পঞ্চগড়ে আলোচিত মানিক হ/ত্যা মামলার রহস্য উদ্ঘাটনের দাবি, বড় বোন গ্রেপ্তার
- আপডেট সময় : ১১:৩৫:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬ ৩১ বার পড়া হয়েছে

পঞ্চগড়ে আলোচিত মানিক হ/ত্যা মামলার রহস্য উদ্ঘাটনের দাবি, বড় বোন গ্রেপ্তার
পঞ্চগড় সদর উপজেলার ঐতিহাসিক মহারাজার দিঘী থেকে যুবক মানিক হোসেনের মরদেহ উদ্ধারের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটনের দাবি করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের বড় বোন মোছা. সমলা আক্তার (২৪)-কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, বুধবার (১৫ জুলাই) সকাল সাড়ে ১২টার দিকে সদর উপজেলার অমরখানা ইউনিয়নের ভিতরগড় এলাকার মহারাজার দিঘীতে একটি মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। পরে পঞ্চগড় সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে।
পরবর্তীতে মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করে পুলিশ জানতে পারে, নিহত ব্যক্তি সদর উপজেলার মালাদাম এলাকার বাসিন্দা মো. মানিক হোসেন (১৯)।
ঘটনার পর পুলিশ সুপার মো. মাহবুবুর রহমানের নির্দেশনায় জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) একটি দল তদন্ত শুরু করে। প্রযুক্তিগত তথ্য বিশ্লেষণ, তথ্য সংগ্রহ ও জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে নিহতের বড় বোন সমলা আক্তারকে আটক করা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যাকাণ্ডে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ডিবি পুলিশের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রায় সাড়ে তিন মাস আগে সমলা আক্তারের সঙ্গে তার ছোট ভাই মানিকের অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং সেটি গোপনে ভিডিও ধারণ করা হয়। পরবর্তীতে মানিক ওই সম্পর্ক চালিয়ে যেতে অস্বীকৃতি জানালে দুই ভাইবোনের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। ঘটনার দিন সমলা পরিকল্পিতভাবে মানিককে মহারাজার দিঘী এলাকায় নিয়ে গিয়ে হত্যা করেন এবং পরে মরদেহ দিঘীর পানিতে ফেলে দেন বলে পুলিশের দাবি।
এ ঘটনায় নিহতের ভাই বাদী হয়ে পঞ্চগড় সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলার তদন্ত চলাকালে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত আলামত উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার হওয়া সমলা আক্তারকে আদালতে সোপর্দ করা হলে তিনি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডে অন্য কেউ জড়িত ছিল কি না, সে বিষয়েও তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।



















