ঢাকা ০২:৩৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
পঞ্চগড়ে আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ সপ্তাহে মানববন্ধন, ১৪ বছর পর ছেলের খোঁজে মায়ের আকুতি রায়গঞ্জের হাটপাঙ্গাসীতে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট গোদাগাড়ীতে জেলা পরিষদের উদ্যোগে ৮০ দুস্থ পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ রাজশাহীতে সাংবাদিকদের মামলা প্রত্যাহার ও ধর্ষণ-হত্যার দ্রুত বিচার দাবিতে মানববন্ধন রাজশাহীতে গুমের শিকার পরিবারের স্বীকৃতি ও ক্ষতিপূরণের দাবিতে মানববন্ধন পঞ্চগড় সীমান্তে নারী ও শিশুসহ আ/ট/ক, পতাকা বৈঠকে বিজিবির কাছে হস্তান্তর ঠাকুরগাঁওয়ে আন্তর্জাতিক গুম সপ্তাহ উপলক্ষে মানববন্ধন, ৫ দফা দাবি তিনবিঘা করিডোর সীমান্তে উত্তেজনার পর বিজিবি-বিএসএফ পতাকা বৈঠক গারো পাহাড়ে বনের জমি বেদখল, হুমকিতে জীববৈচিত্র্য গুরুদাসপুরে পুকুর থেকে নারীর ভাসমান মরদেহ উদ্ধার

রাজশাহীতে গুমের শিকার পরিবারের স্বীকৃতি ও ক্ষতিপূরণের দাবিতে মানববন্ধন

এম এম মামুন:
  • আপডেট সময় : ০৯:২৭:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬ ৪৯ বার পড়া হয়েছে

collected

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাজশাহীতে গুমের শিকার পরিবারের স্বীকৃতি ও ক্ষতিপূরণের দাবিতে মানববন্ধন

রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা, বিচার ও পুনর্বাসন নিশ্চিতের আহ্বান মানবাধিকার সংগঠন অধিকারের

গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের জন্য রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি, ক্ষতিপূরণ, আইনি সহায়তা ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবিতে রাজশাহীতে মানববন্ধন করেছে মানবাধিকার সংগঠন অধিকার।

শনিবার (২৩ মে) বেলা সাড়ে ১০টায় গুমের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক সপ্তাহ উপলক্ষে রাজশাহী মহানগরীর অলকার মোড় চেম্বার ভবনের সামনে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে মহানগর ও জেলার প্রায় অর্ধশতাধিক মানবাধিকারকর্মী ও সাংবাদিক অংশ নেন।

মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন অধিকার রাজশাহীর সমন্বয়কারী ও মঈন উদ্দিন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন হাবিবুল্লাহ মোহাম্মদ কাউছারী।

এতে বক্তব্য দেন মানবাধিকারকর্মী ও সাংবাদিক রাসেদুল হক ফিরোজ, এম শামিম আক্তার, হুজাইফা, সাংবাদিক ও মানবাধিকারকর্মী জুলইকরাম ইবতিদা এবং ফটোসাংবাদিক ও মানবাধিকারকর্মী আসাদুজ্জামান আসাদ।

এ সময় মানবাধিকার সংগঠন অধিকারের বিবৃতি পাঠ করেন গুম হওয়া পরিবারের সদস্য উম্মে কুলসুম জেমি।

বক্তারা বলেন, গুমের শিকার পরিবারগুলো দীর্ঘদিন ধরে চরম অনিশ্চয়তা ও আর্থিক সংকটে মানবেতর জীবনযাপন করছে। আইনি স্বীকৃতি না থাকায় ব্যাংকিং, সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা ও আর্থিক সহায়তা গ্রহণে তারা জটিলতার মুখে পড়ছেন।

তারা বলেন, রাষ্ট্র চাইলে ক্ষতিপূরণ, পুনর্বাসন এবং ব্যাংক হিসাব ব্যবহারের সুযোগ নিশ্চিত করতে পারে। প্রিয়জনদের ফিরিয়ে আনা সম্ভব না হলেও পরিবারগুলোর ন্যূনতম অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।

বক্তারা অভিযোগ করেন, দেশে এখনো গুম প্রতিরোধ ও মানবাধিকার সুরক্ষায় কার্যকর আইন ও বিচারব্যবস্থা পুরোপুরি প্রতিষ্ঠিত হয়নি। বিচারহীনতার সংস্কৃতির কারণে গুমের আতঙ্ক এখনো কাটেনি বলেও তারা দাবি করেন।

মানববন্ধনে আরও বলা হয়, গুমের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক সপ্তাহ প্রতি বছর মে মাসের শেষ সপ্তাহে বিশ্বজুড়ে পালিত হয়। ১৯৮১ সালে দক্ষিণ আমেরিকার সংগঠন ফেডেফেম এই উদ্যোগ শুরু করে।

বক্তারা দাবি করেন, গুমের বিরুদ্ধে দীর্ঘ আন্দোলনের অংশ হিসেবে এই কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। তারা গুমের শিকারদের সন্ধান, ন্যায়বিচার, ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের দাবিতে আন্দোলন অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

রাজশাহীতে গুমের শিকার পরিবারের স্বীকৃতি ও ক্ষতিপূরণের দাবিতে মানববন্ধন

আপডেট সময় : ০৯:২৭:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬

রাজশাহীতে গুমের শিকার পরিবারের স্বীকৃতি ও ক্ষতিপূরণের দাবিতে মানববন্ধন

রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা, বিচার ও পুনর্বাসন নিশ্চিতের আহ্বান মানবাধিকার সংগঠন অধিকারের

গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের জন্য রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি, ক্ষতিপূরণ, আইনি সহায়তা ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবিতে রাজশাহীতে মানববন্ধন করেছে মানবাধিকার সংগঠন অধিকার।

শনিবার (২৩ মে) বেলা সাড়ে ১০টায় গুমের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক সপ্তাহ উপলক্ষে রাজশাহী মহানগরীর অলকার মোড় চেম্বার ভবনের সামনে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে মহানগর ও জেলার প্রায় অর্ধশতাধিক মানবাধিকারকর্মী ও সাংবাদিক অংশ নেন।

মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন অধিকার রাজশাহীর সমন্বয়কারী ও মঈন উদ্দিন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন হাবিবুল্লাহ মোহাম্মদ কাউছারী।

এতে বক্তব্য দেন মানবাধিকারকর্মী ও সাংবাদিক রাসেদুল হক ফিরোজ, এম শামিম আক্তার, হুজাইফা, সাংবাদিক ও মানবাধিকারকর্মী জুলইকরাম ইবতিদা এবং ফটোসাংবাদিক ও মানবাধিকারকর্মী আসাদুজ্জামান আসাদ।

এ সময় মানবাধিকার সংগঠন অধিকারের বিবৃতি পাঠ করেন গুম হওয়া পরিবারের সদস্য উম্মে কুলসুম জেমি।

বক্তারা বলেন, গুমের শিকার পরিবারগুলো দীর্ঘদিন ধরে চরম অনিশ্চয়তা ও আর্থিক সংকটে মানবেতর জীবনযাপন করছে। আইনি স্বীকৃতি না থাকায় ব্যাংকিং, সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা ও আর্থিক সহায়তা গ্রহণে তারা জটিলতার মুখে পড়ছেন।

তারা বলেন, রাষ্ট্র চাইলে ক্ষতিপূরণ, পুনর্বাসন এবং ব্যাংক হিসাব ব্যবহারের সুযোগ নিশ্চিত করতে পারে। প্রিয়জনদের ফিরিয়ে আনা সম্ভব না হলেও পরিবারগুলোর ন্যূনতম অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।

বক্তারা অভিযোগ করেন, দেশে এখনো গুম প্রতিরোধ ও মানবাধিকার সুরক্ষায় কার্যকর আইন ও বিচারব্যবস্থা পুরোপুরি প্রতিষ্ঠিত হয়নি। বিচারহীনতার সংস্কৃতির কারণে গুমের আতঙ্ক এখনো কাটেনি বলেও তারা দাবি করেন।

মানববন্ধনে আরও বলা হয়, গুমের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক সপ্তাহ প্রতি বছর মে মাসের শেষ সপ্তাহে বিশ্বজুড়ে পালিত হয়। ১৯৮১ সালে দক্ষিণ আমেরিকার সংগঠন ফেডেফেম এই উদ্যোগ শুরু করে।

বক্তারা দাবি করেন, গুমের বিরুদ্ধে দীর্ঘ আন্দোলনের অংশ হিসেবে এই কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। তারা গুমের শিকারদের সন্ধান, ন্যায়বিচার, ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের দাবিতে আন্দোলন অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন।