ঢাকা ০১:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
পঞ্চগড়ে গণ-ধ/র্ষ/ণ মামলা মি’থ্যা প্রমাণিত, বাদীর বিরুদ্ধে মামলার অনুমতি পঞ্চগড়ে সীমান্তের ৩০ বেকার যুবককে ইলেকট্রিক হাউস ওয়্যারিং প্রশিক্ষণ রাজশাহী রেলস্টেশনে মাটি কাটতে গিয়ে ডিজেল ট্যাংকের পাইপ ফেটে অপচয়ের অভিযোগ হরিপুরে পূবালী ব্যাংকের বাংলা কিউআর বুথ উদ্বোধন বাগাতিপাড়ায় কৃষকদের মাঝে ২ হাজার ৫০০ গাছের চারা বিতরণ নলডাঙ্গার হালতিবিলে উচ্চ শব্দে গানবাজনা, প্রশাসনের অভিযান বিএনপি নেতা শফিকুল ইসলাম বুলবুল ও গ্রামবাসীর উদ্যোগে ঘর পেলেন অসহায় অপেজান রাজশাহীর সীমান্তে মাদক-চোরাচালান দমনে কঠোর হওয়ার নির্দেশ ভূমিমন্ত্রীর লালপুরে চাঁ’দা দাবির অভিযোগ, কু-প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় গাছ কাটার অভিযোগ লালপুরে বি’ষপানে তরুণী গৃহবধূর মৃ’ত্যু

গ্রেড পরিবর্তনের ১৩ মাসের বর্ধিত বকেয়া বেতন পাচ্ছেন না প্রাথমিক শিক্ষকরা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:২৩:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২২ ২২৬ বার পড়া হয়েছে
চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গ্রেড পরিবর্তনের ১৩ মাসের বর্ধিত বকেয়া বেতন পাচ্ছেন না প্রাথমিক শিক্ষকরা

উমর ফারুক, পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধিঃ
গ্রেড পরিবর্তনের ১৩ মাসের বর্ধিত বকেয়া বেতন পাচ্ছেন না প্রাথমিক শিক্ষকরা। পঞ্চগড়ের দেবীগন্জ উপজেলা গ্রেড পরিবর্তনের তেরো মাসের বর্ধিত বকেয়া বেতন, পাচ্ছেন না প্রাথমিক শিক্ষকরা। আগের বেতনের চেয়ে বর্ধিত অংশটুকুপাচ্ছেন না সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। নতুন বেতন কাঠামো পরিবর্তনের এক বছর পেরিয়ে গেলেও শিক্ষকদের ওই বকেয়া এখনো রয়েই গেছে। শিক্ষকদের অভিযোগ দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের অবহেলায় উপজেলার ৬ শতাধিক শিক্ষকের বেতন আটকে রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে ক্ষুব্ধ প্রাথমিকের সহকারী ও চলতি দায়িত্বে থাকা প্রধান শিক্ষকরা। শিক্ষকরা জানান, সরকারি প্রাথমিকের বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের বেতন কাঠামো ১৩ তম গ্রেডে উন্নীত করার গেজেট প্রকাশ করা হয় ২০২০ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি। ২০২১ সালের ৩১ মার্চ নতুন গ্রেডের বেতন নির্ধারণ করা হয়। নতুন গ্রেড অনুযায়ী এই মাসগুলোর শিক্ষকদের বর্ধিত বেতন এখনো বুঝে পায়নি পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলার শিক্ষকরা। ১৩ মাসে জনপ্রতি ৫ হাজার থেকে প্রায় ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত এই উপজেলার শিক্ষদের ৭০ থেকে ৮০ লাখ টাকা বকেয়া পড়ে রয়েছে বলে জানান তারা। অধিদপ্তরে বর্ধিত বকেয়া বেতনের চাহিদা না পাঠানোয় এই সংকট তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ করেন শিক্ষকরা। দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের গাফিলতির কারণে এমনটি হয়েছে বলে দাবি তাদের।

বাংলাদেশ প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক সমাজের কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহসভাপতি ও দেবীগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি মাহবুব হাসান রাজু বলেন, বর্তমানে আমরা সহকারী ও চলতি দায়িত্বের প্রধান শিক্ষকরা আর্থিক সংকটের মধ্যে আছি। এক বছর পেরিয়ে গেলেও আমরা ১৩ মাসের বর্ধিত বকেয়া বেতন পাচ্ছিনা। এ নিয়ে শিক্ষকের মনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। শিক্ষকদের প্রাপ্ত এই বকেয়া দ্রুত পরিশোধের দাবি জানাচ্ছি। দেবীগঞ্জ উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শামসুল হক বলেন, আমরা একবার অধিদপ্তরে বর্ধিত বকেয়া বেতনের তথ্য পাঠিয়েছিলাম। পরে সেখান থেকে আমাদের প্রত্যেক শিক্ষকদের আলাদা আলাদা করে চাহিদাসহ কাগজপত্র পাঠানোর নির্দেশনা দেয়া হয়। আমরা এখন সে কাজটি করছি। আশা করি শিগগিরই আমরা সকল শিক্ষকের তথ্য পাঠাতে পারবো। এখানে আমাদের কোন গাফলতি নেই।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

গ্রেড পরিবর্তনের ১৩ মাসের বর্ধিত বকেয়া বেতন পাচ্ছেন না প্রাথমিক শিক্ষকরা

আপডেট সময় : ০৪:২৩:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২২

গ্রেড পরিবর্তনের ১৩ মাসের বর্ধিত বকেয়া বেতন পাচ্ছেন না প্রাথমিক শিক্ষকরা

উমর ফারুক, পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধিঃ
গ্রেড পরিবর্তনের ১৩ মাসের বর্ধিত বকেয়া বেতন পাচ্ছেন না প্রাথমিক শিক্ষকরা। পঞ্চগড়ের দেবীগন্জ উপজেলা গ্রেড পরিবর্তনের তেরো মাসের বর্ধিত বকেয়া বেতন, পাচ্ছেন না প্রাথমিক শিক্ষকরা। আগের বেতনের চেয়ে বর্ধিত অংশটুকুপাচ্ছেন না সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। নতুন বেতন কাঠামো পরিবর্তনের এক বছর পেরিয়ে গেলেও শিক্ষকদের ওই বকেয়া এখনো রয়েই গেছে। শিক্ষকদের অভিযোগ দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের অবহেলায় উপজেলার ৬ শতাধিক শিক্ষকের বেতন আটকে রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে ক্ষুব্ধ প্রাথমিকের সহকারী ও চলতি দায়িত্বে থাকা প্রধান শিক্ষকরা। শিক্ষকরা জানান, সরকারি প্রাথমিকের বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের বেতন কাঠামো ১৩ তম গ্রেডে উন্নীত করার গেজেট প্রকাশ করা হয় ২০২০ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি। ২০২১ সালের ৩১ মার্চ নতুন গ্রেডের বেতন নির্ধারণ করা হয়। নতুন গ্রেড অনুযায়ী এই মাসগুলোর শিক্ষকদের বর্ধিত বেতন এখনো বুঝে পায়নি পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলার শিক্ষকরা। ১৩ মাসে জনপ্রতি ৫ হাজার থেকে প্রায় ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত এই উপজেলার শিক্ষদের ৭০ থেকে ৮০ লাখ টাকা বকেয়া পড়ে রয়েছে বলে জানান তারা। অধিদপ্তরে বর্ধিত বকেয়া বেতনের চাহিদা না পাঠানোয় এই সংকট তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ করেন শিক্ষকরা। দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের গাফিলতির কারণে এমনটি হয়েছে বলে দাবি তাদের।

বাংলাদেশ প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক সমাজের কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহসভাপতি ও দেবীগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি মাহবুব হাসান রাজু বলেন, বর্তমানে আমরা সহকারী ও চলতি দায়িত্বের প্রধান শিক্ষকরা আর্থিক সংকটের মধ্যে আছি। এক বছর পেরিয়ে গেলেও আমরা ১৩ মাসের বর্ধিত বকেয়া বেতন পাচ্ছিনা। এ নিয়ে শিক্ষকের মনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। শিক্ষকদের প্রাপ্ত এই বকেয়া দ্রুত পরিশোধের দাবি জানাচ্ছি। দেবীগঞ্জ উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শামসুল হক বলেন, আমরা একবার অধিদপ্তরে বর্ধিত বকেয়া বেতনের তথ্য পাঠিয়েছিলাম। পরে সেখান থেকে আমাদের প্রত্যেক শিক্ষকদের আলাদা আলাদা করে চাহিদাসহ কাগজপত্র পাঠানোর নির্দেশনা দেয়া হয়। আমরা এখন সে কাজটি করছি। আশা করি শিগগিরই আমরা সকল শিক্ষকের তথ্য পাঠাতে পারবো। এখানে আমাদের কোন গাফলতি নেই।