ঢাকা ০৬:৫৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাজশাহীর সিটি হাট ঘিরে পশুবাহী ট্রাকে চাঁদাবাজির অভিযোগ গোমস্তাপুরে মহানন্দা নদী থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার বাগাতিপাড়ায় গৃহবধূকে সং/ঘব/দ্ধ ধ/র্ষ/ণে/র অভিযোগ, থানায় মামলা পুঠিয়ার পশুর হাটে অতিরিক্ত হাসিল আদায়ের অভিযোগে প্রশাসনের অভিযান টাঙ্গাইলে রডবোঝাই ট্রাক খাদে উ/ল্টে নিহত ১৫, আহত অন্তত ১০ সিংড়ায় চোরের কাছ থেকে ফ্রিজ কেনার অভিযোগ এসআইয়ের বিরুদ্ধে মান্দায় ৪৫ দিনের শি’শুকে বি-ষ খাইয়ে হ/ত্যা/চেষ্টার অভিযোগ নলডাঙ্গায় ট্রাকচা/পা/য় ভাঙারি ব্যবসায়ী নি’হ’ত, আহত ১ শেরপুরে প্রবাসী পরিবারের বাড়িতে হা/ম/লা-ভা/ঙ/চু/র ও লু’টপা’টের অভিযোগ, আদালতে মামলা বাগাতিপাড়ায় শি’শু ও নারী নি/র্যা/তনের প্রতিবাদে র‌্যালি ও মানববন্ধন

নওগাঁয় ধান কাটতে গিয়ে লাশ হয়ে ফিরলেন বাঘার শ্রমিক

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৪৪:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মে ২০২২ ১৮২ বার পড়া হয়েছে
চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নওগাঁয় ধান কাটতে গিয়ে লাশ হয়ে ফিরলেন বাঘার শ্রমিক

বাঘা (রাজশাহী) প্রতিনিধিঃ
নওগাঁয় ধান কাটতে গিয়ে লাশ হয়ে ফিরলেন বাঘার শ্রমিক। নওগাঁর আত্রাইয়ে ধান কাটতে গিয়ে লাশ হয়ে বাড়ি ফিরলেন বাঘার কদম আলী (৫৪) নামে এক শ্রমিক। তিনি রাজশাহীর বাঘা উপজেলার আড়ানী পৌরসভার গোচর গ্রামের মৃত আবদুর রহমানের ছেলে।
ঈদের দিন মঙ্গলবার রাতে বুকে প্রচন্ড ব্যথা অনুভব হলে তাকে চিকিৎসকের কাছে নেওয়া হয়। সেখানেই তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ধানের জমির মালিক রানা মন্ডল।
তিনি বলেন, আমার বাড়িতে ধান কাটতে এসে এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার দুপুর আড়াইটার দিকে তাকে পারিবারিক গোরস্থানে দাফন করা হয়েছে।
পারিবারিক সূত্র জানায়, কদম আলীসহ ২২ জনের একটি দল গত ২২ এপ্রিল নওগাঁর আত্রাই উপজেলার বিশা ইউনিয়নের জগনাথপুর গ্রামে ধান কাটতে যায়। কদম আলীসহ ৭ জনের একটি দল রানা মন্ডলের বাড়ি গিয়ে ধান কাটা শুরু করে। কয়েক দিন তারা ধানও কাটেন। ঈদের দিন মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৩টার দিকে কদম আলীর বুকে প্রচন্ড ব্যথা শুরু করে। কদম আলীকে স্থানীয় ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। কিছুক্ষণ পর তিনি মারা যান।

এ বিষয়ে কদম আলীর ভাই রুহুল আমিন বলেন, আমার ভাইয়ের সঙ্গে আমিও ধান কাটতে গিয়েছিলাম। ঈদের আগের দিন পর্যন্ত একসঙ্গে ধান কেটেছিলাম আমরা। ঈদের পরের দিন থেকে আবার ধান কাটা শুরু করার কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই রাত সাড়ে ৩টার পর থেকে ভাই বলছিলেন আমার বুক জ্বলে যাচ্ছে, আমাকে বাঁচাও। আমরা স্থানীয় ডাক্তারের কাছে নেওয়ার পর কিছুক্ষণ পর ভাই মারা যায়।

এ বিষয়ে ধান কাটা দলের প্রধান ইউসুফ আলী বলেন, আমি কয়েক বছর থেকে ওই গ্রামে ধান কাটতে লোক নিয়ে যায়। আমার জীবনে এটিই এমন ঘটনা প্রথম ঘটে গেল।
আড়ানী পৌরসভার ২ নম্বর গোচর ওয়াডের্র কাউন্সিলর নওশাদ আলী বলেন, এটি একটি অনাকাংক্ষিত ঘটনা। কদম আলী একজন অত্যন্ত দরিদ্র মানুষ। তার বাড়ির ভিটা ছাড়া কোনো জমি নেই। কাজ করে কোনোমতে সংসার চালাতেন। কোনো হৃদয়বান ব্যক্তি এগিয়ে এলে তার স্ত্রীর উপকৃত হতো।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

নওগাঁয় ধান কাটতে গিয়ে লাশ হয়ে ফিরলেন বাঘার শ্রমিক

আপডেট সময় : ০৫:৪৪:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মে ২০২২

নওগাঁয় ধান কাটতে গিয়ে লাশ হয়ে ফিরলেন বাঘার শ্রমিক

বাঘা (রাজশাহী) প্রতিনিধিঃ
নওগাঁয় ধান কাটতে গিয়ে লাশ হয়ে ফিরলেন বাঘার শ্রমিক। নওগাঁর আত্রাইয়ে ধান কাটতে গিয়ে লাশ হয়ে বাড়ি ফিরলেন বাঘার কদম আলী (৫৪) নামে এক শ্রমিক। তিনি রাজশাহীর বাঘা উপজেলার আড়ানী পৌরসভার গোচর গ্রামের মৃত আবদুর রহমানের ছেলে।
ঈদের দিন মঙ্গলবার রাতে বুকে প্রচন্ড ব্যথা অনুভব হলে তাকে চিকিৎসকের কাছে নেওয়া হয়। সেখানেই তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ধানের জমির মালিক রানা মন্ডল।
তিনি বলেন, আমার বাড়িতে ধান কাটতে এসে এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার দুপুর আড়াইটার দিকে তাকে পারিবারিক গোরস্থানে দাফন করা হয়েছে।
পারিবারিক সূত্র জানায়, কদম আলীসহ ২২ জনের একটি দল গত ২২ এপ্রিল নওগাঁর আত্রাই উপজেলার বিশা ইউনিয়নের জগনাথপুর গ্রামে ধান কাটতে যায়। কদম আলীসহ ৭ জনের একটি দল রানা মন্ডলের বাড়ি গিয়ে ধান কাটা শুরু করে। কয়েক দিন তারা ধানও কাটেন। ঈদের দিন মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৩টার দিকে কদম আলীর বুকে প্রচন্ড ব্যথা শুরু করে। কদম আলীকে স্থানীয় ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। কিছুক্ষণ পর তিনি মারা যান।

এ বিষয়ে কদম আলীর ভাই রুহুল আমিন বলেন, আমার ভাইয়ের সঙ্গে আমিও ধান কাটতে গিয়েছিলাম। ঈদের আগের দিন পর্যন্ত একসঙ্গে ধান কেটেছিলাম আমরা। ঈদের পরের দিন থেকে আবার ধান কাটা শুরু করার কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই রাত সাড়ে ৩টার পর থেকে ভাই বলছিলেন আমার বুক জ্বলে যাচ্ছে, আমাকে বাঁচাও। আমরা স্থানীয় ডাক্তারের কাছে নেওয়ার পর কিছুক্ষণ পর ভাই মারা যায়।

এ বিষয়ে ধান কাটা দলের প্রধান ইউসুফ আলী বলেন, আমি কয়েক বছর থেকে ওই গ্রামে ধান কাটতে লোক নিয়ে যায়। আমার জীবনে এটিই এমন ঘটনা প্রথম ঘটে গেল।
আড়ানী পৌরসভার ২ নম্বর গোচর ওয়াডের্র কাউন্সিলর নওশাদ আলী বলেন, এটি একটি অনাকাংক্ষিত ঘটনা। কদম আলী একজন অত্যন্ত দরিদ্র মানুষ। তার বাড়ির ভিটা ছাড়া কোনো জমি নেই। কাজ করে কোনোমতে সংসার চালাতেন। কোনো হৃদয়বান ব্যক্তি এগিয়ে এলে তার স্ত্রীর উপকৃত হতো।