ঢাকা ১২:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঝিনাইগাতী বাজার শতবর্ষী বড় মসজিদ কমিটির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত- সংবাদ সম্মেলন

মোহাম্মদ দুদু মল্লিক, শেরপুর প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট সময় : ১২:৪২:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ নভেম্বর ২০২৫ ১৭৪ বার পড়া হয়েছে

collected

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঝিনাইগাতী বাজার শতবর্ষী বড় মসজিদ কমিটির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত- সংবাদ সম্মেলন

শেরপুরের ঝিনাইগাতী বাজারের শতবর্ষী বড় মসজিদ পরিচালনা কমিটির বিরুদ্ধে সম্প্রতি আনা অনিয়ম, অস্বচ্ছতা ও ধর্মীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগকে সম্পূর্ণ বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছে নবগঠিত মসজিদ পরিচালনা কমিটি।

বুধবার (১২ নভেম্বর) সকালে উপজেলা সদরের সোনালী ব্যাংকের নিচতলায় আয়োজিত এই সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মসজিদ পরিচালনা কমিটির সহ-সভাপতি মো. ছামিউল ইসলাম সাদা।

তিনি বলেন, “মসজিদ পরিচালনা কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে চিরাচরিত নিয়ম অনুসরণ করা হয়েছে। স্থানীয় ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের মতামতের ভিত্তিতেই নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। এটি কোনো ব্যক্তিগত প্রভাব বা স্বার্থ নয়, বরং স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য একটি কমিটি।”

তিনি অভিযোগ করেন, কিছু ব্যক্তি ব্যক্তিগত স্বার্থে ও অতীতের প্রভাব হারানোর আশঙ্কায় মিথ্যা তথ্য প্রচার করে সাধারণ মুসল্লিদের বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছেন।

মসজিদ মার্কেটের দোকান ভাড়ার সিকিউরিটি টাকা নিয়ে আনা অভিযোগকে “সম্পূর্ণ মিথ্যা” বলে তিনি দাবি করেন। বলেন, “মসজিদ ও মার্কেটের রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে অর্থ লেনদেন হয়, যার সব হিসাব সংরক্ষিত রয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, মসজিদের ৫৫২ নং প্লট সংলগ্ন সরকারি খাস জমি নিয়ে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দেওয়া হয়েছে। অথচ ওই ব্যক্তিরা অতীতে কমিটিতে দায়িত্বে থাকলেও তখন কোনো আপত্তি জানাননি। প্রকৃতপক্ষে, মসজিদ প্রতিষ্ঠার পর থেকেই ওই খাস জমির একটি অংশ মসজিদের প্রয়োজনে ব্যবহৃত হয়ে আসছে, যা এর ঐতিহ্যের অংশ।

মো. ছামিউল ইসলাম সাদা আরও অভিযোগ করেন, “যাঁরা অভিযোগ তুলেছেন- জহুরুল ইসলাম মিলন ও জাকির হোসেন- তাঁরা আওয়ামী লীগের উপজেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই তাঁরা মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছেন।”

তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, “শতবর্ষী এই মসজিদের উন্নয়ন কাজ বহু বাধা সত্ত্বেও এগিয়ে চলছে। কিছু ব্যক্তি এই পবিত্র কাজে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছেন, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়।”

শেষে তিনি সাংবাদিক, মুসল্লি ও স্থানীয় শুভানুধ্যায়ীদের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করে বলেন, “আপনাদের কলমের মাধ্যমে সত্য প্রকাশ পেলে ধর্মীয় ঐক্য রক্ষা পাবে, বিভ্রান্তি দূর হবে এবং মসজিদ নির্মাণের কাজ সফলভাবে সম্পন্ন হবে, ইনশাআল্লাহ।”

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম বাদশা, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল মান্নান, উপজেলা ওলামা দলের সাবেক সভাপতি জহুরুল ইসলাম, ক্ষুদ্র বণিক সমিতির সভাপতি মোখলেছুর রহমান খান, ইউপি সদস্য জাহিদুল হক মনির, মাদ্রাসার সেক্রেটারি আলহাজ্ব ছমির আলী মল্লিকসহ মসজিদ কমিটির সদস্য ও স্থানীয় মুসল্লিরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ঝিনাইগাতী বাজার শতবর্ষী বড় মসজিদ কমিটির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত- সংবাদ সম্মেলন

আপডেট সময় : ১২:৪২:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ নভেম্বর ২০২৫

ঝিনাইগাতী বাজার শতবর্ষী বড় মসজিদ কমিটির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত- সংবাদ সম্মেলন

শেরপুরের ঝিনাইগাতী বাজারের শতবর্ষী বড় মসজিদ পরিচালনা কমিটির বিরুদ্ধে সম্প্রতি আনা অনিয়ম, অস্বচ্ছতা ও ধর্মীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগকে সম্পূর্ণ বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছে নবগঠিত মসজিদ পরিচালনা কমিটি।

বুধবার (১২ নভেম্বর) সকালে উপজেলা সদরের সোনালী ব্যাংকের নিচতলায় আয়োজিত এই সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মসজিদ পরিচালনা কমিটির সহ-সভাপতি মো. ছামিউল ইসলাম সাদা।

তিনি বলেন, “মসজিদ পরিচালনা কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে চিরাচরিত নিয়ম অনুসরণ করা হয়েছে। স্থানীয় ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের মতামতের ভিত্তিতেই নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। এটি কোনো ব্যক্তিগত প্রভাব বা স্বার্থ নয়, বরং স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য একটি কমিটি।”

তিনি অভিযোগ করেন, কিছু ব্যক্তি ব্যক্তিগত স্বার্থে ও অতীতের প্রভাব হারানোর আশঙ্কায় মিথ্যা তথ্য প্রচার করে সাধারণ মুসল্লিদের বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছেন।

মসজিদ মার্কেটের দোকান ভাড়ার সিকিউরিটি টাকা নিয়ে আনা অভিযোগকে “সম্পূর্ণ মিথ্যা” বলে তিনি দাবি করেন। বলেন, “মসজিদ ও মার্কেটের রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে অর্থ লেনদেন হয়, যার সব হিসাব সংরক্ষিত রয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, মসজিদের ৫৫২ নং প্লট সংলগ্ন সরকারি খাস জমি নিয়ে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দেওয়া হয়েছে। অথচ ওই ব্যক্তিরা অতীতে কমিটিতে দায়িত্বে থাকলেও তখন কোনো আপত্তি জানাননি। প্রকৃতপক্ষে, মসজিদ প্রতিষ্ঠার পর থেকেই ওই খাস জমির একটি অংশ মসজিদের প্রয়োজনে ব্যবহৃত হয়ে আসছে, যা এর ঐতিহ্যের অংশ।

মো. ছামিউল ইসলাম সাদা আরও অভিযোগ করেন, “যাঁরা অভিযোগ তুলেছেন- জহুরুল ইসলাম মিলন ও জাকির হোসেন- তাঁরা আওয়ামী লীগের উপজেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই তাঁরা মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছেন।”

তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, “শতবর্ষী এই মসজিদের উন্নয়ন কাজ বহু বাধা সত্ত্বেও এগিয়ে চলছে। কিছু ব্যক্তি এই পবিত্র কাজে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছেন, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়।”

শেষে তিনি সাংবাদিক, মুসল্লি ও স্থানীয় শুভানুধ্যায়ীদের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করে বলেন, “আপনাদের কলমের মাধ্যমে সত্য প্রকাশ পেলে ধর্মীয় ঐক্য রক্ষা পাবে, বিভ্রান্তি দূর হবে এবং মসজিদ নির্মাণের কাজ সফলভাবে সম্পন্ন হবে, ইনশাআল্লাহ।”

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম বাদশা, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল মান্নান, উপজেলা ওলামা দলের সাবেক সভাপতি জহুরুল ইসলাম, ক্ষুদ্র বণিক সমিতির সভাপতি মোখলেছুর রহমান খান, ইউপি সদস্য জাহিদুল হক মনির, মাদ্রাসার সেক্রেটারি আলহাজ্ব ছমির আলী মল্লিকসহ মসজিদ কমিটির সদস্য ও স্থানীয় মুসল্লিরা।