বাগাতিপাড়ায় জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ সফলভাবে সমাপ্ত
- আপডেট সময় : ০৬:৩০:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬ ২০০ বার পড়া হয়েছে

বাগাতিপাড়ায় জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ সফলভাবে সমাপ্ত
রান্না প্রতিযোগিতা, সেমিনার ও পুরস্কার বিতরণীর মধ্য দিয়ে সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচির পরিসমাপ্তি
“পুষ্টি বৈষম্যের দিন শেষ—গড়বো স্বনির্ভর বাংলাদেশ” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে নাটোরের বাগাতিপাড়ায় সপ্তাহব্যাপী জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ সফলভাবে সমাপ্ত হয়েছে। ২৩ এপ্রিল শুরু হওয়া এ কর্মসূচির সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয় ২৯ এপ্রিল।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকাল ১০টায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের আয়োজনে এবং উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার কার্যালয়ের বাস্তবায়নে সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এ উপলক্ষে পুষ্টিকর খাদ্য রান্না প্রতিযোগিতা শেষে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের হলরুমে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সেমিনার, রচনা, চিত্রাঙ্কন ও কুইজ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সৈকত মোঃ রেজওয়ানুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলাউদ্দিন।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাগাতিপাড়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) শহিদুল ইসলাম, সমাজসেবা কর্মকর্তা মিজানুর রহমান, মৎস্য সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আশেক এসবি সাত্তার, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী এনায়েত, উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের ভেটেরিনারি সার্জন লতিফ, আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. ইসমাইল হোসেন, পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা জামিউর রহমান, মেডিসিন জুনিয়র কনসালট্যান্ট ডা. ফয়সাল ইবনে ফিরোজ, অ্যাসিস্ট্যান্ট গাইনি প্রফেসর ডা. মাহবুবা জান্নাত, ডেন্টাল সার্জন ডা. মিজানুর রহমান, এমওডিসি ডা. মো. আবু নওয়াজ আল নাহিদ, এপিক বাংলাদেশের প্রতিনিধি ফারুমা খাতুনসহ স্থানীয় সাংবাদিক, শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শিক্ষার্থীরা।
আলোচনা সভায় বক্তারা নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্যের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, সমাজের সকল স্তরের মানুষকে এ বিষয়ে সচেতন হতে হবে। তারা আরও বলেন, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
বক্তারা জানান, এবারের পুষ্টি সপ্তাহে নানা কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এর মধ্যে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে পুষ্টি বার্তা পৌঁছে দেওয়া, এতিমখানা ও মাদ্রাসায় পুষ্টিকর খাবার বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে আগত রোগী ও তাদের স্বজনদের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধি, কৈশোর ও প্রবীণ জনগোষ্ঠীর কাছে পুষ্টি বিষয়ক বার্তা পৌঁছে দেওয়া, শিক্ষার্থীদের জন্য কুইজ, রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা আয়োজন উল্লেখযোগ্য। এছাড়া শিশু, মা ও গর্ভবতী নারীদের খাদ্য ও পুষ্টি বিষয়ে আলোচনা এবং মা সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
সপ্তাহব্যাপী এ কর্মসূচির সফল সমাপ্তিকে বক্তারা প্রশংসনীয় উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করেন।




















