পঞ্চগড়ে গরীবের ইফতারে খেজুর নেই, বয়লারে গোস্তের স্বাদ
- আপডেট সময় : ০২:৪৭:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ২২০ বার পড়া হয়েছে

পঞ্চগড়ে গরীবের ইফতারে খেজুর নেই, বয়লারে গোস্তের স্বাদ
ফল ও খেজুরের দাম আকাশছোঁয়া, বাড়ছে সোনালী মুরগির দামও
রমজানকে সামনে রেখে পঞ্চগড়ে ফলমূল ও খেজুরের বাজারে চড়া দাম লক্ষ্য করা গেছে। মধ্যপ্রাচ্য থেকে আমদানিকৃত খেজুরের দাম আকাশছোঁয়া হওয়ায় নিম্নআয়ের মানুষের নাগালের বাইরে চলে গেছে এই ইফতারের প্রধান উপকরণ। ফলে অনেকের ইফতারে খেজুর কেবল নামেই থেকে যাচ্ছে।
পঞ্চগড় জেলা শহরের ফল বাজারে বিভিন্ন ধরনের ফল থরে থরে সাজানো থাকলেও গরিব ও অসহায় মানুষ সেগুলো কিনতে পারছেন না। বাজারে আঙুরের দাম কেজিপ্রতি ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা। কমলা ও আপেল বিক্রি হচ্ছে ৩২০ থেকে ৩৬০ টাকা কেজি দরে।
দেশে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদিত বিভিন্ন জাতের বড়ই ৮০ থেকে ১৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
অপরদিকে আমদানিকৃত খেজুরের দাম আরও বেশি। মানভেদে খোলা খেজুর বিক্রি হচ্ছে ৫০০ থেকে ১১০০ টাকা কেজি। প্যাকেটজাত খেজুরের দাম আরও বেশি। তবে ‘সিদ্ধ খেজুর’ নামে পরিচিত এক ধরনের খেজুর বিক্রি হচ্ছে প্রায় ২০০ টাকা কেজি দরে।
ফল ব্যবসায়ীরা জানান, নিম্নআয়ের মানুষ খুব কম পরিমাণে খেজুর কিনছেন, তাও বিশেষ প্রয়োজন বা অসুস্থ রোগীর জন্য। বাজারে মরিয়ম, সাফাওয়ি, চাগাই, মেডজুল, আজওয়া, আম্বার ও সুকারীসহ বিভিন্ন জাতের খেজুর রয়েছে। এর মধ্যে সুকারীর দাম তুলনামূলক কম, আর মরিয়মসহ কয়েকটি জাতের দাম বেশি।
এদিকে গরু ও ছাগলের গোস্তের দামও নিম্নআয়ের মানুষের সাধ্যের বাইরে। অনেকেই তাই বয়লার মুরগি কিনে গোস্তের স্বাদ নিচ্ছেন। আগে সোনালী মুরগি ২৪০ থেকে ২৫০ টাকায় পাওয়া গেলেও রমজানের আগেই তা বেড়ে ৩২০ টাকায় উঠেছে।
অনেক শ্রমজীবী মানুষ বাজারে গিয়ে মাছ-মাংস না কিনেই বাড়ি ফিরছেন। বর্তমানে লাল ডিমের হালি ৩৬ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বাজারে পণ্য কিনতে আসা শ্রমজীবী রবিউল ইসলাম বলেন, “আমরা অল্প আয়ের মানুষ। কাজকাম করে সংসার চালাই। মাঝে মধ্যে একটু মাছ কিনলেও গরুর গোস্ত কেনার সাধ্য নেই।”
স্থানীয়দের দাবি, রমজানকে সামনে রেখে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে কঠোর নজরদারি ও মূল্য নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।




















