ঢাকা ০৪:২০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শ্রীবরদীতে ড্রামের ভেতর নারীর মরদেহ, পরিচয় শনাক্ত করল পিবিআই বাগাতিপাড়ায় উপজেলা পরিষদ চত্বরের মসজিদের দানবাক্স ভেঙে টাকা চুরি রাজশাহীতে প্রধানমন্ত্রীর বাস নিয়ে ফেসবুকে ‘স্নাইপার’ মন্তব্যকারী যুবক আটক অসুস্থ ভূমিমন্ত্রী মিনুকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া হলো বাগাতিপাড়ায় এক ঘণ্টায় শেয়ালের কামড়ে নারীসহ ১১ জন আহত মাত্র ৫০০ টাকায় ঠাকুরগাঁও থেকে তেঁতুলিয়া ভ্রমণ, ইএসডিওর ‘ডে ট্রিপ’ চালু বাইপাস সড়ক নেই পঞ্চগড় শহরে, যানজটে চরম দুর্ভোগ লালপুরে বাড়ির পেছন থেকে গাঁজাগাছ উদ্ধার, বাড়ির মালিক আটক রাণীনগরে নারীকে উ’ত্ত্যক্তের প্রতিবাদ, মন্দির কমিটির সহ-সভাপতিসহ ছু/রিকাঘাতে আহত ২ রাজশাহীতে লিচুবাগান থেকে ১০৩টি তাজা ককটেল উদ্ধার

গো-খাদ্যের ঊর্ধ্বগতিতে দিশেহারা রায়গঞ্জের পশু খামারিরা

মো. মোকাদ্দেস হোসাইন সোহান, রায়গঞ্জ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ১১:৩৫:০৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬ ৩৭২ বার পড়া হয়েছে

pic Collected

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গো-খাদ্যের ঊর্ধ্বগতিতে দিশেহারা রায়গঞ্জের পশু খামারিরা

খড়-ভুসির আকাশছোঁয়া দাম; বাজার নিয়ন্ত্রণ ও সহায়তা চাইলেন ক্ষুদ্র খামারিরা

গো-খাদ্যের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধিতে চরম বিপাকে পড়েছেন সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার ছোট-বড় পশু খামারিরা। খড়, ভুসি, ধানের গুঁড়া ও খুঁদের দাম বেড়ে যাওয়ায় গবাদিপশুর খাদ্য জোগান দিতে হিমশিম খাচ্ছেন তারা।

স্থানীয়দের মতে, উপজেলার বিভিন্ন ফসলি জমি বর্গা বা লিজ নিয়ে মুরগির খামার, মাছের পুকুর ও বসতবাড়ি নির্মাণের কারণে আবাদি ধানের জমি কমে যাচ্ছে। ফলে খড়ের উৎপাদন কমে চাহিদা বেড়ে গেছে। এ কারণে বাজারে খড়ের দাম অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, নিম্ন আয়ের প্রায় প্রতিটি পরিবার গবাদিপশু পালন করে জীবিকা নির্বাহ করে। পাশাপাশি অনেকেই ছোট আকারের খামার গড়ে তুলেছেন। এসব পশুর খাদ্য হিসেবে খড় কিনতে গিয়ে বাড়তি খরচ গুনতে হচ্ছে। বিভিন্ন বাজারে মৌসুমি ব্যবসায়ীরা পাশ্ববর্তী জেলা-উপজেলা থেকে খড় কিনে এনে মণ দরে কিংবা ছোট আঁটি করে বিক্রি করছেন।

বর্তমানে প্রতি কেজি ভুসি ৫৫ থেকে ৬০ টাকা, ধানের গুঁড়া ১৮ থেকে ২০ টাকা এবং খুঁদ ৩৮ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এতে করে দানাদার খাদ্যের ব্যয়ও বেড়েছে কয়েকগুণ।

গ্রামপাঙ্গাসী গ্রামের ক্ষুদ্র খামারি মো. নুরুল ইসলাম জানান, তার খামারে চার থেকে পাঁচটি গরু রয়েছে। কিন্তু চাহিদা অনুযায়ী খাবার দিতে পারছেন না। বিভিন্ন স্থান থেকে কষ্ট করে খাদ্য সংগ্রহ করতে হচ্ছে। বাজারে দানাদার খাদ্যের দামও আকাশচুম্বী হওয়ায় ক্ষুদ্র খামারিরা মারাত্মক সংকটে পড়েছেন।

খামারিরা দানাদার খাদ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণ এবং সরকারি আর্থিক সহায়তার দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে অনেকেই খামার বন্ধ করতে বাধ্য হবেন, যা স্থানীয় অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

March 2, 2026
গো-খাদ্যের ঊর্ধ্বগতিতে দিশেহারা রায়গঞ্জের পশু খামারিরা
বিস্তারিত কমেন্টে...www.channelanews.com
Advertisement

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

গো-খাদ্যের ঊর্ধ্বগতিতে দিশেহারা রায়গঞ্জের পশু খামারিরা

আপডেট সময় : ১১:৩৫:০৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬

গো-খাদ্যের ঊর্ধ্বগতিতে দিশেহারা রায়গঞ্জের পশু খামারিরা

খড়-ভুসির আকাশছোঁয়া দাম; বাজার নিয়ন্ত্রণ ও সহায়তা চাইলেন ক্ষুদ্র খামারিরা

গো-খাদ্যের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধিতে চরম বিপাকে পড়েছেন সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার ছোট-বড় পশু খামারিরা। খড়, ভুসি, ধানের গুঁড়া ও খুঁদের দাম বেড়ে যাওয়ায় গবাদিপশুর খাদ্য জোগান দিতে হিমশিম খাচ্ছেন তারা।

স্থানীয়দের মতে, উপজেলার বিভিন্ন ফসলি জমি বর্গা বা লিজ নিয়ে মুরগির খামার, মাছের পুকুর ও বসতবাড়ি নির্মাণের কারণে আবাদি ধানের জমি কমে যাচ্ছে। ফলে খড়ের উৎপাদন কমে চাহিদা বেড়ে গেছে। এ কারণে বাজারে খড়ের দাম অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, নিম্ন আয়ের প্রায় প্রতিটি পরিবার গবাদিপশু পালন করে জীবিকা নির্বাহ করে। পাশাপাশি অনেকেই ছোট আকারের খামার গড়ে তুলেছেন। এসব পশুর খাদ্য হিসেবে খড় কিনতে গিয়ে বাড়তি খরচ গুনতে হচ্ছে। বিভিন্ন বাজারে মৌসুমি ব্যবসায়ীরা পাশ্ববর্তী জেলা-উপজেলা থেকে খড় কিনে এনে মণ দরে কিংবা ছোট আঁটি করে বিক্রি করছেন।

বর্তমানে প্রতি কেজি ভুসি ৫৫ থেকে ৬০ টাকা, ধানের গুঁড়া ১৮ থেকে ২০ টাকা এবং খুঁদ ৩৮ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এতে করে দানাদার খাদ্যের ব্যয়ও বেড়েছে কয়েকগুণ।

গ্রামপাঙ্গাসী গ্রামের ক্ষুদ্র খামারি মো. নুরুল ইসলাম জানান, তার খামারে চার থেকে পাঁচটি গরু রয়েছে। কিন্তু চাহিদা অনুযায়ী খাবার দিতে পারছেন না। বিভিন্ন স্থান থেকে কষ্ট করে খাদ্য সংগ্রহ করতে হচ্ছে। বাজারে দানাদার খাদ্যের দামও আকাশচুম্বী হওয়ায় ক্ষুদ্র খামারিরা মারাত্মক সংকটে পড়েছেন।

খামারিরা দানাদার খাদ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণ এবং সরকারি আর্থিক সহায়তার দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে অনেকেই খামার বন্ধ করতে বাধ্য হবেন, যা স্থানীয় অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

March 2, 2026
গো-খাদ্যের ঊর্ধ্বগতিতে দিশেহারা রায়গঞ্জের পশু খামারিরা
বিস্তারিত কমেন্টে...www.channelanews.com
Advertisement