রাজশাহীতে নিখোঁজের একদিন পর চা-বিক্রেতার মরদেহ উদ্ধার
- আপডেট সময় : ০৯:২০:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬ ১৫৩ বার পড়া হয়েছে

রাজশাহীতে নিখোঁজের একদিন পর চা-বিক্রেতার মরদেহ উদ্ধার
বাঘার পুকুর থেকে লাশ উদ্ধার; জমিজমা-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে হত্যার অভিযোগ পরিবারের
রাজশাহীর বাঘা উপজেলায় নিখোঁজ হওয়ার একদিন পর পুকুর থেকে সানাউল্লাহ (৪৫) নামে এক চা-বিক্রেতার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সকালে উপজেলার মনিগ্রাম ইউনিয়নের মনিগ্রাম টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ সংলগ্ন একটি পুকুর থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত সানাউল্লাহ মনিগ্রাম ইউনিয়নের তুলসীপুর গ্রামের মৃত খলিল উদ্দিন সরকারের ছেলে। প্রায় দুই বছর আগে তিনি ওই এলাকায় বাড়ি নির্মাণ করে বসবাস শুরু করেন। এর আগে তাঁর বসতভিটা ছিল বড় হাবাসপুর এলাকায়।
নিহতের স্ত্রী বুলুয়ারা বেগম জানান, সোমবার রাতে দোকান থেকে বাড়ি ফেরার পথে সানাউল্লাহ তাঁকে ফোন করে বাড়ির বাইরে আসতে বলেন। তিনি বাইরে এসে স্বামীর মোবাইল ফোনের টর্চলাইটের আলো দেখতে পান। কিন্তু রাস্তা পার হওয়ার আগেই হঠাৎ আলো নিভে যায়। এরপর তিনি বারবার ফোন করলেও আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
তিনি আরও জানান, পরে এলাকার কয়েকজনকে নিয়ে স্বামীর খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে মনিগ্রাম টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের পুকুরপাড়ে সানাউল্লাহর স্যান্ডেল ও ব্যাগ পড়ে থাকতে দেখা যায়। তবে তাঁকে কোথাও পাওয়া যায়নি। পরে থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে অনুসন্ধান শুরু করে। ভোররাতে পুকুরে জাল ফেলে তল্লাশি চালিয়ে সেখান থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
পরিবারের অভিযোগ, বাড়িতে যাতায়াতের রাস্তা নিয়ে প্রতিবেশী সলেমান হোসেন ও রাজুর সঙ্গে তাঁদের দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা-সংক্রান্ত বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে একাধিকবার সালিসও হয়েছে। পরিবারের দাবি, পূর্ব বিরোধের জের ধরে সানাউল্লাহকে হত্যা করে পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়ে থাকতে পারে।
এ বিষয়ে বাঘা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেরাজুল হক বলেন, “মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন ও জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত চলছে।”




















