ঢাকা ০৬:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
লালপুরে ৩৫ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক, থানায় মামলা ঠাকুরগাঁওয়ে বাধ্যতামূলক মামলাপূর্ব মধ্যস্থতা কার্যক্রমের উদ্বোধন পঞ্চগড় হাসপাতালের বেডে শি/শুকে ধ/র্ষ/ণচেষ্টার অভিযোগ, চিকিৎসাধীন রোগীকে গ্রেপ্তার সিংড়ায় ৭ মাসের গর্ভবতী স্ত্রীকে কু’পিয়ে হ/ত্যার অভিযোগ, স্বামী আটক মান্দায় এতিমখানার উন্নয়ন ও শিক্ষার মানোন্নয়নে মতবিনিময় সভা সামান্য বৃষ্টিতেই ধস, গোদাগাড়ীর সরমংলা ইকো পার্কের ওয়াকওয়ে নিয়ে প্রশ্ন তিন দফা দাবিতে আন্দোলনে রাজশাহী চিনিকল শ্রমিকরা, শুরু ফটক সভা বরেন্দ্রকে স্মার্ট কৃষি অঞ্চলে গড়তে সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান বিএমডিএ চেয়ারম্যানের উত্তরাঞ্চলে প্রথমবার শিশুদের জন্মগত হৃদরোগ শনাক্তে বিশেষ উদ্যোগ, রাজশাহীতে তিন দিন বিনামূল্যে স্ক্রিনিং বাগাতিপাড়ায় শিক্ষার্থীদের মাঝে এসএসএসের ১,২৫০টি গাছের চারা বিতরণ

ঠাকুরগাঁওয়ে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জাল সনদে চাকরি করছেন ৯ জন!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৪৮:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২২ ২০৪ বার পড়া হয়েছে

ঠাকুরগাঁওয়ের রুহিয়া ডিগ্রী কলেজ

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঠাকুরগাঁওয়ে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জাল সনদে চাকরি করছেন ৯ জন!

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ
ঠাকুরগাঁওয়ে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জাল সনদে চাকরি করছেন ৯ জন। পরিদর্শন ও নিরীক্ষা বিভাগ (ডিআইএ) সারা দেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জাল সনদে চাকরি নেওয়া শিক্ষকদের নামের তালিকা প্রকাশ পেয়েছে। এ তালিকায় ঠাকুরগাঁওয়ে ৯ শিক্ষকের নাম দেখা গেছে। ডিআইএ বলছে, এটা তাদের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের শুদ্ধি অভিযান। এ অভিযানে রাজশাহী ও রংপুর অঞ্চলের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জাল সনদে চাকরি নেওয়া প্রথম পর্বের তালিকা থেকে ঠাকুরগাঁওয়ের ৯ জনের নাম পাওয়া গেছে।
সোমবার এই প্রতিবেদনের প্রথম পর্ব প্রকাশ হলে জেলার নয় জন শিক্ষকের নাম পাওয়া যায়। তারা জাল সনদে চাকরি করে আসছেন। এদের মধ্যে এমপিওভুক্ত চার শিক্ষক ও বাকি পাঁচজন নন এমপিওভুক্ত। জাল সনদে চাকরি নেওয়া ব্যক্তিদের চাকরিচ্যুতসহ সরকারি কোষাগার থেকে প্রাপ্ত বেতন-ভাতা ফেরতসহ তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও জানা গেছে।

জাল সনদধারী শিক্ষকরা হলেন, জেলার সদর উপজেলার পারপূগী দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের কম্পিউটার শিক্ষক সাইদা ইসলাম, সিন্দুর্ণা উচ্চ বিদ্যালয়ের কম্পিউটার শিক্ষক ফাইসাল আলী, রুহিয়া ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক আতিকুর রহমান, বালীয়াডাঙ্গী উপজেলার লোলপুকুর ডিএম উচ্চ বিদ্যালয়ের হিন্দু ধর্মের সহকারী শিক্ষক জসেদা বালা দেবী, সালন্দর উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক (সমাজ) আতিয়ার রহমান, রাণীশংকৈল উপজেলার নেকমরদ বঙ্গবন্ধু ডিগ্রী কলেজের প্রভাষক (দর্শন) মোশাররফ হোসেন, হরিপুর উপজেলার ভাতুরিয়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক (শরীরচর্চা) জিল্লুর রহমান, পীরগন্জ উপজেলার পীরগন্জ মহিলা কলেজের প্রভাষক (দর্শন) দীপিকা রাণী রায় ও প্রভাষক (ইসলামের ঐতিহ্য ও ইতিহাস) জগবন্ধু রায়।
ডিআইএ প্রকাশিত তথ্য মতে, চলতি বছরের ২৫ মে থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে শুদ্ধি অভিযানে ১ হাজার ১৫৬ জন শিক্ষকের শিক্ষাগত ও যোগ্যতার সনদ ভুয়া পেয়েছেন পরিদর্শন ও নিরীক্ষা বিভাগ (ডিআইএ)। রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের জাল সনদধারী শিক্ষক রয়েছেন ৪৪৩। জন। এই দুই অঞ্চলের প্রথম পর্বের তালিকায় ১৯৩ জন শিক্ষকের নাম প্রকাশ পেয়েছে।
জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা খন্দকার আলাউদ্দিন আল আজাদ বলেন, পরিদর্শন ও নিরীক্ষা বিভাগ (ডিআইএ) প্রদত্ত জাল সনদে শিক্ষকদের চাকরি নেওয়া বিষয়টি শুনেছি। তবে এখনো কোনো নির্দেশনা পাওয়া যায়নি। তবে জাল সনদধারীদের ব্যাপারে বিধি মোতাবেক যে ব্যবস্থা নেওয়া হবে, শিক্ষা পরিবার তা বাস্তবায়ন করবে।

পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (ডিআইএ) প্রফেসর অলিউল্লাহ্ মোঃ আজমতগীর বিষয়টি মুঠোফোনে বলেন, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এ বিষয়ে আমাদের কাছে ১০ বছরের একটি হিসাব চেয়েছেন। এজন্য তালিকাটি তৈরি করা হয়েছে। বিশেষ করে এনটিআরসি সনদ, কম্পিউটার সনদ, গ্রন্থাগার সনদসহ এ রকম কিছু বিষয়ে ওই শিক্ষকদের সনদ ঠিক পাওয়া যায়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ঠাকুরগাঁওয়ে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জাল সনদে চাকরি করছেন ৯ জন!

আপডেট সময় : ১২:৪৮:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২২

ঠাকুরগাঁওয়ে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জাল সনদে চাকরি করছেন ৯ জন!

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ
ঠাকুরগাঁওয়ে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জাল সনদে চাকরি করছেন ৯ জন। পরিদর্শন ও নিরীক্ষা বিভাগ (ডিআইএ) সারা দেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জাল সনদে চাকরি নেওয়া শিক্ষকদের নামের তালিকা প্রকাশ পেয়েছে। এ তালিকায় ঠাকুরগাঁওয়ে ৯ শিক্ষকের নাম দেখা গেছে। ডিআইএ বলছে, এটা তাদের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের শুদ্ধি অভিযান। এ অভিযানে রাজশাহী ও রংপুর অঞ্চলের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জাল সনদে চাকরি নেওয়া প্রথম পর্বের তালিকা থেকে ঠাকুরগাঁওয়ের ৯ জনের নাম পাওয়া গেছে।
সোমবার এই প্রতিবেদনের প্রথম পর্ব প্রকাশ হলে জেলার নয় জন শিক্ষকের নাম পাওয়া যায়। তারা জাল সনদে চাকরি করে আসছেন। এদের মধ্যে এমপিওভুক্ত চার শিক্ষক ও বাকি পাঁচজন নন এমপিওভুক্ত। জাল সনদে চাকরি নেওয়া ব্যক্তিদের চাকরিচ্যুতসহ সরকারি কোষাগার থেকে প্রাপ্ত বেতন-ভাতা ফেরতসহ তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও জানা গেছে।

জাল সনদধারী শিক্ষকরা হলেন, জেলার সদর উপজেলার পারপূগী দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের কম্পিউটার শিক্ষক সাইদা ইসলাম, সিন্দুর্ণা উচ্চ বিদ্যালয়ের কম্পিউটার শিক্ষক ফাইসাল আলী, রুহিয়া ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক আতিকুর রহমান, বালীয়াডাঙ্গী উপজেলার লোলপুকুর ডিএম উচ্চ বিদ্যালয়ের হিন্দু ধর্মের সহকারী শিক্ষক জসেদা বালা দেবী, সালন্দর উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক (সমাজ) আতিয়ার রহমান, রাণীশংকৈল উপজেলার নেকমরদ বঙ্গবন্ধু ডিগ্রী কলেজের প্রভাষক (দর্শন) মোশাররফ হোসেন, হরিপুর উপজেলার ভাতুরিয়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক (শরীরচর্চা) জিল্লুর রহমান, পীরগন্জ উপজেলার পীরগন্জ মহিলা কলেজের প্রভাষক (দর্শন) দীপিকা রাণী রায় ও প্রভাষক (ইসলামের ঐতিহ্য ও ইতিহাস) জগবন্ধু রায়।
ডিআইএ প্রকাশিত তথ্য মতে, চলতি বছরের ২৫ মে থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে শুদ্ধি অভিযানে ১ হাজার ১৫৬ জন শিক্ষকের শিক্ষাগত ও যোগ্যতার সনদ ভুয়া পেয়েছেন পরিদর্শন ও নিরীক্ষা বিভাগ (ডিআইএ)। রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের জাল সনদধারী শিক্ষক রয়েছেন ৪৪৩। জন। এই দুই অঞ্চলের প্রথম পর্বের তালিকায় ১৯৩ জন শিক্ষকের নাম প্রকাশ পেয়েছে।
জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা খন্দকার আলাউদ্দিন আল আজাদ বলেন, পরিদর্শন ও নিরীক্ষা বিভাগ (ডিআইএ) প্রদত্ত জাল সনদে শিক্ষকদের চাকরি নেওয়া বিষয়টি শুনেছি। তবে এখনো কোনো নির্দেশনা পাওয়া যায়নি। তবে জাল সনদধারীদের ব্যাপারে বিধি মোতাবেক যে ব্যবস্থা নেওয়া হবে, শিক্ষা পরিবার তা বাস্তবায়ন করবে।

পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (ডিআইএ) প্রফেসর অলিউল্লাহ্ মোঃ আজমতগীর বিষয়টি মুঠোফোনে বলেন, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এ বিষয়ে আমাদের কাছে ১০ বছরের একটি হিসাব চেয়েছেন। এজন্য তালিকাটি তৈরি করা হয়েছে। বিশেষ করে এনটিআরসি সনদ, কম্পিউটার সনদ, গ্রন্থাগার সনদসহ এ রকম কিছু বিষয়ে ওই শিক্ষকদের সনদ ঠিক পাওয়া যায়নি।