শেরপুরে স্বাস্থ্য ও পুষ্টি বিষয়ক স্টেকহোল্ডার কর্মশালা অনুষ্ঠিত
- আপডেট সময় : ০১:২৮:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬ ২৩৫ বার পড়া হয়েছে

শেরপুরে স্বাস্থ্য ও পুষ্টি বিষয়ক স্টেকহোল্ডার কর্মশালা অনুষ্ঠিত
এসডিএফের আয়োজনে দিনব্যাপী কর্মশালায় সরকারি-বেসরকারি অংশীজনদের সমন্বয়ের ওপর গুরুত্ব
শেরপুর সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সভাকক্ষে সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন (এসডিএফ), শেরপুর জেলা কর্তৃক আয়োজিত জেলা পর্যায়ের স্বাস্থ্য ও পুষ্টি বিষয়ক স্টেকহোল্ডার কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) দিনব্যাপী এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়। শেরপুরের সিভিল সার্জন ডা. মুহাম্মদ শাহীনের সভাপতিত্বে এবং রাশিদা আক্তারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এসডিএফ-এর ময়মনসিংহ অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালক সৈয়দ মো. মোসাদ্দেক হোসেন।
কর্মশালায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন এসডিএফ শেরপুর জেলার জেলা ব্যবস্থাপক মো. গোলাম মোস্তফা। তিনি স্বাস্থ্য ও পুষ্টি বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরার পাশাপাশি এসডিএফ-এর লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও অর্জনসমূহ বিস্তারিতভাবে উপস্থাপন করেন।
কর্মশালায় প্রকল্পের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বিষয়ে বিস্তারিত উপস্থাপনা করেন এসডিএফ-এর আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক (স্বাস্থ্য ও পুষ্টি) ডা. আহমেদ তাকি তাহমিদ।
এছাড়া প্রকল্পের অগ্রগতি বিষয়ে উপস্থাপনা করেন এসডিএফ-এর জেলা স্বাস্থ্য ও পুষ্টি কর্মকর্তা ডা. মো. মেজবাউল মোকার রবিন।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের উপপরিচালক ডা. নীরঞ্জন বন্ধু দাম, এডিসিসি ডা. পীযূষ চন্দ্র সূত্রধর, এমওসিএস ডা. আহসানুল হাবীবসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা।
কর্মশালায় জেলা পর্যায়ের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, সাংবাদিক এবং বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে আঞ্চলিক পরিচালক সৈয়দ মো. মোসাদ্দেক হোসেন এসডিএফ-এর সার্বিক কার্যক্রম তুলে ধরে বলেন,
“স্বাস্থ্য ও পুষ্টি খাতে কার্যক্রম বাস্তবায়নে সিভিল সার্জন কার্যালয়সহ সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।”
তিনি স্বাস্থ্য ও পুষ্টি উন্নয়নে সম্মিলিত প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সভাপতির বক্তব্যে সিভিল সার্জন ডা. মুহাম্মদ শাহীন এসডিএফ-এর কার্যক্রমের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি সরকারি ও বেসরকারি অংশীজনদের মধ্যে সমন্বয় ও যোগাযোগ বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন। পাশাপাশি বাড়িতে স্বাভাবিক প্রসব নিরুৎসাহিত করা এবং গর্ভকালীন সময়ে গর্ভবতী মায়েদের নিরাপদ পরিবহন নিশ্চিত করার বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের পরামর্শ দেন।
শেষে সভাপতির সমাপনী বক্তব্যের মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী এ কর্মশালার সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।




















