রাজশাহীতে তেলের ডিপো ও ফিলিং স্টেশনে বিজিবির নজরদারি
- আপডেট সময় : ০৮:৪০:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬ ১৪৭ বার পড়া হয়েছে

রাজশাহীতে তেলের ডিপো ও ফিলিং স্টেশনে বিজিবির নজরদারি
অবৈধ মজুত ও সীমান্তপথে পাচার ঠেকাতে তিন অয়েল ডিপোতে প্লাটুন মোতায়েন, ১২ ফিলিং স্টেশনেও কড়া নজরদারি
দেশের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুত ও পাচার রোধে রাজশাহীর অয়েল ডিপো ও ফিলিং স্টেশনগুলোতে নজরদারি শুরু করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। রোববার (২৯ মার্চ) থেকে এ তৎপরতা শুরু করেছে বিজিবির রাজশাহী ১ ব্যাটালিয়ন।
রাজশাহীতে পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা—এই তিনটি অয়েল ডিপো রয়েছে। এছাড়া জেলায় ১২টি ফিলিং স্টেশন রয়েছে। এসব স্থানে বিজিবির কড়া নজরদারি শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে সীমান্তবর্তী পদ্মার চর এলাকাতেও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে, যাতে ভারতে জ্বালানি তেল পাচার করা না যায়।
রোববার বেলা ১১টার দিকে নগরীর শিরোইল ডিপো এলাকায় সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন বিজিবির রাজশাহী ১ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রিয়াজ শাহরিয়ার।
তিনি জানান, “জ্বালানি তেলের ডিপোগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিজিবিকে বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে তিনটি ডিপোতে তিন প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। ডিপোর সার্বিক নিরাপত্তা ও জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা আমাদের মূল উদ্দেশ্য।”
তিনি আরও বলেন, “শুধু ডিপো নয়, জেলার ১২টি ফিলিং স্টেশনেও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে বাংলাদেশের তুলনায় জ্বালানি তেলের দাম বেশি। তাই কিছু অসাধু চক্র মজুত ও সীমান্তপথে পাচারের চেষ্টা করতে পারে—এমন আশঙ্কা থেকেই সীমান্তেও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।”
বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, এই সংকটকালীন পরিস্থিতিতে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা, মজুত প্রতিরোধ এবং জনসাধারণের মধ্যে অযথা আতঙ্ক ও কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি ঠেকাতে স্থানীয় প্রশাসন ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে বিজিবি।
লেফটেন্যান্ট কর্নেল রিয়াজ শাহরিয়ার বলেন, “রাজশাহীর স্থানীয় প্রশাসন ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সব ধরনের সহযোগিতা করছে বিজিবি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আমাদের তৎপরতা অব্যাহত থাকবে।”



















