চারঘাটে পপকর্ণ বিক্রেতা স্বামীকে পিটিয়ে আহত করে স্ত্রীকে ধ/র্ষ/ণের অভিযোগ
- আপডেট সময় : ০৭:১২:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬ ১১১ বার পড়া হয়েছে

চারঘাটে পপকর্ণ বিক্রেতা স্বামীকে পিটিয়ে আহত করে স্ত্রীকে ধ/র্ষ/ণের অভিযোগ
স্টেশনে পপকর্ণ বিক্রেতা দম্পতির ওপর হামলা, টাকা ছিনতাই; অভিযুক্ত পলাতক, গ্রেপ্তারে অভিযান
রাজশাহীর চারঘাটে স্বামীকে পিটিয়ে আহত করার পর তার স্ত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় একজনকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মঙ্গলবার দিবাগত গভীর রাতে উপজেলার সরদহ রেলস্টেশন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী দম্পতি ট্রেন ও স্টেশনে পপকর্ণ বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করেন। তাদের বাড়ি নাটোর জেলায়। অভিযুক্ত আশরাফুল ইসলাম (৩৫) চারঘাট উপজেলার হলিদাগাছী জাগিরপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। ঘটনার পর থেকেই তিনি পলাতক রয়েছেন।
পুলিশ ও ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মঙ্গলবার বিকেলে প্রতিদিনের মতো পপকর্ণ বিক্রির উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হন ওই দম্পতি। দিনভর বিভিন্ন স্টেশনে পপকর্ণ বিক্রির পর রাত ১টার দিকে ঢাকাগামী ‘ঢাকা মেইল’ ট্রেন থেকে সরদহ স্টেশনে নামেন তারা। পরে স্টেশনসংলগ্ন একটি চায়ের দোকানে বসে খাবার খাওয়ার সময় হঠাৎ এক ব্যক্তি লাঠি ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়।
হামলাকারী প্রথমে স্বামীকে এলোপাতাড়ি লাঠিপেটা করে গুরুতর আহত করে এবং তার কাছ থেকে পপকর্ণ বিক্রির টাকা ছিনিয়ে নেয়। ছুরি দেখিয়ে তাকে তাড়িয়ে দিলে তিনি সেখান থেকে পালিয়ে যান। এরপর হামলাকারী তার স্ত্রীকে স্টেশনের পাশের জঙ্গলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ।
ভুক্তভোগী স্বামী জানান, হামলার সময় তিনি চিৎকার করলেও আশপাশে কেউ এগিয়ে আসেনি। প্রায় ৪৫ মিনিট পর স্থানীয় কয়েকজন লোক তার চিৎকার শুনে এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করেন। পরে তিনি পাশের জঙ্গল থেকে তার স্ত্রীকে উদ্ধার করেন। এ সময় স্থানীয়দের কাছ থেকে অভিযুক্তের পরিচয় জানতে পারেন।
সরদহ স্টেশনের স্টেশন মাস্টার ইকবাল কবির জানান, গভীর রাতে স্টেশনের পাশে ঘটনাটি ঘটলেও তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি তাদের নজরে আসেনি। পরে খবর পেয়ে পুলিশকে জানানো হয়। জরুরি সেবার নম্বরে ফোন পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ভুক্তভোগীদের উদ্ধার করে এবং তদন্ত শুরু করে।
চারঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মালেক বলেন, এ ঘটনায় মামলা গ্রহণ করা হয়েছে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের একাধিক দল অভিযান চালাচ্ছে। এছাড়া ঘটনার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত আছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।




















