গোদাগাড়ীতে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সাবেক আইজিপি ড. এম এনামুল হকের দাফন
- আপডেট সময় : ১০:২০:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬ ৩৫ বার পড়া হয়েছে

গোদাগাড়ীতে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সাবেক আইজিপি ড. এম এনামুল হকের দাফন
মুক্তার হোসন, গোদাগাড়ী (রাজশাহী) প্রতিনিধিঃ
রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে বাংলাদেশ পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি), ইন্টারপোল ও বাংলাদেশ আইন কমিশনের সাবেক সদস্য ড. এম এনামুল হককে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হয়েছে। সোমবার (৩১ আগস্ট) দ্বিতীয় জানাজা শেষে পিতামাতার কবরের পাশে তাঁকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়।
ড. এম এনামুল হক গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ অনীক রুশদ হকের পিতা। এর আগে রোববার (৩০ আগস্ট) ফজরের ওয়াক্তে তিনি ইন্তেকাল করেন। একই দিন দুপুরে রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে তাঁর প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
সোমবার বেলা ১১টায় গোদাগাড়ীর আ.ফ.জি. পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে তাঁর দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজার আগে রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতার অংশ হিসেবে পুলিশের একটি চৌকস দল বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. এম এনামুল হককে গার্ড অব অনার প্রদান করে। তাঁকে শেষবারের মতো শ্রদ্ধা জানাতে জানাজায় স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের ঢল নামে।
জানাজায় পরিবারের সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মরহুমের সন্তান ও সুপ্রিম কোর্টের অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ অনীক রুশদ হক, ভাই নেসকোর চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) শরীফ উদ্দিন এবং ভাতিজা ডাক, টেলিযোগাযোগ ও আইসিটি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ।
এ ছাড়া রাজশাহী-৬ আসনের সংসদ সদস্য আবু সাঈদ চাঁদ, বাংলাদেশ বার কাউন্সিল ল রিফর্ম কমিটির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার মাহফুজুর রহমান মিলন, রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (আরডিএ) চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ সুইট, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট এরশাদ আলী ঈশা, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইসরাত জাহানসহ জেলা পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ড. এম এনামুল হকের কর্মজীবন ছিল দীর্ঘ ও গৌরবময়। তিনি ১৯৬৪ সালে পুলিশ ক্যাডারে যোগদান করেন। কর্মজীবনে বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমির অধ্যক্ষ এবং ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ১৯৯১ সালের ১৬ অক্টোবর থেকে ১৯৯২ সালের ৮ জুলাই পর্যন্ত বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
পুলিশ সেবা থেকে অবসর নেওয়ার পর ২০০৪ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশ আইন কমিশনের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, পুলিশ প্রশাসনের আধুনিকায়ন এবং নিরাপত্তাসংক্রান্ত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে ড. এম এনামুল হকের অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে।









