নলডাঙ্গায় যুবদলের দুই গ্রুপের সং/ঘর্ষে ৪ জন আটক
- আপডেট সময় : ১০:২২:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ১৬৭ বার পড়া হয়েছে

নলডাঙ্গায় যুবদলের দুই গ্রুপের সং/ঘর্ষে ৪ জন আটক
ধারালো অস্ত্রের হামলায় আহত একাধিক; দুই নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার
নাটোরের নলডাঙ্গায় যুবদলের দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনায় মহিলাসহ চারজনকে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে কথা কাটাকাটির জেরে শুরু হওয়া সংঘর্ষে উভয় পক্ষই ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায় বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন পিপরুল ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক আরব আলী ও তার পরিবারের তিন সদস্য এবং প্রতিপক্ষ একই ইউনিয়নের সহ-সভাপতি লিটন ও রিপনসহ অন্তত তিনজন। গুরুতর আহত রিপনের হাতের দুটি আঙুল প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান। আরব আলীও রক্তাক্ত হয়েছেন। গুরুতর আহত দুজনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ ভর্তি করা হয়েছে। অন্য আহতরা নাটোর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
পিপরুল ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মিঠুন কুমার দেব বলেন, এটি দলীয় কোনো সংঘর্ষ নয়; পূর্ব শত্রুতার জেরে প্রতিবেশীদের মধ্যে এ ঘটনা ঘটেছে।
এ বিষয়ে নাটোর জেলা যুবদল-এর সভাপতি এ. হাই তালুকদার ডালিম বলেন, ঘটনাটি রাজনৈতিক নয়, বরং পারিবারিক বিরোধের জের। এটি উভয় পরিবারের মধ্যে তৃতীয় দফার সংঘর্ষ। বিষয়টি নিষ্পত্তির চেষ্টা করা হলেও সমাধান হয়নি। দোষ প্রমাণিত হলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
মারামারির ঘটনায় বাঁশভাগ পূর্বপাড়ার মৃত আব্দুল করিম ব্যাপারির ছেলে মো. আনসার ব্যাপারী বাদী হয়ে ১১ জনের নাম উল্লেখ করে নলডাঙ্গা থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর রাতেই অভিযান চালিয়ে নলডাঙ্গা থানা পুলিশ অযরত আলী সরদার, হযরত আলী সরদার, খাদিজা বেগম ও মরিয়ম খাতুনকে আটক করে।
ঘটনার পর রাতে জেলা যুবদলের সভাপতি এ. হাই তালুকদার ডালিম ও সাধারণ সম্পাদক (ভা.প্রা.) মো. আনিসুর রহমান আনিস স্বাক্ষরিত প্যাডে পিপরুল ইউনিয়ন যুবদলের সহ-সভাপতি মো. লিটন ও সাংগঠনিক সম্পাদক আরব আলীকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। বহিষ্কৃত নেতাদের কোনো অপকর্মের দায়-দায়িত্ব দল নেবে না বলেও জানানো হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয় এবং নেতাকর্মীদের তাদের সঙ্গে সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নলডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূরে আলম জানান, মামলা দায়েরের পর রাতেই চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।




















