গুরুদাসপুরে ছাত্রীকে অপহরণ করে ধর্ষণের অভিযোগে প্রধান শিক্ষক গ্রেপ্তার!
- আপডেট সময় : ০৮:০৯:৩৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অক্টোবর ২০২২ ২৪৪ বার পড়া হয়েছে

গুরুদাসপুরে ছাত্রীকে অপহরণ করে ধর্ষণের অভিযোগে প্রধান শিক্ষক গ্রেপ্তার!
নাটোর প্রতিনিধিঃ
গুরুদাসপুরে ছাত্রীকে অপহরণ করে ধর্ষণের অভিযোগে প্রধান শিক্ষক গ্রেপ্তার! নাটোরের গুরুদাসুপরের ছাত্রীকে অপহরণ করে ধর্ষণ মামলার আসামী স্কুলের প্রধান শিক্ষক ফিরোজ আহমেদকে গাজিপুর থেকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৫, সিপিসি-২ নাটোর ক্যাম্পের সদস্যরা। মঙ্গলবার (১১ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১টার দিকে গাজীপুরের কালিকাকৈড় উপজেলার হর-তকীতলা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পরে বুধবার (১২ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে তাকে নাটোর র্যাব ক্যাম্পে সাংবাদিকদের সামনে হাজির করে এক প্রেস বিফ্রিং-এ এই তথ্য জানানো হয়। গ্রেফতারকৃত ফিরোজ আহমেদ গুরুদাসপুর উপজেলার নাজিরপুর গ্রামের মৃত গোলাম মোস্তাফার ছেলে এবং নাজিরপুর মরিয়ম মেমোরিয়াল বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।
বুধবার সকালে নাটোর ক্যাম্পের কোম্পানি অধিনায়ক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফরহাদ হোসেন প্রেসব্রিফিং-এ বলেন, উপজেলার নাজিরপুর মোরিয়ম মেমোরিয়াল গালর্স স্কুলের ২০২২ সালের এসএসসি পরিক্ষার্থীর সাথে প্রধান শিক্ষক ফিরোজ আহমেদ প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। কৌশলে চলতি মাসের ১ তারিখ সকালে পরিক্ষার্থী ব্যবহারিক পরিক্ষা দিতে আসলে ফিরোজ আহমেদ স্কুলের মূল ফটক থেকে পরিক্ষার্থীকে মাইক্রোবাসে উঠিয়ে নাজিরপুর বাজারের দিকে চলে যায়। এমন ঘটনা স্থানিয়দের মুখে শুনে সাথে সাথে গুরুদাসপুর থানায় হাজির হয়ে পরিক্ষার্থীর মা বাদি হয়ে ফিরোজ আহমেদকে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করে। মামলা দায়েরের পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে পরিক্ষার্থীকে উদ্ধার করতে পারলেও পালিয়ে যায় আসামি ফিরোজ আহমেদ। এঘটনা পরিক্ষার্থী বিজ্ঞ আদালতে ২ অক্টোবর হাজির হয়ে ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন (সং/০৩) এর ২২ ধারায় জবান বন্দী প্রদান করে। তাতে জানা যায়, আসামী ফিরোজ আহমেদ পরিক্ষার্থীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেছেন। এছাড়া প্রধান শিক্ষকের বিচার দাবিতে স্কুলের সামনে মানববন্ধন করেছে স্থানিয়রা।
ঘটনাটি র্যাবের নজরে আসলে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১টার দিকে গাজিপুর জেলার কালিয়াকৈড় এলাকার হর-তকীতলা মমিতা হোটেলের সামনে থেকে ফিরোজ আহমেদকে গ্রেফতার করে র্যাব নাটোর ক্যাম্প। পরে তাকে গুরুদাসপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়।




















