ঢাকা ০৭:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গোদাগাড়ীতে পদ্মার পানিতে ডুবে নিখোঁজ স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার বাগাতিপাড়ার শেষ কারিগর বিশ্বরূপ, তাঁর হাতেই টিকে আছে শতবর্ষী কাঠের চাকার ঐতিহ্য পঞ্চগড়ে আলোচিত মানিক হ/ত্যা মামলার রহস্য উদ্ঘাটনের দাবি, বড় বোন গ্রেপ্তার প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল পুনর্মূল্যায়নের দাবিতে রাজশাহীতে মানববন্ধন ঠাকুরগাঁওয়ে ডিসি অফিসের কর্মচারী ও স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা, তদন্ত প্রতিবেদন নিয়ে আদালতের তলব সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় লক্ষ্মীপুরের দুই সহোদর নিহত, গ্রামে শোকের মাতম রায়পুরায় নদীতে গোসল করতে নেমে মাদ্রাসার চার শিক্ষার্থীর মৃত্যু ঠাকুরগাঁওয়ে বজ্রপাতে বাবা-ছেলের মৃত্যু প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৬ উপলক্ষে বাগাতিপাড়ায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন রাজশাহীতে ধ/র্ষ/ণ মামলার রায় পুনর্বিবেচনা ও শি/শু ধ’র্ষ’ণে’র বিচার দাবিতে মানববন্ধন

গ্রামের বাড়িগুলোতে পিঠা তৈরির ধুম পড়েছে!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৩৩:৫৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৩ ২৩০ বার পড়া হয়েছে

পিঠা তৈরিতে ব্যস্ত

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গ্রামের বাড়িগুলোতে পিঠা তৈরির ধুম পড়েছে!

ফজলে রাব্বি, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
গ্রামের বাড়িগুলোতে পিঠা তৈরির ধুম পড়েছে! শীত এলেই হরেক পদের সুস্বাদু পিঠার বাহারি আয়োজন শুরু হয় গ্রামের বাড়িগুলোতে। কুয়াশা মোড়ানো শীতের হিমেল হাওয়ায় ধোঁয়া উঠা ভাপা পিঠার স্বাদ না নিলে যেন আত্মতৃপ্তি হয় না। নিজেদের আদি ঐতিহ্য অব্যাহত রাখতে নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার গ্রামের বাড়িতে বাড়িতে চলছে শীতের পিঠা তৈরির ধুম।

এছাড়া ক্রেতাদের চাহিদার কারণেই বিভিন্ন জনবহুল স্থানে মৌসুমী ব্যবসায়ীরা ভাপা পিঠার পাশাপাশি চিতই পিঠার দোকান নিয়ে বসেছেন। শীতের সকাল কিংবা সন্ধ্যার হাওয়ায় ভাসছে এসব পিঠার ঘ্রাণ।

মৌসুমী ব্যবসায়ীরা বলেন, প্রতিটি ভাপা পিঠা বিক্রি হয় ১০ টাকা দরে। আবার স্পেশালভাবে কেউ কেউ গুড় নারকেল একটু বেশি চায় তাই ওই পিঠার দাম কিছুটা বেশি নেওয়া হয়। কম পুঁজিতে যে কোনো স্থানে সহজে বাজারজাত করা যায় বলে অনেকেই এসব পিঠার দোকান করতে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। যতদিন প্রকৃতিতে শীত থাকবে ততদিন দেখা মিলবে ভাপা, চিতই আর তেলের পিঠার।

নতুন খেজুরের গুড়, আর নতুন চালের গুঁড়া দিয়ে তৈরি হয় এসব পিঠা। গরম পানির ভাপে এ পিঠা তৈরি হয় বলে এর নাম হয়েছে ভাপা পিঠা। পিঠাকে মুখরোচক করতে গুড় আর নারিকেলের সঙ্গে সামান্য পরিমাণ লবণ মেশানো হয়। এতেই স্বাদ বাড়ে বলে জানিয়েছেন দোকানীরা।

পুরো শীত নামার সাথে সাথেই প্রতি ঘরে খেঁজুরের পিঠা,পুলি ও পায়েশ তৈরীর ধুম পড়বে। চিড়া,মুড়ি,পিঠা খাওয়া কৃষক পরিবার থেকে শুরু করে সবার কাছে প্রিয়। শীত মৌসুম এলেই নাটোরের সর্বত্র শীত উদযাপনের নতুন আয়োজন শুরু হয়।

এসময় গ্রামের প্রায় বাড়িতে মেয়ে-জামাতাসহ বিভিন্ন আত্মীয়-স্বজন এবং দূর দূরান্তে অবস্থান করা পরিবারের সদস্যদের মাঝে এক অঘোষিত পিঠার নিমন্ত্রণের রব পড়ে যায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

গ্রামের বাড়িগুলোতে পিঠা তৈরির ধুম পড়েছে!

আপডেট সময় : ১০:৩৩:৫৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৩

গ্রামের বাড়িগুলোতে পিঠা তৈরির ধুম পড়েছে!

ফজলে রাব্বি, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
গ্রামের বাড়িগুলোতে পিঠা তৈরির ধুম পড়েছে! শীত এলেই হরেক পদের সুস্বাদু পিঠার বাহারি আয়োজন শুরু হয় গ্রামের বাড়িগুলোতে। কুয়াশা মোড়ানো শীতের হিমেল হাওয়ায় ধোঁয়া উঠা ভাপা পিঠার স্বাদ না নিলে যেন আত্মতৃপ্তি হয় না। নিজেদের আদি ঐতিহ্য অব্যাহত রাখতে নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার গ্রামের বাড়িতে বাড়িতে চলছে শীতের পিঠা তৈরির ধুম।

এছাড়া ক্রেতাদের চাহিদার কারণেই বিভিন্ন জনবহুল স্থানে মৌসুমী ব্যবসায়ীরা ভাপা পিঠার পাশাপাশি চিতই পিঠার দোকান নিয়ে বসেছেন। শীতের সকাল কিংবা সন্ধ্যার হাওয়ায় ভাসছে এসব পিঠার ঘ্রাণ।

মৌসুমী ব্যবসায়ীরা বলেন, প্রতিটি ভাপা পিঠা বিক্রি হয় ১০ টাকা দরে। আবার স্পেশালভাবে কেউ কেউ গুড় নারকেল একটু বেশি চায় তাই ওই পিঠার দাম কিছুটা বেশি নেওয়া হয়। কম পুঁজিতে যে কোনো স্থানে সহজে বাজারজাত করা যায় বলে অনেকেই এসব পিঠার দোকান করতে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। যতদিন প্রকৃতিতে শীত থাকবে ততদিন দেখা মিলবে ভাপা, চিতই আর তেলের পিঠার।

নতুন খেজুরের গুড়, আর নতুন চালের গুঁড়া দিয়ে তৈরি হয় এসব পিঠা। গরম পানির ভাপে এ পিঠা তৈরি হয় বলে এর নাম হয়েছে ভাপা পিঠা। পিঠাকে মুখরোচক করতে গুড় আর নারিকেলের সঙ্গে সামান্য পরিমাণ লবণ মেশানো হয়। এতেই স্বাদ বাড়ে বলে জানিয়েছেন দোকানীরা।

পুরো শীত নামার সাথে সাথেই প্রতি ঘরে খেঁজুরের পিঠা,পুলি ও পায়েশ তৈরীর ধুম পড়বে। চিড়া,মুড়ি,পিঠা খাওয়া কৃষক পরিবার থেকে শুরু করে সবার কাছে প্রিয়। শীত মৌসুম এলেই নাটোরের সর্বত্র শীত উদযাপনের নতুন আয়োজন শুরু হয়।

এসময় গ্রামের প্রায় বাড়িতে মেয়ে-জামাতাসহ বিভিন্ন আত্মীয়-স্বজন এবং দূর দূরান্তে অবস্থান করা পরিবারের সদস্যদের মাঝে এক অঘোষিত পিঠার নিমন্ত্রণের রব পড়ে যায়।