গ্রামের বাড়িগুলোতে পিঠা তৈরির ধুম পড়েছে!
- আপডেট সময় : ১০:৩৩:৫৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৩ ২১১ বার পড়া হয়েছে

গ্রামের বাড়িগুলোতে পিঠা তৈরির ধুম পড়েছে!
ফজলে রাব্বি, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
গ্রামের বাড়িগুলোতে পিঠা তৈরির ধুম পড়েছে! শীত এলেই হরেক পদের সুস্বাদু পিঠার বাহারি আয়োজন শুরু হয় গ্রামের বাড়িগুলোতে। কুয়াশা মোড়ানো শীতের হিমেল হাওয়ায় ধোঁয়া উঠা ভাপা পিঠার স্বাদ না নিলে যেন আত্মতৃপ্তি হয় না। নিজেদের আদি ঐতিহ্য অব্যাহত রাখতে নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার গ্রামের বাড়িতে বাড়িতে চলছে শীতের পিঠা তৈরির ধুম।
এছাড়া ক্রেতাদের চাহিদার কারণেই বিভিন্ন জনবহুল স্থানে মৌসুমী ব্যবসায়ীরা ভাপা পিঠার পাশাপাশি চিতই পিঠার দোকান নিয়ে বসেছেন। শীতের সকাল কিংবা সন্ধ্যার হাওয়ায় ভাসছে এসব পিঠার ঘ্রাণ।
মৌসুমী ব্যবসায়ীরা বলেন, প্রতিটি ভাপা পিঠা বিক্রি হয় ১০ টাকা দরে। আবার স্পেশালভাবে কেউ কেউ গুড় নারকেল একটু বেশি চায় তাই ওই পিঠার দাম কিছুটা বেশি নেওয়া হয়। কম পুঁজিতে যে কোনো স্থানে সহজে বাজারজাত করা যায় বলে অনেকেই এসব পিঠার দোকান করতে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। যতদিন প্রকৃতিতে শীত থাকবে ততদিন দেখা মিলবে ভাপা, চিতই আর তেলের পিঠার।
নতুন খেজুরের গুড়, আর নতুন চালের গুঁড়া দিয়ে তৈরি হয় এসব পিঠা। গরম পানির ভাপে এ পিঠা তৈরি হয় বলে এর নাম হয়েছে ভাপা পিঠা। পিঠাকে মুখরোচক করতে গুড় আর নারিকেলের সঙ্গে সামান্য পরিমাণ লবণ মেশানো হয়। এতেই স্বাদ বাড়ে বলে জানিয়েছেন দোকানীরা।
পুরো শীত নামার সাথে সাথেই প্রতি ঘরে খেঁজুরের পিঠা,পুলি ও পায়েশ তৈরীর ধুম পড়বে। চিড়া,মুড়ি,পিঠা খাওয়া কৃষক পরিবার থেকে শুরু করে সবার কাছে প্রিয়। শীত মৌসুম এলেই নাটোরের সর্বত্র শীত উদযাপনের নতুন আয়োজন শুরু হয়।
এসময় গ্রামের প্রায় বাড়িতে মেয়ে-জামাতাসহ বিভিন্ন আত্মীয়-স্বজন এবং দূর দূরান্তে অবস্থান করা পরিবারের সদস্যদের মাঝে এক অঘোষিত পিঠার নিমন্ত্রণের রব পড়ে যায়।



















