ঝিনাইগাতীতে অপ্রাপ্তবয়স্ক ছেলের বিরুদ্ধে ধ’র্ষণচেষ্টা মামলা—পরিবারের দাবি মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত
- আপডেট সময় : ০২:১৮:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫ ১৫০ বার পড়া হয়েছে

ঝিনাইগাতীতে অপ্রাপ্তবয়স্ক ছেলের বিরুদ্ধে ধ’র্ষণচেষ্টা মামলা—পরিবারের দাবি মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত
সংবাদ সম্মেলনে সত্য উদঘাটনে নিরপেক্ষ তদন্তের আহবান জানালো পরিবার
শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে দায়ের হওয়া ধর্ষণচেষ্টার একটি মামলাকে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন অভিযুক্ত অপ্রাপ্তবয়স্ক কিশোরের পরিবার। শনিবার (২৯ নভেম্বর) দুপুরে নলকুড়া ইউনিয়নের ভালুকা স্কুল মাঠে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
লিখিত বক্তব্যে অভিযুক্ত কিশোর রাকিব হোসেনের বাবা মো. ছাহের আলী জানান, তার ছেলের বয়স মাত্র ১৪ বছর ১১ মাস। এই বয়সে তাকে এমন গুরুতর একটি মামলায় জড়ানো অমানবিক এবং তার ভবিষ্যতের জন্য হুমকিস্বরূপ বলে মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি অভিযোগ করেন, বাদিনী পক্ষের বর্ণিত ঘটনাবিবরণ সম্পূর্ণ মনগড়া, অসত্য ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। ঘটনার সময়, স্থান ও বর্ণিত পরিস্থিতি বাস্তবতার সঙ্গে মিল নেই। ছেলের কাছে মেয়েকে বিবাহ দিতে না পারায় ব্যক্তিগত শত্রুতার জেরে এই মামলা করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
পরিবারের সদস্যরা জানান, মিথ্যা অভিযোগে কিশোরটি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত এবং সামাজিকভাবে পরিবারটি অপূরণীয় ক্ষতির মুখে পড়েছে। এ ধরনের বিভ্রান্তিকর অভিযোগ ও গুজব ছড়ানো বন্ধে তারা উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
ছাহের আলী বলেন, “আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। সঠিক তদন্তেই সত্য প্রকাশ পাবে—এটাই আমাদের বিশ্বাস। তদন্তে আমরা পূর্ণ সহযোগিতা করব।” তিনি সাংবাদিকদের অনুরোধ জানান, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত বিভ্রান্তিকর তথ্য না ছড়ানোর পাশাপাশি অপ্রাপ্তবয়স্ক ছেলের ভবিষ্যত বিবেচনায় দায়িত্বশীল ভূমিকা নেওয়ার।
সংবাদ সম্মেলনের শেষে পরিবার পুনরায় দাবি করে যে মামলার অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, এবং তারা সত্য প্রতিষ্ঠায় প্রত্যয়ী।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগীর পরিবারের সদস্যসহ এলাকার শতাধিক নারী–পুরুষ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, উপজেলার নলকুড়া ইউনিয়নের ভালুকা গ্রামের মো. হাবিবুল্লাহর স্ত্রী মোছা. নুরেছা বেগম বাদী হয়ে একই গ্রামের মো. শাহের আলীর ছেলে রাকিব হোসেনকে বিবাদী করে তাদের মেয়ে মোছা. হাবিবা আক্তার রুবিনাকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে শেরপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে পিটিশন মামলা (নং–২৭৬/২৫) দায়ের করেছেন।




















