নলডাঙ্গায় দখলদারের বাধার মুখে উচ্ছেদ অভিযান স্থগিত!
- আপডেট সময় : ১২:২০:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ জুন ২০২৪ ২২৭ বার পড়া হয়েছে

নলডাঙ্গায় দখলদারের বাধার মুখে উচ্ছেদ অভিযান স্থগিত!
নাটোর প্রতিবেদকঃ
অবৈধ দখলদারদের বাঁধার মুখে নাটোরের নলডাঙ্গা বারনই নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাধ দখলমুক্ত করতে পারেনি পানি উন্নয়ন বোর্ড। বৃস্পতিবার (৬ জুন) সকালে নলডাঙ্গা পৌরসভার মেয়র মনিরুজ্জামানের মধ্যস্থতায় আগামী ১ লা জুলাই পর্যন্ত অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান স্থগিত করা হয়েছে। এর মধ্যে দখলকৃত অবৈধ স্থাপনা দখলদারের নিজ খরচে অপসারণ করার লিখিত চুক্তিপত্র করা হয়। চুক্তিপত্র অনুযায়ী দখলদাররা তাদের অবৈধ স্থাপনা অপসারণ না করলে পরবর্তীতে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করবে বলে জানিয়েছেন নাটোর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী।
জানা যায়, নলডাঙ্গা উপজেলার বারনই নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের পাড়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের অধিগ্রহনকৃত জায়গায় বাড়ি ও দোকান ঘরসহ অন্তত ৪০ টি স্থাপনা নির্মাণ করে ভোগ দখল করে আসছিলদখলদাররা। স্থানীয় কিছু বাসিন্দাদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে এসব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করার উদ্দ্যেগ নেয় নাটোর পানি উন্নয়ন বোর্ড কৃর্তপক্ষ। এর আগে এসব স্থাপনা অপসারণের নোটিশ ও মাইকিং করা হয়। পূর্বে ঘোষণা অনুযায়ী বৃস্পতিবার সকালে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নলডাঙ্গা উপজেলা ভূমি কমিশনার আশিকুর রহমানের নের্তৃত্বে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মিরা নলডাঙ্গা বাজারের কেন্দ্রীয় মসজিদের পিছনে দখলকৃত জমি উদ্ধারে গেলে অভিযানে বাধা দেয় দখলদাররা। অভিযান বন্ধে দখলদাররা এক পর্যায়ে রাস্তায় বসে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে বিভিন্ন প্লাকার্ড ব্যানার নিয়ে মানববন্ধন করেন। এ নিয়ে এলাকাবাসীর সাথে দীর্ঘসময় বাক বিন্ডার পর দুপুরে পৌর মেয়র মনিরুজ্জামান মনিরের মধ্যস্থতায় আসন্ন কোরবানী ঈদ পর্যন্ত সময় দিয়ে উচ্ছেদ অভিযান স্থগিত করা হয়।
নলডাঙ্গা পৌরসভার মেয়র মনিরুজ্জামান জানান, জনগনের দাবীর মুখে ঈদ ও মানবিক দিক বিবেচনা করে নাটোর উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীর সাথে কথা বলে আগামী ১ জুলাই পর্যন্ত উচ্ছেদ অভিযান স্থগিত করা হয়েছে।
নাটোর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রফিকুল আলম চৌধুরী জানান, নলডাঙ্গা বাজারের পশ্চিমে বারনই নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের পানি উন্নয়ন বোর্ডের অধিগ্রহনকৃত জায়গা দখল করে অন্তত ৪০ টি দোকান ও বাড়ি নির্মাণ করে বসবাস করছিল। এসব অবৈধ স্থাপনা অপসারণের জন্য বারবার নোর্টিশ প্রদান করা হয়। পরবর্তীতে দখলদাররা এসব অপসারণ না করায় জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেষ্ট নিয়োগ দিয়ে স্থানীয় থানা পুলিশের সহযোগিতায় এস্কোভেটর নিয়ে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করতে গেলে দখলদাররা বাধা দেয়। পরে মেয়রের মধ্যস্থতায় আগামী জুলাই পর্যন্ত অভিযান স্থগিত রাখা হয়েছে। এরমধ্যে দখলদাররা নিজ খরচ ও দায়িত্বে তাদের অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নেওয়ার অঙ্গীকারনামা করা হয়। স্থাপনা সরিয়ে না নিলে পুনরায় উচ্ছেদ অভিযান চালানো হবে।




















