রাজশাহীতে বিএনপির মিনু ও জামায়াতের মুজিবুরের মনোনয়ন বৈধ
- আপডেট সময় : ০২:৩৩:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬ ২০০ বার পড়া হয়েছে

রাজশাহীতে বিএনপির মিনু ও জামায়াতের মুজিবুরের মনোনয়ন বৈধ
রাজশাহী-১ ও রাজশাহী-২ আসনে যাচাই-বাছাই শেষে ৯ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল
রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী-তানোর) আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ও দলটির নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান এবং রাজশাহী-২ (সদর) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মিজানুর রহমান মিনুর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা।
শনিবার (৩ জানুয়ারি) সকালে রাজশাহী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই সভা থেকে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা আফিয়া আখতার।
সভা সূত্রে জানা যায়, রাজশাহী-১ আসনে মোট ছয়জন প্রার্থীর মধ্যে তিনজনের মনোনয়ন বৈধ এবং তিনজনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। এ আসনে বৈধ ঘোষিত প্রার্থীরা হলেন— বিএনপির প্রার্থী মেজর জেনারেল (অব.) শরীফ উদ্দীন, আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির আব্দুর রহমান এবং জামায়াতে ইসলামীর অধ্যাপক মুজিবুর রহমান।
অপরদিকে স্বতন্ত্র প্রার্থী আল সাআদের সমর্থনকারীদের তালিকায় দুজন মৃত ভোটার ও চারজনকে খুঁজে না পাওয়ায় তার মনোনয়ন বাতিল করা হয়। স্বতন্ত্র প্রার্থী সুলতানুল ইসলাম তারেকের আয়-ব্যয়ের নথিতে স্বাক্ষর না থাকা এবং ১ শতাংশ ভোটার সমর্থনে গরমিল থাকায় তার মনোনয়ন বাতিল করা হয়। এছাড়া গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মীর মোহাম্মদ শাহজাহানের ক্ষেত্রে দলীয় সভাপতি নুরুল হক নূরের স্বাক্ষরের সঙ্গে দাখিলকৃত স্বাক্ষরের অমিল পাওয়া যায়।
এদিকে রাজশাহী-২ আসনে নয়জন প্রার্থীর মধ্যে ছয়জনের মনোনয়ন বৈধ ও তিনজনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। বৈধ ঘোষিত প্রার্থীরা হলেন— বিএনপির মিজানুর রহমান মিনু, জামায়াতে ইসলামীর ডা. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর, এবি পার্টির সাঈদ নোমান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ফজলুল করিম, বাংলাদেশ লেবার পার্টির মেসবাউল ইসলাম এবং নাগরিক ঐক্যের শামসুল আলম।
এই আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহাবুদ্দিনের আয়-ব্যয়ের বিবরণীতে স্বাক্ষর না থাকা, সমর্থনকারীদের মধ্যে মৃত ভোটার থাকা এবং স্বাক্ষর জালিয়াতির অভিযোগে মনোনয়ন বাতিল করা হয়। এছাড়া লেবার ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী ওয়াহিদুজ্জামানের ঋণ খেলাপি থাকা এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী সালেহ উদ্দিনের ১ শতাংশ ভোটার সমর্থনে গরমিল থাকায় তাদের মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করা হয়।




















