঘনে শোকজ
- আপডেট সময় : ০৫:২৮:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬ ১৯৪ বার পড়া হয়েছে

পঞ্চগড়ে বিএনপি ও এনসিপির দুই প্রার্থীকে আচরণবিধি লঙ্ঘনে শোকজ
নির্বাচনি প্রচারে ব্যানার–ফেস্টুন, অনিয়ম ও উচ্ছৃঙ্খল আচরণের অভিযোগে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জবাব তলব
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে পঞ্চগড়-১ আসনে বিএনপি ও এনসিপির দুই প্রার্থীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে নির্বাচন প্রশাসন।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বিকেলে পঞ্চগড়ের জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার কাজী মো. সায়েমুজ্জামান ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম এবং বিএনপির প্রার্থী ও দলটির আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার মুহাম্মদ নওশাদ জমিরকে এ শোকজ নোটিশ দেন। নোটিশে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নোটিশ অনুযায়ী, সারজিস আলমের বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো হলো— পঞ্চগড় সুগার মিল মাঠে ১০ দলীয় জোটের নির্বাচনি সভায় গেট ও তোরণসহ তিনটি তোরণ নির্মাণ, দলের প্রধান ব্যতীত অন্য দলের প্রধানের ছবি ব্যবহার করে ব্যানার ও বিলবোর্ড স্থাপন এবং রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে ফেসবুক আইডি দাখিল না করেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নির্বাচনি প্রচারণা চালানো।
অন্যদিকে বিএনপি প্রার্থী ব্যারিস্টার নওশাদ জমিরের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে— ২৩ জানুয়ারি বিকেলে পঞ্চগড় পৌর এলাকায় নির্বাচনি আচরণবিধি প্রতিপালনে পরিচালিত অভিযানের সময় তার কর্মী-সমর্থকদের মাধ্যমে আচরণবিধি লঙ্ঘন। করতোয়া সেতুর দুই পাশে, বিদ্যুতের খুঁটি ও গাছে অবৈধভাবে ফেস্টুন স্থাপন, তা অপসারণকালে দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে বাধা ও অসৌজন্য আচরণ, নিয়ম বহির্ভূত (৬ ফুট বাই ৩ ফুটের বেশি) ফেস্টুন ব্যবহার, গভীর রাতে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে অবৈধ জমায়েত, উচ্ছৃঙ্খল আচরণ, গণভোটের প্রচারণা ব্যানার ছেঁড়ার হুমকি এবং রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে ফেসবুক আইডি দাখিল না করেই প্রচারণা চালানো।
শোকজ নোটিশে উল্লেখ করা হয়, এসব অভিযোগের বিষয়ে কেন তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না— তা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যাসহ সশরীরে বা প্রতিনিধির মাধ্যমে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে দাখিল করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জবাব দিতে ব্যর্থ হলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার কাজী মো. সায়েমুজ্জামান বলেন, “উভয় প্রার্থী নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন। সে কারণে শোকজ নোটিশ দিয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাদের জবাব চাওয়া হয়েছে।”




















