ঢাকা ০৮:১৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
পঞ্চগড়ে গণ-ধ/র্ষ/ণ মামলা মি’থ্যা প্রমাণিত, বাদীর বিরুদ্ধে মামলার অনুমতি পঞ্চগড়ে সীমান্তের ৩০ বেকার যুবককে ইলেকট্রিক হাউস ওয়্যারিং প্রশিক্ষণ রাজশাহী রেলস্টেশনে মাটি কাটতে গিয়ে ডিজেল ট্যাংকের পাইপ ফেটে অপচয়ের অভিযোগ হরিপুরে পূবালী ব্যাংকের বাংলা কিউআর বুথ উদ্বোধন বাগাতিপাড়ায় কৃষকদের মাঝে ২ হাজার ৫০০ গাছের চারা বিতরণ নলডাঙ্গার হালতিবিলে উচ্চ শব্দে গানবাজনা, প্রশাসনের অভিযান বিএনপি নেতা শফিকুল ইসলাম বুলবুল ও গ্রামবাসীর উদ্যোগে ঘর পেলেন অসহায় অপেজান রাজশাহীর সীমান্তে মাদক-চোরাচালান দমনে কঠোর হওয়ার নির্দেশ ভূমিমন্ত্রীর লালপুরে চাঁ’দা দাবির অভিযোগ, কু-প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় গাছ কাটার অভিযোগ লালপুরে বি’ষপানে তরুণী গৃহবধূর মৃ’ত্যু

রাজশাহী ওয়াসার পানির দাম ৩ গুণ বৃদ্ধি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:২৩:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২২ ২৩৯ বার পড়া হয়েছে
চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাজশাহী প্রতিনিধিঃ
আজ মঙ্গলবার (ফেব্রুয়ারি) থেকেই রাজশাহী ওয়াসার পানির দাম বাড়ছে। আবাসিক ও বাণিজ্যিক উভয় ক্ষেত্রেই পানির দাম পুরোপুরি তিন গুণ করা হলো।
রাজশাহী ওয়াসা বলছে, বিদ্যমান অবস্থায় পানির মূল্য তিন গুণ করার পরও উৎপাদন ব্যয়ের চেয়ে পানির মূল্য কম থাকবে। অর্থাৎ প্রতি হাজার লিটার পানির উৎপাদন ব্যয় যেখানে ৮ টাকা ৯০ পয়সা, সেখানে মূল্যবৃদ্ধির পরও সমপরিমাণ পানির জন্য আবাসিক গ্রাহকেরা দেবেন ৬ টাকা ৮১ পয়সা। তবে বাণিজ্যিক সংযোগের ক্ষেত্রে প্রতি হাজার লিটার পানির মূল্য ধরা হবে ১৩ টাকা ৬২ পয়সা।
শুরুর দিকে তিন গুণ মূল্যবৃদ্ধি অযৌক্তিক, অনৈতিক ও অগ্রহণযোগ্য বলে দাবি করে বিভিন্ন ব্যক্তি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিবাদ জানালেও পরবর্তী সময়ে সামাজিক সংগঠনগুলো এ বিষয়ে কোনো কর্মসূচি গ্রহণ করেনি।
পানির মূল্য তিন গুণ বৃদ্ধি ও সামাজিক সংগঠনগুলোর প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে জানতে চাইলে সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) রাজশাহী জেলার সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল আলম বলেন, গ্রাহকেরা পানির হঠাৎ এতটা মূল্যবৃদ্ধি মেনে নিতে পারেনি। তবে গ্রাহক ও সামাজিক সংগঠনগুলো জানে প্রতিবাদ কিংবা কোনো কর্মসূচি পালন করে লাভ হবে না। সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো যে সিদ্ধান্ত একবার নেয়, দিন শেষে সেটাই বাস্তবায়ন করা হয়। নেসকোর প্রিপেইড মিটার নিয়ে দিনের পর দিন আন্দোলন করে সেটা নগরবাসী বুঝেছে। এ জন্য শুধু শুধু সময় নষ্ট ভেবে ইচ্ছে থাকা সত্ত্বেও কেউ কোনো প্রতিবাদ জানায়নি।
পানির নতুন মূল্য কার্যকর করার বিষয়ে রাজশাহী ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাকীর হোসেন বলেন, ওয়াসার আয়ের প্রধান উৎস পানির বিল বাবদ অর্থ। উৎপাদন খরচের চেয়ে অনেক কম দামে গ্রাহকদের পানি সরবরাহ দিচ্ছে ওয়াসা। এটা গ্রাহকেরা অবগত হয়েছেন। এ জন্য পানির মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে কেউ কোনো ধরনের প্রতিবাদ কিংবা অভিযোগ জানাননি। ওয়াসাকে নতুন মূল্য বাস্তবায়নে সহযোগিতা করায় নগরবাসীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি।
নগরীতে পানির চাহিদা প্রতিদিন ১১ কোটি ৩২ লাখ লিটার। তবে ওয়াসা ৯ কোটি লিটার পানি সরবরাহ করতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

রাজশাহী ওয়াসার পানির দাম ৩ গুণ বৃদ্ধি

আপডেট সময় : ০৬:২৩:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২২

রাজশাহী প্রতিনিধিঃ
আজ মঙ্গলবার (ফেব্রুয়ারি) থেকেই রাজশাহী ওয়াসার পানির দাম বাড়ছে। আবাসিক ও বাণিজ্যিক উভয় ক্ষেত্রেই পানির দাম পুরোপুরি তিন গুণ করা হলো।
রাজশাহী ওয়াসা বলছে, বিদ্যমান অবস্থায় পানির মূল্য তিন গুণ করার পরও উৎপাদন ব্যয়ের চেয়ে পানির মূল্য কম থাকবে। অর্থাৎ প্রতি হাজার লিটার পানির উৎপাদন ব্যয় যেখানে ৮ টাকা ৯০ পয়সা, সেখানে মূল্যবৃদ্ধির পরও সমপরিমাণ পানির জন্য আবাসিক গ্রাহকেরা দেবেন ৬ টাকা ৮১ পয়সা। তবে বাণিজ্যিক সংযোগের ক্ষেত্রে প্রতি হাজার লিটার পানির মূল্য ধরা হবে ১৩ টাকা ৬২ পয়সা।
শুরুর দিকে তিন গুণ মূল্যবৃদ্ধি অযৌক্তিক, অনৈতিক ও অগ্রহণযোগ্য বলে দাবি করে বিভিন্ন ব্যক্তি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিবাদ জানালেও পরবর্তী সময়ে সামাজিক সংগঠনগুলো এ বিষয়ে কোনো কর্মসূচি গ্রহণ করেনি।
পানির মূল্য তিন গুণ বৃদ্ধি ও সামাজিক সংগঠনগুলোর প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে জানতে চাইলে সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) রাজশাহী জেলার সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল আলম বলেন, গ্রাহকেরা পানির হঠাৎ এতটা মূল্যবৃদ্ধি মেনে নিতে পারেনি। তবে গ্রাহক ও সামাজিক সংগঠনগুলো জানে প্রতিবাদ কিংবা কোনো কর্মসূচি পালন করে লাভ হবে না। সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো যে সিদ্ধান্ত একবার নেয়, দিন শেষে সেটাই বাস্তবায়ন করা হয়। নেসকোর প্রিপেইড মিটার নিয়ে দিনের পর দিন আন্দোলন করে সেটা নগরবাসী বুঝেছে। এ জন্য শুধু শুধু সময় নষ্ট ভেবে ইচ্ছে থাকা সত্ত্বেও কেউ কোনো প্রতিবাদ জানায়নি।
পানির নতুন মূল্য কার্যকর করার বিষয়ে রাজশাহী ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাকীর হোসেন বলেন, ওয়াসার আয়ের প্রধান উৎস পানির বিল বাবদ অর্থ। উৎপাদন খরচের চেয়ে অনেক কম দামে গ্রাহকদের পানি সরবরাহ দিচ্ছে ওয়াসা। এটা গ্রাহকেরা অবগত হয়েছেন। এ জন্য পানির মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে কেউ কোনো ধরনের প্রতিবাদ কিংবা অভিযোগ জানাননি। ওয়াসাকে নতুন মূল্য বাস্তবায়নে সহযোগিতা করায় নগরবাসীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি।
নগরীতে পানির চাহিদা প্রতিদিন ১১ কোটি ৩২ লাখ লিটার। তবে ওয়াসা ৯ কোটি লিটার পানি সরবরাহ করতে পারে।