কাগজ নেই স্বীকার করলেও প্রভাব খাটিয়ে অন্যের জমি দখল-থামছে না দাপট; আতঙ্কে স্থানীয়রা
- আপডেট সময় : ০১:৩৬:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৫ ২০০ বার পড়া হয়েছে

কাগজ নেই স্বীকার করলেও প্রভাব খাটিয়ে অন্যের জমি দখল-থামছে না দাপট; আতঙ্কে স্থানীয়রা
ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার আউলিয়াপুর ইউনিয়নের কচুবাড়ি মাদারগঞ্জ গ্রামে কাগজপত্র না থাকার স্বীকারোক্তি সত্ত্বেও প্রভাব খাটিয়ে অন্যের জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে শফিকুল ইসলাম সাপর ও তার ছেলে রাকিবের বিরুদ্ধে। অভিযোগের পরও তাদের দাপট না থামায় আতঙ্কে রয়েছেন স্থানীয়রা।
গত কয়েকদিন ধরে এলাকায় জমি দখল ইস্যুটি ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এ নিয়ে সংঘর্ষের আশঙ্কাও প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। এমন পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে জেলা–উপজেলার সংবাদকর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করেন।
সেখানে দেখা যায়-কাগজে-কলমে জমিটির প্রকৃত মালিক মৃত নইমউদ্দীন মন্ডল ও তার স্ত্রী মৃত মনোয়ারা বেগম। মাদারগঞ্জ মৌজার জেল নং-৪০, দাগ নং-৫৭৯৬-এর সাড়ে ৪৮ শতক জমি তারা ক্রয় করেছিলেন। মালিক মৃত্যুবরণ করার পর পরিবারের সদস্যরা বাইরে থাকায় স সুযোগে ওই দাগের প্রায় ৩ শতক জমি জোরপূর্বক দখল করে রেখেছেন শফিকুল ইসলাম সাপর। এতে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয় এবং পরিস্থিতি উত্তপ্ত হচ্ছে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
এছাড়া শফিকুল ইসলাম সাপর একই গ্রামের রবিউল ইসলামের জমিও দখলের চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
ভুক্তভোগী রবিউল ইসলাম বলেন, “শফিকুল ইসলাম সাপর জোর করে প্রায় ৭ শতক জমি দখল করে আছেন। তার ছেলে রাকিব আউলিয়াপুর ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি হওয়ায় কেউ কিছু বলতে পারে না। বিষয়টি তুলে ধরে জেলা জামায়াতের নেতাদের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছি।”
সংবাদকর্মীরা সাপর ও তার ছেলে রাকিবের কাছে জমির কাগজপত্র জানতে চাইলে তারা কোনো বৈধ কাগজ দেখাতে পারেননি। উল্টো রাকিব ব্যক্তিগত স্বার্থে নিজ ফেসবুক আইডিতে গণমাধ্যমকর্মীদের নিয়ে মিথ্যাচার ছড়াচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে, যা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাংবাদিকরা।
জমির প্রকৃত মালিকদের পক্ষ থেকে মৃত নইমউদ্দীনের ছেলে মুজাহারুল ইসলাম বলেন, “বারবার শালিশ হলেও সাপর সিদ্ধান্ত মানতে নারাজ। শুধু আমাদের জমি নয়, রবিউলেরও জমি দখল করেছেন। মানুষ তাদের দাপট থেকে মুক্তি চায়।”
এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের সহকারি সেক্রেটারি অধ্যক্ষ কফিল উদ্দিন আহাম্মদ বলেন, “রাকিবের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ এসেছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”




















