রাসিকের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে হাম-রুবেলা টিকা পেল ৫৭ হাজারের বেশি শিশু
- আপডেট সময় : ০৯:২৪:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬ ৮৬ বার পড়া হয়েছে

রাসিকের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে হাম-রুবেলা টিকা পেল ৫৭ হাজারের বেশি শিশু
১০৪ দশমিক ৫৩ শতাংশ সফলতা অর্জন; সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানালেন রাসিক প্রশাসক
রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের (রাসিক) ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হাম-রুবেলা টিকাদান কার্যক্রমে শতভাগেরও বেশি সফলতা অর্জিত হয়েছে। রাজশাহী মহানগরীর স্কুল ও কমিউনিটি পর্যায়ে পরিচালিত এ কার্যক্রমে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি সংখ্যক শিশুকে টিকা প্রদান করা হয়েছে।
রাসিকের স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্যমতে, রাজশাহী মহানগরীতে স্কুল ও কমিউনিটি পর্যায়ে মোট লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৫৪ হাজার ৮৮৬ জন শিশুকে। এর বিপরীতে হাম-রুবেলা টিকা প্রদান করা হয়েছে ৫৭ হাজার ৩৭০ জনকে, যা মোট লক্ষ্যমাত্রার ১০৪ দশমিক ৫৩ শতাংশ।
হাম-রুবেলা টিকাদান কার্যক্রমে এ সফলতা অর্জন করায় রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোঃ মাহফুজুর রহমান রিটন সরকারের স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) ও ইউনিসেফের সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি, রাসিকের স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্বাস্থ্যকর্মী, ইপিআই সুপারভাইজার, টিম লিডার, স্বেচ্ছাসেবক, শিক্ষক, অভিভাবক এবং সচেতন নগরবাসীর প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
রাসিক প্রশাসক বলেন, শিশুদের সুস্থ ও নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে হাম-রুবেলা টিকাদান কার্যক্রম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে টিকা প্রদান কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে এবং একজন শিশুও যেন টিকার আওতার বাইরে না থাকে সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, “প্রথম পর্যায়েই আমরা নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছি। এ সফলতা অর্জনে সংশ্লিষ্ট সকলের আন্তরিক সহযোগিতা ছিল প্রশংসনীয়। এজন্য আমি সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।”
উল্লেখ্য, গত ২০ এপ্রিল ২০২৬ থেকে ১০ মে ২০২৬ পর্যন্ত রাজশাহী মহানগরীর স্কুল ও কমিউনিটি পর্যায়ে মোট ৪৩৮টি কেন্দ্রে হাম-রুবেলা টিকাদান কার্যক্রম পরিচালিত হয়। সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এ কার্যক্রমের সময়সীমা আগামী ২০ মে পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।
বর্তমানে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ‘মপ-আপ’ কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। এ সময় টিকা না পাওয়া শিশুদের শনাক্ত করে তাৎক্ষণিকভাবে টিকা প্রদান করা হচ্ছে। পাশাপাশি র্যাপিড কনভিনিয়েন্স মনিটরিংয়ের মাধ্যমে তথ্য অনলাইনে আপলোড করা হচ্ছে।




















