ঢাকা ০৫:০৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাগাতিপাড়ায় ঈদের ছুটিতে গ্রামে এসে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা দিলেন একই পরিবারের তিন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক আক্কেলপুরে জমিজমা বিরোধে যুবককে ছু/রি/কা/ঘা/তে হ’ত্যা সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে গোমস্তাপুরে ঈদুল আজহার জামাত অনুষ্ঠিত নরসিংদীতে শিশুর মাথায় পাতিল আটকে বিপত্তি, ওয়ার্কশপে নিয়ে কেটে খুলতে হলো সিলভারের পাতিল ২ মণ গাঁজাসহ রাজশাহীতে তিন মাদক কারবারি গ্রেপ্তার সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে চাঁদপুরের অর্ধশত গ্রামে ঈদুল আজহা উদযাপন ভেড়ামারায় ১২ বছরের মাদরাসাছাত্রীকে ধ/র্ষ/ণে/র অভিযোগ, সৎ-নানাকে গণ-ধো/লা/ই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ ঈদুল আজহা সামনে রেখে র‌্যাব-৫-এর বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার বাগাতিপাড়া থেকে নি/খোঁ/জের ৭ দিন পর লালপুরে আহত অবস্থায় উদ্ধার বৃদ্ধের মৃত্যু রামিসা হ/ত্যা মামলার আসামি দ্রুত গ্রেপ্তার, অপপ্রচারের অভিযোগ: প্রতিমন্ত্রী আজাদ

লালপুরে আত্মহত্যা প্ররোচনা মামলায় পাঁচ জনের ১০ বছর সশ্রম কারাদন্ড!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৩০:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ জুলাই ২০২৩ ১৭৪ বার পড়া হয়েছে

দন্ডপ্রাপ্ত ৫ আসামি কে কারাগারে নেওয়া হচ্ছে

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

লালপুরে আত্মহত্যা প্ররোচনা মামলায় পাঁচ জনের ১০ বছর সশ্রম কারাদন্ড!

নাটোর প্রতিনিধিঃ
লালপুরে আত্মহত্যা প্ররোচনা মামলায় পাঁচ জনের ১০ বছর সশ্রম কারাদন্ড! নাটোরের লালপুরে শ্লীলতাহানি এবং মিথ্যা অপবাদ দিয়ে আত্মহত্যা প্ররোচনা মামলায় পাঁচ জনের প্রত্যেককে ১০ বছর সশ্রম কারাদন্ড এবং সেই সাথে আসামিদের প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা করেছে আদালত। দন্ডপ্রাপ্তরা হলো- আনোয়ার হোসেন ওরফে আনার আলী, আমিরুল ইসলাম, সাজদার রহমান, আনছার আলী, শাবান আলী। সোমবার (৩১ জুলাই) দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম এই রায় ঘোষণা করেন। অপর আসামী আশরাফুল ইসলাম দোষী সাব্যস্ত না হওয়ায় আদালত তাকে বেকসুর খালাস দেন।

মামলার সূত্রে জানা যায়, ২০১০ সালের ১৫ জুলাই সকাল দশটার দিকে লালপুর উপজেলার ভবানীপুর গ্রামের কাবিল হোসেনের স্ত্রী রিতা খাতুনকে জাপটে ধরে একই এলাকার আকবর মিস্ত্রির ছেলে আনোয়ার হোসেন আনার। তাকে সহযোগিতা করেন একই এলাকার আমিরুল ইসলাম, সাজদার রহমান, আনছার আলী ও শাবান আলী। এই ঘটনায় রিতা খাতুন চিৎকার করলে লোকজন এগিয়ে আসায় আসামিরা পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে এই ঘটনায় এলাকায় শালিশ বৈঠকের আয়োজন করা হয়। শালিসে আসামিদের শাসন গর্জন করে ছেড়ে দেয়া হয়। কিন্তু পরবর্তীতে ওই বছরেরই ২০ সেপ্টেম্বর রাত্রি ৯ টার দিকে আসামিরা কাবিল হোসেনের অনুপস্থিতিতে আবারো রিতা খাতুনের ঘরে ঢুকে তাকে মুখ চেপে ধরে বাড়ির পাশে আখ ক্ষেতে নিয়ে যায়। সেখানে তার শ্লীলতা হানির চেষ্টা করে তারা। সে সময় রিতা খাতুনের চিৎকারে এলাকাবাসী ছুটে আসলে আবারো তাকে ছেড়ে আসামীরা পালিয়ে যায়। পরে আসামীর রিতা খাতুনের নামে নানা অপবাদ দিতে থাকে। এমন অপবাদ এবং শ্লীলতা হানির এমন ঘটনা সহ্য করতে না পেরে ঐদিন রাতে রিতা খাতুন বিষ পানে আত্মহত্যা করে। এই ঘটনায় রিতার স্বামী বাদী হয়ে ৬ জনের নাম উল্লেখ করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালে মামলা দায়ের করেন।
সেই মামলার সাক্ষ্য প্রমাণ গ্রহণ শেষে অভিযুক্ত ৬ জনের মধ্যে একজনকে মামলা থেকে বেকসুর খালাস এবং ৫ জনকে দোষী সাব্যস্ত করে সোমবার দুপুরে এই রায় দেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

লালপুরে আত্মহত্যা প্ররোচনা মামলায় পাঁচ জনের ১০ বছর সশ্রম কারাদন্ড!

আপডেট সময় : ০১:৩০:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ জুলাই ২০২৩

লালপুরে আত্মহত্যা প্ররোচনা মামলায় পাঁচ জনের ১০ বছর সশ্রম কারাদন্ড!

নাটোর প্রতিনিধিঃ
লালপুরে আত্মহত্যা প্ররোচনা মামলায় পাঁচ জনের ১০ বছর সশ্রম কারাদন্ড! নাটোরের লালপুরে শ্লীলতাহানি এবং মিথ্যা অপবাদ দিয়ে আত্মহত্যা প্ররোচনা মামলায় পাঁচ জনের প্রত্যেককে ১০ বছর সশ্রম কারাদন্ড এবং সেই সাথে আসামিদের প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা করেছে আদালত। দন্ডপ্রাপ্তরা হলো- আনোয়ার হোসেন ওরফে আনার আলী, আমিরুল ইসলাম, সাজদার রহমান, আনছার আলী, শাবান আলী। সোমবার (৩১ জুলাই) দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম এই রায় ঘোষণা করেন। অপর আসামী আশরাফুল ইসলাম দোষী সাব্যস্ত না হওয়ায় আদালত তাকে বেকসুর খালাস দেন।

মামলার সূত্রে জানা যায়, ২০১০ সালের ১৫ জুলাই সকাল দশটার দিকে লালপুর উপজেলার ভবানীপুর গ্রামের কাবিল হোসেনের স্ত্রী রিতা খাতুনকে জাপটে ধরে একই এলাকার আকবর মিস্ত্রির ছেলে আনোয়ার হোসেন আনার। তাকে সহযোগিতা করেন একই এলাকার আমিরুল ইসলাম, সাজদার রহমান, আনছার আলী ও শাবান আলী। এই ঘটনায় রিতা খাতুন চিৎকার করলে লোকজন এগিয়ে আসায় আসামিরা পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে এই ঘটনায় এলাকায় শালিশ বৈঠকের আয়োজন করা হয়। শালিসে আসামিদের শাসন গর্জন করে ছেড়ে দেয়া হয়। কিন্তু পরবর্তীতে ওই বছরেরই ২০ সেপ্টেম্বর রাত্রি ৯ টার দিকে আসামিরা কাবিল হোসেনের অনুপস্থিতিতে আবারো রিতা খাতুনের ঘরে ঢুকে তাকে মুখ চেপে ধরে বাড়ির পাশে আখ ক্ষেতে নিয়ে যায়। সেখানে তার শ্লীলতা হানির চেষ্টা করে তারা। সে সময় রিতা খাতুনের চিৎকারে এলাকাবাসী ছুটে আসলে আবারো তাকে ছেড়ে আসামীরা পালিয়ে যায়। পরে আসামীর রিতা খাতুনের নামে নানা অপবাদ দিতে থাকে। এমন অপবাদ এবং শ্লীলতা হানির এমন ঘটনা সহ্য করতে না পেরে ঐদিন রাতে রিতা খাতুন বিষ পানে আত্মহত্যা করে। এই ঘটনায় রিতার স্বামী বাদী হয়ে ৬ জনের নাম উল্লেখ করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালে মামলা দায়ের করেন।
সেই মামলার সাক্ষ্য প্রমাণ গ্রহণ শেষে অভিযুক্ত ৬ জনের মধ্যে একজনকে মামলা থেকে বেকসুর খালাস এবং ৫ জনকে দোষী সাব্যস্ত করে সোমবার দুপুরে এই রায় দেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম।