ঢাকা ০৯:০৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বড়াইগ্রাম কেন্দ্রীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি পিকেএম আব্দুল বারী, সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন লাইফ রাণীশংকৈলে ১২৬ অসচ্ছল নারী পেলেন সেলাই মেশিন বড়াইগ্রামে ব্যবসায়ীকে ডেকে মারধর, আপত্তিকর ভিডিও ধারণ করে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ নতুন কুঁড়িতে নাটোরের দুই সেরা শিশু ক্রীড়াবিদকে সংবর্ধনা রাজশাহীতে বিএসটিআইয়ের অভিযানে অলিম্পিয়া সুইটসকে জরিমানা ঘাটাইলে দুই মন্দিরে প্রতিমা ভাঙচুর করেছে দুর্বৃত্তরা পঞ্চগড়ে জুলাই সনদ ও গণভোট বাস্তবায়নের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এলাকা ‘ইমার্জেন্সি রেসপন্স জোন’ ঘোষণার দাবি রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির পদত্যাগ দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পীরগঞ্জে বজ্রপাতে নারীসহ দুজনের মৃত্যু, আহত ২

টাঙ্গাইলে ট্রেনে কাটা পড়ে নাটোরের বাবা ও ছেলে নিহত!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৩৮:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ২৬৩ বার পড়া হয়েছে

ট্রেনে কাটা পড়ে নিহত বাবা রতন ও শিশু পুত্র সন্তান সানি

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

টাঙ্গাইলে ট্রেনে কাটা পড়ে নাটোরের বাবা ও ছেলে নিহত!

নাটোর প্রতিনিধিঃ
টাঙ্গাইলের কালিহাতিতে শিশু সানিকে বাঁচাতে গিয়ে ট্রেনে কেটে শিশু সানিসহ নিহত হন ৩ জন। নিহত এই তিনজনের মধ্যে ২ জন নাটোরের বড়াইগ্রামের রতন প্রামানিক (২৮) ও তার চার বছর বয়সী শিশু সন্তান সানি। অপর জন রাজশাহীর বেলপুকুর এলাকার শরীফ মন্ডল (৪০)। নিহত রতন প্রামানিক নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার জোনাইল আদগ্রামের আলাউদ্দিন প্রামাণিকের ছেলে এবং শরীফ মন্ডল রাজশাহীর বেলপুকুর মাহিন্দ্রা গ্রামের আলম মন্ডলের ছেলে। শুক্রবার (২ ফেব্রুয়ারী) রাত সাড়ে ৮টার দিকে টাঙ্গাইলের কালিহাতীর আনালিয়াবাড়ি এলাকায় এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে।

রতনের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, রতন নতুন চাকরী পেয়ে স্ত্রী ও চার বছর বয়সী শিশুপুত্রকে নিয়ে বাসযোগে ঢাকায় যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে টাঙ্গাইলের কালিহাতি এলাকায় বাসটি থেমে যায়। যান্ত্রিক ত্রুটি সারিয়ে তুলতে বেশ কিছু সময় লাগবে বলে জানায় বাসের চালক ও হেলপার। এসময় স্ত্রী’কে বাসের সীটে বসিয়ে রেখে শিশুপুত্র সানিকে প্রসাব করানোর জন্য মহাসড়ক সংলগ্ন রেললাইনের পাশে নিয়ে যান রতন। ছেলের প্রকৃতির কাজ করানোর পর নিজেও একই কাজ করার সময় ছেলে রেললাইনের ওপরে ওঠে। এসময় একটি ট্রেনকে আসতে দেখে দৌড়ে ছেলেকে বাঁচাতে গেলে ছেলে সহ রতন ট্রেনে কাটা পড়ে মারা যান। এ সময় রতনের শিশুপুত্রকে বাঁচাতে গিয়ে ট্রেনের ধাক্কায় মারা যায় একই বাসের যাত্রী শরিফ মন্ডল।

নিহত রতনের পরিবারের সদস্যরা জানান, স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে কর্মস্থল ঢাকায় যাচ্ছিলেন রতন। বিকাল ৪টার দিকে আদগ্রামের নিজ বাড়ি থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেয় এবং রাজশাহী থেকে ঢাকাগামী বাসে ওঠে তারা। পথে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার অফিসার ইনচার্জ আলমগীর হোসেন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, রাতেই তিনটি মৃতদেহ ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহতের স্বজনদের কাছে মৃতদেহগুলো হস্তান্তর করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

টাঙ্গাইলে ট্রেনে কাটা পড়ে নাটোরের বাবা ও ছেলে নিহত!

আপডেট সময় : ০৭:৩৮:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

টাঙ্গাইলে ট্রেনে কাটা পড়ে নাটোরের বাবা ও ছেলে নিহত!

নাটোর প্রতিনিধিঃ
টাঙ্গাইলের কালিহাতিতে শিশু সানিকে বাঁচাতে গিয়ে ট্রেনে কেটে শিশু সানিসহ নিহত হন ৩ জন। নিহত এই তিনজনের মধ্যে ২ জন নাটোরের বড়াইগ্রামের রতন প্রামানিক (২৮) ও তার চার বছর বয়সী শিশু সন্তান সানি। অপর জন রাজশাহীর বেলপুকুর এলাকার শরীফ মন্ডল (৪০)। নিহত রতন প্রামানিক নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার জোনাইল আদগ্রামের আলাউদ্দিন প্রামাণিকের ছেলে এবং শরীফ মন্ডল রাজশাহীর বেলপুকুর মাহিন্দ্রা গ্রামের আলম মন্ডলের ছেলে। শুক্রবার (২ ফেব্রুয়ারী) রাত সাড়ে ৮টার দিকে টাঙ্গাইলের কালিহাতীর আনালিয়াবাড়ি এলাকায় এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে।

রতনের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, রতন নতুন চাকরী পেয়ে স্ত্রী ও চার বছর বয়সী শিশুপুত্রকে নিয়ে বাসযোগে ঢাকায় যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে টাঙ্গাইলের কালিহাতি এলাকায় বাসটি থেমে যায়। যান্ত্রিক ত্রুটি সারিয়ে তুলতে বেশ কিছু সময় লাগবে বলে জানায় বাসের চালক ও হেলপার। এসময় স্ত্রী’কে বাসের সীটে বসিয়ে রেখে শিশুপুত্র সানিকে প্রসাব করানোর জন্য মহাসড়ক সংলগ্ন রেললাইনের পাশে নিয়ে যান রতন। ছেলের প্রকৃতির কাজ করানোর পর নিজেও একই কাজ করার সময় ছেলে রেললাইনের ওপরে ওঠে। এসময় একটি ট্রেনকে আসতে দেখে দৌড়ে ছেলেকে বাঁচাতে গেলে ছেলে সহ রতন ট্রেনে কাটা পড়ে মারা যান। এ সময় রতনের শিশুপুত্রকে বাঁচাতে গিয়ে ট্রেনের ধাক্কায় মারা যায় একই বাসের যাত্রী শরিফ মন্ডল।

নিহত রতনের পরিবারের সদস্যরা জানান, স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে কর্মস্থল ঢাকায় যাচ্ছিলেন রতন। বিকাল ৪টার দিকে আদগ্রামের নিজ বাড়ি থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেয় এবং রাজশাহী থেকে ঢাকাগামী বাসে ওঠে তারা। পথে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার অফিসার ইনচার্জ আলমগীর হোসেন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, রাতেই তিনটি মৃতদেহ ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহতের স্বজনদের কাছে মৃতদেহগুলো হস্তান্তর করা হবে।